উদীয়মান সূর্য, যা একটি নতুন স্বাধীন দেশের অভ্যুদয় এবং মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তকে নির্দেশ করে। এই বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করতে প্রাণ দিয়েছে ৩০ লাখ মানুষ। সে জন্যই আমাদের জাতীয় পতাকা গাঢ় লাল সবুজের।
বিপ্লবী স্বাধীন বাংলার পতাকা ছিল ভিন্ন। সবুজ জমিনে লাল বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙে বাংলাদেশের মানচিত্র।
দেখলেই যেন মন প্রাণ জুড়িয়ে যায়। তাইতো কবির কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছে --- আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি। গানটি প্রতিটি বাঙালিকে উদ্দীপ্ত করেছে, প্রেরণাও যুগিয়েছে।লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে এই স্বাধীনতা, এই দিনে জাতি স্মরণ করছে বীর শহীদদের? স্বাধীনতা দিবস তাই বাংলাদেশের মানুষের কাছে মুক্তির প্রতিজ্ঞায় উদ্দীপ্ত হওয়ার ইতিহাস। পাকিস্তানের শোষণ-বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে বিশ্ব মানচিত্রে জায়গা করে নেওয়ার ৫৬ তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালের তাৎপর্যপূর্ণ এই দিনটিকে স্মরণ করে প্রতি বছর গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগম্ভীর্যের মাধ্যমে পালন করা হয় দিনটি।
স্বাধীনতা মানুষের জন্মগত অধীকার। আর মানুষ মাত্রই স্বাধীনতাপ্রিয়। তার জীবনের প্রধান আকাঙ্ক্ষা স্বাধীনতা।স্বাধীনতা মানুষের জন্মগত অধীকার। আর মানুষ মাত্রই স্বাধীনতাপ্রিয়। তার জীবনের প্রধান আকাঙ্ক্ষা স্বাধীনতা। স্বাধীনতা কথাটি যতই মধুর হোক না কেন এটা অর্জন করা বড়ই কঠিন। আর এ অর্জিত স্বাধীনতা রক্ষা করা আরও কঠিন। স্বাধীনতাকে পারার জন্যেই মানুষ যুগ যুগ ধরে সংগ্রাম করে এসেছে। নিপীড়িত, অত্যাচারিত জাতি স্বীয় মর্যাদাকে অক্ষুণ্ণ রাখার জন্যে সংগ্রাম করে মুক্তিলাভ করে থাকে।
কিন্তু এ মুক্তি অর্জনই মুখ্য উদ্দেশ্য নয়। একে সমুন্নত রাখাই মুখ্য উদ্দেশ্য। স্বাধীনতা অর্জনের পর দেশের পুনর্গঠন, উন্নয়ন ও বহিঃশত্রুর হাত থেকে একে রক্ষা করার জন্য সদা প্রস্তুত থাকা একান্ত প্রয়োজন।মানুষের যাবতীয় কার্যকলাপের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে স্বাধীনতাপূর্ণ গৌরবোজ্জ্বল জীবনের বিকাশ।
পরাধীন জাতি কঠিন ত্যাগ, কঠোর পরিশ্রম, সুদীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে।
তাই স্বাধীনতার মর্যাদা ও গুরুত্ব উপলব্ধি করে একে রক্ষণাবেক্ষণে তৎপর থাকা আমাদের জাতীয় কর্তব্য।