হেলাল বিন ইলিয়াছ:
অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি ঢল নেমে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অনেক দোকানপাট বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। কৃষকদের পাকা ধান, শাকসবজি ও অন্যান্য ফসল পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। মাছের ঘের ও পুকুর ভেসে যাওয়ায় মৎস্যচাষীরাও বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট, খাদ্যাভাব এবং বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষ সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। স্থানীয় প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান দুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ ও উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের তুলনায় সহায়তা এখনও পর্যাপ্ত নয়।
এই দুর্যোগে সাতকানিয়ার মানুষের জীবন যেন এক করুন আর্তনাদে পরিণত হয়েছে। দ্রুত ত্রাণ বিতরণ, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।