পটিয়া প্রতিনিধি
পটিয়া উপজেলার জিরিতে মাদক ও কিশোর গ্যাংবিরোধী সচেতনতামূলক র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে জিরি জনকল্যাণ সংঘের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
র্যালিটি জিরি জনকল্যাণ সংঘ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সংগঠন প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। পরে সংগঠনের সভাপতি মো. নাসির উদ্দীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল সিকদার (সুমন)-এর সঞ্চালনায় সচেতনতামূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন পটিয়া থানার ওসি (তদন্ত) যযুৎশ যশ চাকমা। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের স্থায়ী পরিষদের সদস্য সচিব শামসুল হুদা চৌধুরী, সিনিয়র সদস্য আবু তাহের সওদাগর, সাবেক সভাপতি আব্দুল আলীম, জসিম উদ্দিন, আবুল হোসেন বাবুল ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক এরফানুল হক।
এ সময় সংগঠনের সহ-সভাপতি রাশেদুল আলম রাশেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইমতিয়াজ চৌধুরী, অর্থ সম্পাদক ইকরামুল কবির জাবেদ, ক্রীড়া সম্পাদক মো. সাকেদুল ইসলাম শাকিল, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক এম. এ. আজিজ, প্রচার সম্পাদক মোরশেদুল আলম, সহ-প্রচার সম্পাদক আরমান সিকদার, সমাজকল্যাণ সম্পাদক সাঈদ হোসেন আরিফ, সাহিত্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক মো. ওমর ফারুক রাজু, সাংস্কৃতিক ও আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম, পাঠাগার সম্পাদক মো. আকতা জামান ও দপ্তর সম্পাদক মো. এয়াকুবসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া এলাকার সমাজসেবক আবু ইউছুপ সিকদার, মোহাম্মদ আলী সিকদার, সামশুল আলম সিকদার, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, আব্দুল কুদ্দুস, মোহাম্মদ জসিম, মোহাম্মদ মফিজ, আবু তৈয়ব ও শাহ আলমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পটিয়া থানার ওসি (তদন্ত) যযুৎশ যশ চাকমা বলেন, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান রয়েছে। সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি সন্তানদের প্রতি আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হওয়ার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদক ও কিশোর গ্যাং সমাজ এবং যুবসমাজের জন্য মারাত্মক হুমকি। মাদক ব্যবসা ও সেবন এবং কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে হবে।
তারা বলেন, শুধু প্রশাসনের একার পক্ষে মাদক ও কিশোর গ্যাং নির্মূল করা সম্ভব নয়। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, সামাজিক সংগঠন ও সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
সমাবেশ শেষে মাদক ও কিশোর গ্যাংমুক্ত নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে প্রশাসন ও জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী।