পটিয়া প্রতিনিধি
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মানুষের কল্যাণে কাজ করার মাধ্যমে আগামী দিনে দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার উপযোগী একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে গড়ে উঠছে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাজ্জাদ হোসাইন।
একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দেশের মানুষের অধিকার, প্রত্যাশা ও কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে এনসিপি তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করছে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়, নতুন কর্মী সম্পৃক্তকরণ, সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, শুধু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এনসিপি জনগণের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করছে। তরুণ সমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি অংশগ্রহণমূলক ও জনমুখী রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার প্রতিটি উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত করার জন্য ধারাবাহিকভাবে সাংগঠনিক কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতামত ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যৎ কর্মকৌশল নির্ধারণ করা হবে। জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়িয়ে একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি তৈরি করতে কাজ করছেন তারা।
সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, “এনসিপিকে একটি সমৃদ্ধ, শক্তিশালী ও জনকল্যাণমুখী রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সমাজের সচেতন নাগরিক, তরুণ প্রজন্ম এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ইতিবাচক সহযোগিতা আমরা প্রত্যাশা করি।”
তিনি জানান, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন উপজেলা ও স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসূচি জোরদার করা হবে। সংগঠনের নতুন নেতৃত্ব তৈরি, কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশা নিয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এনসিপির সাংগঠনিক কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যন্ত বিস্তৃত করে একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, মানুষের কল্যাণে ধারাবাহিকভাবে কাজ করাই হবে তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।