শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে দিনব্যাপি আন্তর্জাতিক সেবা সংগঠন এপেক্স বাংলাদেশ জেলা–৩ এর স্কুলিং ও আন্তঃক্লাব বিতর্ক প্রতিযোগিতা চট্টগ্রাম আগ্রাবাদস্থ স্বনামধন্য হল ৩৬৫, হোটেল ল্যান্ডমার্ক এ অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এপেক্স বাংলাদেশের জাতীয় সভাপতি এপেক্সিয়ান অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম পান্না,বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সহ-সভাপতি এপেক্সিয়ান নাসিম আহমেদ এবং সদ্য অতীত জাতীয় সভাপতি এপেক্সিয়ান এস এম হাসান আলী পিএইচডি,গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল অ্যাকশন ডিরেক্টর
এপেক্সিয়ান আদনান হোসেন অনি, রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দ্য ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (চট্টগ্রাম সেন্টার) চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অন্যতম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মানজারে খোরশেদ আলম, সদ্য অতীত জাতীয় সেবা পরিচালক এপেক্সিয়ান মোঃ নুরুল আমিন চৌধুরী আরমান, অতীত সেবা পরিচালক এপেক্সিয়ান প্রিন্সিপাল এস কে দত্ত অনুপ, ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি এপেক্সিয়ান মোঃ লিয়াকত আলী, এবং জেলা -৩ এর সেক্রেটারি মোঃ আরিফ খান
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন এপেক্সিয়ান মোঃ কায়সারুল আলম, চেয়ারম্যান, স্কুলিং ম্যানেজমেন্ট কমিটি। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এপেক্স বাংলাদেশ জেলা -৩ এর গভর্নর এপেক্সিয়ান সৈয়দ মিয়া হাসান।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন—
অতীত জেলা গভর্নর এপেক্সিয়ান মোঃ কামাল পাশা, সার্জেন্ট-অ্যাট-আর্মস, এপেক্স বাংলাদেশ এপেক্সিয়ান জাহিদুল ইসলাম তুষার, এডিটর, জেলা–৩ এপেক্সিয়ান মোঃ আবু সাঈদ তালুকদার খোকন, ট্রেজারার, জেলা–৩ ও সদ্য অতীত সভাপতি, বান্দরবান ক্লাব এপেক্সিয়ান মোঃ মোজাম্মেল হক, সেক্রেটারি ও ডিনার নোটিশ এডিটর, চকরিয়া ক্লাব এপেক্সিয়ান মোঃ সালাউদ্দিন শিশির, সার্জেন্ট-অ্যাট-আর্মস, পটিয়া ক্লাব এপেক্সিয়ান মোহাম্মদ আবু হেনা, প্রেসিডেন্ট, রাঙ্গামাটি ক্লাব এপেক্সিয়ান এস এম কামাল, সদ্য অতীত সভাপতি, চট্টগ্রাম ক্লাব এপেক্সিয়ান ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মহসিন, সেক্রেটারি ও ডিনার নোটিশ এডিটর, বান্দরবান ক্লাব এপেক্সিয়ান নিউ উইন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ক্লাব এপেক্সিয়ান অনিমেষ ঘোষ, প্রেসিডেন্ট, সাঙ্গু ক্লাব এপেক্সিয়ান বিরুলাল তচঞ্চা, সদস্য, সাঙ্গু ক্লাব এপেক্সিয়ান মোঃ ইয়াসিন আরাফাত, প্রেসিডেন্ট, কাপ্তাই ক্লাব এপেক্সিয়ান রঞ্জিত বড়ুয়া, সদ্য অতীত সভাপতি, কাপ্তাই ক্লাব এপেক্সিয়ান উদয়ন বড়ুয়া, অতীত সভাপতি, নারায়ণগঞ্জ ক্লাব এপেক্সিয়ান এম আর খোকন, সদস্য, নারায়ণগঞ্জ ক্লাব এপেক্সিয়ান ফারহানা আজাদ, আহমেদ শরীফ ও মোঃ আজিজ, প্রেসিডেন্ট, খাগড়াছড়ি ক্লাব এপেক্সিয়ান মোঃ কুশল খান, এপেক্সিয়ান এস এম কামরুল হোসাইন, এপেক্সিয়ান আবু বক্কর তানিম, প্রেসিডেন্ট, লামা ক্লাব এপেক্সিয়ান মোঃ তৈয়ব আলী, প্রেসিডেন্ট, চকরিয়া ক্লাব এপেক্সিয়ান হামিদুল ইসলাম মোরশেদ, সদ্য অতীত সভাপতি, চকরিয়া ক্লাব এপেক্সিয়ান মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, সেক্রেটারি ও ডিনার নোটিশ এডিটর, চকরিয়া ক্লাব এপেক্সিয়ান মোঃ জহির হোসেন, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট, নোয়াপাড়া ক্লাব এপেক্সিয়ান জসীম মঞ্জু, সেক্রেটারি ও ডিনার নোটিশ এডিটর, নোয়াপাড়া ক্লাব এপেক্সিয়ান মোঃ রুবেল হোসেন নীল, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ক্লাব এপেক্সিয়ান বিজয় সরকার, সদ্য অতীত সভাপতি, মেট্রোপলিটন ক্লাব এপেক্সিয়ান মোঃ রাশেদ ইয়াকুব, সদস্য, নারায়ণগঞ্জ ক্লাব এপেক্সিয়ান শাহনাজ উদ্দিন ও মোঃ শওকত হোসাইন, সদ্য অতীত সভাপতি, চট্টগ্রাম সেন্ট্রাল ক্লাব এপেক্সিয়ান মোঃ আদনান জাফরান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ক্লাব এপেক্সিয়ান মোঃ ফয়জুল ইসলাম, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট, বান্দরবান ক্লাব এপেক্সিয়ান রুই ফ্রু অং, প্রেসিডেন্ট, সন্দীপ ক্লাব এপেক্সিয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন কাদের লাভলু।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা–৩ এর ফার্স্ট লেডি শারমিন সুলতানা রুজি, সৈয়দা আফিয়াত, নাজিয়াত, জোহানাত,সুরাইয়া প্রমুখ।
দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে প্রথম সেশনে জেলা স্কুলিং ও এপেক্স বাংলাদেশের ডিরেক্টরির গ্রান্ড ওপেনিং এবং দ্বিতীয় সেশনে আন্তঃক্লাব বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
আন্তঃক্লাব বিতর্ক প্রতিযোগিতা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে এ সেশনের সভাপতিত্ব করেন,সেক্রেটারি, জেলা–৩ এপেক্সিয়ান মুহাম্মদ আরিফ খান।
জেলা স্কুলিংয়ের প্রশ্নোত্তর পর্বে বেস্ট পারফর্মার নির্বাচিত হন—
অতীত সভাপতি, নারায়ণগঞ্জ ক্লাব এপেক্সিয়ান এম আর খোকন, সেক্রেটারি, জেলা–৩ এপেক্সিয়ান মুহাম্মদ আরিফ খান, এবং প্রেসিডেন্ট, রাঙ্গামাটি ক্লাব এপেক্সিয়ান মোঃ কামাল উদ্দিন।
আন্তঃক্লাব বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় এপেক্স ক্লাব অব বান্দরবান, রানার্সআপ হয় এপেক্স ক্লাব অব চিটাগং।
সেরা বিতার্কিক নির্বাচিত হন সদ্য অতীত সভাপতি, বান্দরবান ক্লাব এপেক্সিয়ান মোঃ মোজাম্মেল হক।
অতিথিরা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, স্কুলিং ও আন্তঃক্লাব বিতর্ক প্রতিযোগিতার গুরুত্ব অপরিসীম। এটি সদস্যদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করে, আত্মবিশ্বাস জাগ্রত করে, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তোলে এবং একটি স্বাস্থ্যকর ও সফল ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করে।
তাঁরা আরও বলেন, স্কুলিং হলো এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে ক্লাব সদস্যরা শিখতে পারে কিভাবে দলবদ্ধভাবে কাজ করতে হয়, সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখতে হয়, ভালো মানুষ হিসেবে বেড়ে উঠতে হয় এবং সমাজের কম ভাগ্যবান মানুষের জন্য কাজ করতে হয়