নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার ইউএনও ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই ২০২৬) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের অতিরিক্ত কমিশনার মো. মোতাহার হোসেন স্বাক্ষরিত ০৫.৪২.২০০০.০০০.০১৪.১৯.০০১৭.২৩.৬১৯ নম্বর প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখার ১৩ জুলাই ২০২৬ তারিখের ০৫.০০.০০০০.০০০.১৩৯.১৯.০০০৫.২৬-৪৫১ এবং ০৫.০০.০০০০.০০০.১৩৯.১৯.০০০৫.২৬-৪৫০ নম্বর স্মারকের নির্দেশনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম জেলার নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা এবং কুমিল্লা জেলার নবগঠিত বাঙ্গরা উপজেলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
এর আওতায় ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম (ব্যাচ-১৮৫৪৭)-কে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই প্রজ্ঞাপনে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.বি.এম. সারোয়ার রাব্বীকে নবগঠিত বাঙ্গরা উপজেলার ইউএনও ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বিধি অনুযায়ী অতিরিক্ত দায়িত্ব ভাতা পাবেন। এছাড়া তাঁদের কর্মঅধিক্ষেত্রে ভূমি বিষয়ক সরকারি পাওনা আদায়ের ক্ষেত্রে সরকারি দাবি আদায় আইন, ১৯১৩-এর ৩(৩) ধারা অনুযায়ী সার্টিফিকেট অফিসারের ক্ষমতাও অর্পণ করা হয়েছে। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
উল্লেখ্য, ১০ জুলাই ২০২৬ অনুষ্ঠিত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১২১তম সভায় চট্টগ্রামের নতুন ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা অনুমোদন লাভ করে। পরে ১৩ জুলাই ২০২৬ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এটি দেশের ৫০১তম উপজেলা হিসেবে সরকারি স্বীকৃতি পায়। এর ধারাবাহিকতায় ১৪ জুলাই ২০২৬ নবগঠিত উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রথম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর দায়িত্ব প্রদান করা হলো।
নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর ভূজপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ভূজপুর মৌজায় স্থাপিত হবে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের পর উপজেলা বাস্তবায়নের পর এবার প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।