1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
লাইনে নয়, লগইনে ভোট: তরুণদের চোখে আগামীর নির্বাচন – সৈয়দ মিয়া হাসান নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের ইশতিহার বাস্তবায়ন কতটুকু? -আলমগীর আলম। দৈনিক সাঙ্গু লেখক ও পাঠক ফোরামের অভিষেক ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত লিও জেলা ৩১৫-বি৪ আয়োজিত লায়ন নাজমুল কবির খোকন মেমোরিয়াল স্পোর্টস টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত চন্দনাইশে ধানের শীষের প্রার্থী জসীম উদ্দীন আহমেদের সমর্থনে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল ইংলিশ স্কুল চিটাগাং’র উদ্যোগে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে ইনকিলাব মঞ্চের সড়ক অবরোধ একুশের চেতনা ও আজকের যুবসমাজ: উত্তরাধিকার নাকি আবেগ? – লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া চন্দনাইশে ধানের শীষের সমর্থনে ছাত্রদল নেতা আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ ‘তরুণ প্রজন্মের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক আলোচনা সভা

লাইনে নয়, লগইনে ভোট: তরুণদের চোখে আগামীর নির্বাচন – সৈয়দ মিয়া হাসান

  • সময় শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪১ পঠিত

 

বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় তরুণদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। কিন্তু বাস্তবতা হলো—এই তরুণদের একটি বড় অংশ জাতীয় নির্বাচনে সরাসরি ভোট দিতে পারে না। চাকরি, ব্যবসা, পড়াশোনা কিংবা প্রবাসজীবনের কারণে ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকা অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয় না। ফলে ভোটাধিকার থাকা সত্ত্বেও মত প্রকাশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন বহু নাগরিক।
এই প্রেক্ষাপটে এবারের নির্বাচনে পোস্টাল ভোটের আয়োজন ভোটারদের ক্ষেত্রে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিশেষ করে প্রবাসী ভোটার ও নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য এটি ইতিবাচক উদ্যোগ। তবে এই ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাও স্পষ্ট। সময়, প্রক্রিয়াগত জটিলতা এবং পৌঁছানোর নিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে পোস্টাল ভোট এখনও ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারছে না।
এখানেই সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে অনলাইন ও অ্যাপভিত্তিক ভোটিং ব্যবস্থা। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় দেশে ও বিদেশে কর্মরত চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, প্রবাসী বাংলাদেশি—সব শ্রেণি ও পেশার মানুষ ঘরে বসেই ভোট দিতে পারবেন। এতে জাতীয় নির্বাচনে নাগরিকদের অংশগ্রহণ বাড়বে এবং মতামতের প্রতিফলন হবে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক।
তরুণ প্রজন্ম প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে অভ্যস্ত। মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন শিক্ষা কিংবা ডিজিটাল সরকারি সেবা যখন স্বাভাবিক বাস্তবতা, তখন ভোট দিতে গিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানো বা কেন্দ্রে যেতে না পারার কারণে ভোটাধিকার হারানো অযৌক্তিক বলেই মনে হয়। জাতীয় পরিচয়পত্রভিত্তিক যাচাই, বায়োমেট্রিক সুরক্ষা ও শক্তিশালী সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে অনলাইন ভোটিং ব্যবস্থা স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে পারে।
এই পদ্ধতিতে ভোট দেওয়া সহজ হলে তরুণদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়বে, ভোটকেন্দ্রকেন্দ্রিক সংঘাত ও অনিয়মের ঝুঁকিও কমবে। একই সঙ্গে নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা আরও সহজ হবে।
তবে অনলাইন ভোটিং কোনো হঠাৎ সিদ্ধান্ত হতে পারে না। প্রয়োজন আইনি সংস্কার, প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি এবং রাজনৈতিক ঐকমত্য। পরীক্ষামূলক প্রয়োগের মাধ্যমে ধাপে ধাপে এগোনোই হতে পারে বাস্তবসম্মত পথ।
আগামীর জাতীয় নির্বাচন শুধু একটি দিনের আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। তরুণদের সেই আকাঙ্ক্ষা স্পষ্ট—লাইনে দাঁড়িয়ে নয়, লগইন করেই ভোট দিতে চাই।

লেখক ও কলামিস্ট

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট