1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কারবালার যুদ্ধ  -মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম (খাজা হাবীব) চট্টগ্রামের শ্রেষ্ঠ ওসি হলেন জোরারগঞ্জ থানার আব্দুল্লাহ আল হারুন শ্রেষ্ঠ শহীদ ইমাম হুসাইন(রা:) –  মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম (খাজা হাবীব) রোটারি ক্লাব অব আন্দরকিল্লা র ২০২৪-২৫ রোটাবর্ষের প্রথম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত। লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং ফটিকছড়ির উদ্যোগে সূর্যগিরি আশ্রমে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ সিলেট বিভাগে বিসিএ ফাউন্ডেশন ইউকে উদ্যোগে বন্যার্তদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ পটিয়ায় এপেক্স ক্লাবের বৃক্ষ রোপণ ইউএনও একটি গাছ লাগিয়ে মানুষের জীবন বাঁচানো যায়। সাংবাদিক জুয়েল খন্দকারের বিরুদ্ধে কাউন্সিলর সাহেদ ইকবাল বাবুর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত “বীরশ্রেষ্ঠ আলী আকবর” -মোহাম্মদ আব্দুল হাকিম (খাজা হাবীব ) রোটারি ক্লাব অব আন্দরকিল্লা ‘র কমিটি গঠন

মহেশখালীর কাঁকড়াতে এখন সোনা ফলে! এক ঝুড়ির মূল্য লাখ টাকা

  • সময় বুধবার, ৩১ আগস্ট, ২০২২
  • ৩০২ পঠিত
সরওয়ার কামাল মহেশখালীঃ
মহেশখালীর কাঁকড়াতে এখন সোনা ফলে। এক ঝুড়ির মূল্য লাখ টাকা । কাঁকড়া স্থানীয়দের খাবারের তালিকায় স্থান দখল করে নিচ্ছে দিন দিন। ফলে কাঁকড়া এক প্রকার এখন সোনার হরিণ। এছাড়া কাঁকড়া চাষীরা এক ঝুড়ি কাঁকড়ায় বিক্রয় মূল্য পাচ্ছেন লাখ টাকারও বেশী। তাই কাঁকড়া ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছেন অনেক চিংড়ি চাষী। বর্তমানে ঢাকায় এক কেজি বড় কাঁকড়া বিক্রি হচ্ছে ৯৫০ টাকা। এতে কক্সবাজার উপকূলের উৎপাদিত কাঁকড়ার চাহিদা আর্ন্তজাতিক ভাবে বেশী বলে জানালেন রপ্তানীকারকেরা।
জানা গেছে, কাঁকড়া লোভনীয় হওয়ায় প্রজেক্টে পাহারা দিতে হয় সার্বক্ষনিক। যে কেউ সুযোগ পেলেই ধরে নিয়ে আসে কাঁকড়া। বিক্রি করে পায় নগদ টাকা। বিগত সময়ে যে পদ্ধতিতে কাঁকড়া সরবরাহ করেছে এখন তা পরিবর্তন হয়েছে। এখন রপ্তানীকারকদের উপর নির্ভর করে কাঁকড়ার দর। যার ফলে ইচ্ছেমত দর দেওয়ায় ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সরকার কাঁকড়া ব্যবসায়িদের ঋণ দিয়ে সহযোগীতা করলে কাঁকড়া উৎপাদন দ্বিগুণ হয়ে যাবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা আরো বেশী অর্জিত হবে। দেশে উৎপাদিত কাঁকড়া খাওয়ার সামর্থ স্থানীয়দের নেই। অনেকে সখ করেও কাঁকড়া খেতে পারছেন না। মহেশখালীর  স্থানীয় ভাবে উৎপাদিত কাঁকড়ার স্বাদই আলাদা।
জেলার মহেশখালী, টেকনাফ, চকরিয়া, কক্সবাজার সদর, পেকুয়া ও কুতুবদিয়া উপজেলার বিভিন্ন চিংড়ি প্রজেক্টে মৌসুমী কাঁকড়া চাষ ছাড়াও নাফনদী, কোহেলিয়া নদী, সোনাদিয়ার মোহনা ও মহেশখালী চ্যানেল থেকে প্রচুর কাঁকড়া আহরণ করেন কাঁকড়া ব্যবসায়ীরা। এছাড়াও জেলাব্যাপী অন্তত দেড় শতাধিক কাঁকড়া হ্যাচারী রয়েছে।
মহেশখালী কাঁকড়া উৎপাদন ও রপ্তানী বহুমুখী সমিতির সভাপতি জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, সরকারি সহায়তা পেলে মহেশখালীতেই কয়েক হাজার কোটি টাকার কাঁকড়া উৎপাদন করা সম্ভব। অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান হবে। ১২০ গ্রাম এর কম কাঁকড়া আহরণ নিষিদ্ধ হলেও এই সুযোগে স্থানীয় বনবিভাগ বড় কাঁকড়া আটকিয়ে টাকা দাবী করে। এটি এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। এ বিষয়ে অভিযোগ করেও কোন সুরাহা হচ্ছে না। সরকার কাঁকড়া উৎপাদন বাড়াতে ঋণ দিলে আমরা উপকৃত হব।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার বাজারে ডাবল এফ ওয়ান – প্রতিকেজি ৯৩০ টাকা, এফ ওয়ান -৭০০ টাকা, এফ টু- ৫৫০ টাকা, এফ ত্রি-৪৫০ টাকা, ডাবল এক্সেল প্রতিকেজি-৯৫০ টাকা, এক্সেল-৭০০ টাকা, এল-৫৫০ টাকা ও এসএম-৩০০ টাকা।
ইতোমধ্যে কক্সবাজার জেলার ৬টি উপজেলায় অন্তত সাড়ে ৪ হাজার কাঁকড়া চাষী আছেন। প্রতি বছর চাষীর সংখ্যা বাড়ছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট