পটিয়া প্রতিনিধি।
পটিয়ার শান্তিরহাট সংলগ্ন কুসুমপুরা এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহের পরিচয় অল্প সময়ের মধ্যেই শনাক্ত হয়েছে।
নিহতের নাম সুমি আক্তার (২১)।
তিনি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর চরলক্ষা এলাকার জাকির মেম্বার বাড়ির বাসিন্দা। তার স্বামী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।
বুধবার (২ জুলাই) দুপুরে কুসুমপুরা এলাকার একটি লেঙ্গের দোকানের পাশের সড়কে সুমি আক্তারকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।
পরে স্থানীয় মানবিক যুবক রুবেল তাকে উদ্ধার করে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
প্রথমদিকে তার পরিচয় জানা না থাকায় মরদেহটি অজ্ঞাত পরিচয়ে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়।
পরে পরিচয় শনাক্তে জনসাধারণের সহযোগিতা চেয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রচার করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের পর স্বজনরা হাসপাতালে যোগাযোগ করে মরদেহটি সুমি আক্তারের বলে শনাক্ত করেন।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ মাস আগে সুমি আক্তারের বিয়ে হয়।
শ্বশুরবাড়িতে কাজের চাপ নিয়ে মানসিক অভিমানের জেরে তিনি বাবার বাড়িতে চলে আসেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি বিষপান করেছিলেন।
তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানাযায়।
পটিয়া থানার এস আই সমীর ভট্টাচার্য জানিয়েছন মরদেহের সুরতহালসহ প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম সম্পন্ন করার কাজ চলছে। ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।