চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানাধীন হেমালতা সড়কস্হ ১৬ জানুয়ারি শুক্রবার বিকাল ৪ টায় সঙ্গীতম একাডেমির আয়োজনে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় এতে নোয়াপাড়া ডিগ্রি কলেজের সাবেক প্রভাষক, বাগীশিক প্রতিষ্ঠাতা, সংস্কৃতিসেবী পলাশ কান্তি নাথ রণী বলেন, শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি একটি জাতির দর্পন স্বরূপ। সংগীত একটি কলা, যা মানুষের অন্তর্জগতকে করে কোমল আর মানবজীবনকে করে আলোকিত। এতে করে একজন মানুষ পূর্ণাঙ্গ মানুষে রূপান্তরিত হয়। শিশু-কিশোরদের অন্তরের সুকুমার বৃত্তিসমূহের বিকাশে সংস্কৃতি চর্চার গুরুত্ব অনস্বীকার্য, প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। একাডেমির পরিচালক অভি নাথের সঞ্চালনায়, বাগীশিক পাহাড়তলী থানা সভাপতি জুয়েল দেবনাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মঙ্গলদীপ জ্বালিয়ে উদ্বোধন করেন সঙ্গীতানুরাগী রাধারাণী নাথ ও আশীর্বাদক ছিলেন সংগীতজ্ঞ রুমেল সেন ও গীতাপাঠক সুদর্শন দেবনাথ। প্রধান বক্তা ছিলেন বাগীশিক চট্টগ্রাম মহানগর সাধারণ সম্পাদক ডা. অপূর্ব ধর। এতে প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বাবুল দেবনাথ, বিশেষ অতিথি ছিলেন পাহাড়তলী হিবৌখৃ ঐক্য পরিষদের সভাপতি মিটুন সরকার, বাগীশিক চট্টগ্রাম মহানগর সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক অনীল আচার্য, শিক্ষক অঞ্জন মহাজন, বাগীশিক কর্মকর্তা সমীরণ ধর, গীতাপ্রশিক্ষক মতিলাল শীল, কাঞ্চন নাথ ও গীতাপ্রশিক্ষক নিশান সেন। দ্বিতীয় পর্বে একাডেমির শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার ও সনদ বিতরণ করা হয়। অভিভাবকদের উদ্দেশ্য করে প্রধান অতিথি আরও বলেন, একটি আলোকিত প্রজন্ম গড়তে গেলে বিশেষত মা এবং অভিভাবক মহলকে আন্তরিক ও সচেতন হতে হবে। শিশু-কিশোর-যুবক আগামীর কাণ্ডারী আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, তারা যোগ্য নাগরিক হয়ে ভবিষ্যতে দেশগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।