দেশের ঐতিহ্যবাহী হাজী সেবা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ হজ্জে বাইতুল্লাহ কাফেলা এ বছরের হাজী সাহেবানদের এক হজ পুনর্মিলনী চবি আরবি বিভাগের প্রফেসর ড. আ ম কাজী হারুন উর রশীদের সঞ্চালনায় ও চবি আরবি বিভাগের প্রফেসর ড. আ. ক.ম. আবদুল কাদেরের সভাপতিত্বে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়।
হজ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হজ্জে বাইতুল্লাহ ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস'র চেয়ারম্যান ও চবি আরবি বিভাগের প্রফেসর ড. গিয়াস উদ্দিন তালুকদার। আলোচনায় অংশ নেন চবির উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমিন, আইআইইউসি-এর সাবেক প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. আবু বকর রফিক, চবির সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, চবির সাবেক প্রফেসর ড. এম. এ. গফুর, প্রফেসর ড. বি এমন মফিজুর রহমান আযহারী, হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন-এর মহাসচিব এডভোকেট জিয়া হাবিব আহসান, ইউনিভার্সিটি অব ভারমন্ট -এর সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, চবির প্রফেসর ড. শফি উল্লাহ কুতুবী, ওআর নিজাম রোড আবাসিক এলাকা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা সলিমুল্লাহ হাবিবি, মাওলানা মুহাম্মদ মহি উদ্দিন মাহবুব, হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ শরিয়ত উল্লাহ জিহাদী, হাফেজ মাওলানা আরাফাত মাদানী ও মাওলানা এম সোলাইমান কাসেমী প্রমুখ।
এতে কাফেলার চেয়ারম্যান ও চবি আরবি বিভাগের প্রফেসর ড. গিয়াস উদ্দিন তালুকদার বলেন, হাজীগণ কঠোর শৃংখলা, ধৈর্য্য, নিয়মানুবর্তিতা এবং শারীরিক ও মানসিক একাগ্রতার মাধ্যমে হজের ইবাদত সম্পন্ন করে থাকেন। হাজীগণ হজব্রত পালনের মাধ্যমে যেমন আল্লাহপাক নির্ধারিত একটি ফরজ ইবাদত সম্পন্ন করেন; অন্যদিকে হজের সফরে আচার আচরণের মধ্য দিয়ে নিজ দেশের সামাজিক উৎকর্ষতাকেও তুলে ধরতে পারেন। কোন অবস্থাতেই ইবাদতের মগ্ন পরিবেশ যাতে ক্ষুন্ন না হয় সেদিকে খুবই সর্তক থাকতে হবে। পরিশেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
হজ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিন সহস্রাধিক হাজী সাহেবান অংশগ্রহণ করেন।