চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সাবেক মহাসচিব, সেন্টার অব এক্সেলেন্স ইন বুড্ডিস্ট স্টাডিজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়ার তৃতীয় প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে স্মৃতিচারণ ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) বৌদ্ধ গবেষণা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সংগঠন সেন্টার অব এক্সেলেন্স ইন বুড্ডিস্ট স্টাডিজ-এর উদ্যোগে নগরীর চট্টল আবাসনস্থ সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। সংগঠনের সভাপতি আচার্য্য প্রফেসর ড. দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে বুদ্ধবাণী পাঠ, প্রদীপ প্রজ্বলন এবং প্রয়াত প্রফেসর ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়ার প্রতিকৃতিতে পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল বড়ুয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন বর্ষীয়ান সংগঠক অটল বিহারী বড়ুয়া। প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সাংগঠনিক সচিব প্রফেসর ড. সুব্রত বরণ বড়ুয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন মিসেস সুশান্তি বড়ুয়া, প্রধান বক্তা ছিলেন ওয়ার্ল্ড অ্যালায়েন্স অব বুড্ডিস্টের সহ-সভাপতি ড. সবুজ বড়ুয়া শুভ। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রকৌশলী প্রদীপ কুমার বড়ুয়া, লায়ন লোকপ্রিয় বড়ুয়া, এমজেএফ, অর্থ সম্পাদক প্রকৌশলী দেবজিৎ বড়ুয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক পুতুল বড়ুয়া, প্রকাশনা সম্পাদক লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া, শিক্ষা সম্পাদক অধ্যাপক ড. সুদীপ্তা বড়ুয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অধ্যাপক অর্চনা বড়ুয়া, মহিলা সম্পাদিকা শুক্লা বড়ুয়া টিমন এবং আলো রাণী বড়ুয়া প্রমুখ। এ ছাড়া সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কুমার বড়ুয়া আনন্দ সুদূর আমেরিকা থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে স্মরণসভায় বক্তব্য রাখেন এবং প্রয়াত প্রফেসর ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়ার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, প্রফেসর ড. বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া ছিলেন একজন মেধাবী পদার্থবিজ্ঞানী, নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষাবিদ, সংগঠক ও বৌদ্ধ সমাজের আলোকিত ব্যক্তিত্ব। শিক্ষা, গবেষণা, বৌদ্ধ সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণে তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর চিন্তা, কর্ম ও মানবিক মূল্যবোধ নতুন প্রজন্মকে পথ দেখাবে। বক্তাগণ প্রয়াত এই গুণী শিক্ষাবিদ ও সমাজহিতৈষীর কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক স্মরণ করেন এবং তাঁর আদর্শ ও মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে বৌদ্ধ শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।