পটিয়া প্রতিনিধি
পটিয়ায় গোয়ালঘরের তালা ভেঙে তিনটি গরু চুরির অভিযোগ উঠেছে।
এতে প্রায় চার লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন ধলঘাট ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আলামপুর যোগেশ ডাক্তার বাড়ির বাসিন্দা বিটু দে। গরু হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তার স্ত্রী কুমকুম দে।
খালি গোয়ালঘরের সামনে দাঁড়িয়ে কুমকুম দে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার জন্য একটা গরুও রাখল না।
তিনটা গরুই চুরি করে নিয়ে গেছে। আমি নিঃস্ব হয়ে গেলাম।
গরু লালন-পালন করে সংসার চালাই।
আমার গরুগুলো ফেরত চাই।
বৃহস্পতিবার ভোররাত আনুমানিক ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে বাড়ির পাশের গোয়ালঘরের তালা ভেঙে চোরেরা গরুগুলো নিয়ে যায় বলে পরিবারের অভিযোগ।
গরুর মালিক বিটু দে বলেন, চুরি যাওয়া গরুর মধ্যে একটি কালো রঙের বাছুর, একটি লাল রঙের পাঁচ মাস বয়সী গাভী এবং একটি কালো রঙের দুধের গাভী রয়েছে। তিনটি গরুর আনুমানিক মূল্য প্রায় চার লাখ টাকা।
বিটু দের ছেলে বলেন, রাত ৩টা পর্যন্ত তিনি জেগে ছিলেন।
পরে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তার বাবা গোয়ালঘরে গিয়ে তালা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান।
ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, কোনো গরুই নেই।
স্থানীয় বাসিন্দা রিনা দে বলেন, আগের দিন বিকেলেও তিনি গরুগুলোকে মাঠ থেকে এনে গোয়ালে রাখতে দেখেছেন।
সকালে জানতে পারেন, গরুগুলো চুরি হয়ে গেছে।
এভাবে গরু চুরি হলে এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অরুণ দে বলেন, গরু চুরির ঘটনায় তারা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।
অসহায় পরিবারের চুরি যাওয়া গরুগুলো দ্রুত উদ্ধারে প্রশাসনের সহযোগিতা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সূত্রে গরু চুরির খবর পেয়েছে পুলিশ।
বিষয়টি নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
গরু হারিয়ে নিঃস্ব পরিবারটি এখন চুরি যাওয়া গরুগুলো উদ্ধারের আশায় প্রশাসনের সহযোগিত কামনা করেন।