মোঃ মনিরুল ইসলাম রিয়াদ
স্টাফ রিপোর্টার
হিলোচিয়া,সামদরিয়া বাজার, শোভনদন্ডি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড ও মহাজন হাট এলাকায় উদ্বেগজনক হারে বেড়ে উঠছে লাইসেন্সবিহীন ও সরকারি অনুমোদন ছাড়া বিভিন্ন মুদি দোকানে ওষুধ বিক্রি।
যা সাধারণ মানুষের জন্য তৈরি করছে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি।
স্থানীয় ফার্মেসিতে না গিয়ে অনেকেই এখন প্রয়োজনীয় এমনকি ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনের ওষুধও কিনছেন মুদি দোকান থেকে।
অভিযোগ রয়েছে, এসব দোকানে কোনো ফার্মেসি লাইসেন্স নেই, নেই প্রশিক্ষিত ফার্মাসিস্টও।
মুদি দোকানই পরিণত হয়েছে ফার্মেসি। চাল-ডাল ও নিত্যপণ্যের পাশাপাশি প্রেসক্রিপশন ছাড়াই ওষুধ কিনতে পাওয়া যায় এসব দোকানে। বারবার চেষ্টার পরও দমানো যাচ্ছে না অবৈধভাবে ওষুধ বিক্রি। বিশেষ করে গ্রাম কিংবা মহল্লার দোকানগুলোতে এ ব্যবসা দিনদিন বাড়ছে
এ বিষয়ে ফার্মেসি কর্মীরা বলছেন—
“ওষুধ দিতে হলে অভিজ্ঞতা লাগে, নির্দিষ্ট কোর্স করতে হয়। কিন্তু কিছু মানুষ অল্প বিদ্যা নিয়ে, কোনো বৈধতা ছাড়াই ওষুধ বিক্রি করছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।”
তারা আরও জানান, ভুল ওষুধ কিংবা ভুল ডোজের কারণে যে কারও শারীরিক অবস্থা মারাত্মক খারাপ হতে পারে, এমনকি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটতে পারে।সাধারণ মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এখনই প্রয়োজন কার্যকর নজরদারি।নইলে লাইসেন্সবিহীন ওষুধ বিক্রির এই প্রবণতা ভবিষ্যতে আরও বড় বিপদের কারণ হতে পারে।দেখার বিষয়, প্রশাসন কবে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়।
এ বিষয়ে ইন্টিগ্রেটেড ফিজিশিয়ান মোঃ আরাফাত হোসেন নবাব বলেন:- ভুল ঔষধ অথবা ভুল রোগের ঔষধ মানব শরীরের যে এন্টি বডি সেল রয়েছে এগুলো নষ্ট করে দে। এর ফলে অন্য কোন রোগের ঔষধ মানব শরীরে কাজ করা বন্ধ করে দে। । ঔষধ কাজ না করলে একজন মানুষ কখনো সুস্থ হয়ে উঠতে পারে না। এর ফলাফল মৃত্যু ছাড়া আর কিছুই নয়। তিনি আরো বলেন অল্প বিদ্যা ভয়ংকর , তাই অভিজ্ঞতা ছাড়া ওষুধ বিক্রি করা উচিত নয়। তাছাড়া জনগণেরও উচিত ফার্মেসি থেকে ঔষধ নেওয়া।