1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ইরান যুদ্ধবিরতির পর দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিদর্শন করলেন দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স চট্টগ্রামে শ্রমিক কল্যাণের নেতা কর্মীদের উপর হামলাকারীদের গ্রেফতার করতে হবে : এস এম লুৎফর রহমান চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা এবার ৭০-৮০ শতাংশ কমবে: মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। পটিয়া চরকানাই আগুনে পুড়ে যাওয়া ঘরে নজীর আহমেদ ফাউন্ডেশন এর খাদ্য সামগ্রী বিতরণ এক মায়ের গর্ভ থেকে একই দিনে জন্ম নেয়া তিন কন্যা এসএসসি পরিক্ষার্থী চট্টগ্রাম সিটি কলেজে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ, ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত রাঙ্গামাটিতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপার  এপেক্স বাংলাদেশের সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন। বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ ফাউন্ডেশন রাঙ্গামাটি জেলার আয়োজনে শাহাদাত বার্ষিকী আলোচনা মিলাদ অনুষ্ঠিত বাঘাইছড়িতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বোয়ালখালীতে খালের মাঝে ভাঙন রোধে জিও বস্তা, ভাঙনের শঙ্কায় আড়াই হাজার মানুষ

  • সময় রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১০৭ পঠিত

 

বোয়ালখালী প্রতিনিধি:
চট্টগ্রাম বোয়ালখালী উপজেলার রায়খালী খালের ভাঙন রোধে  ফেলা হয়েছে বালি ভর্তি জিও ব্যাগ। এসব ব্যাগ খালের একপাশে এবং মাঝে ফেলায় বর্ষা মৌসুমে বাড়াবে ভাঙন।

জানা গেছে, কর্ণফুলী নদী ও খালের ভাঙন রোধে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। প্রকল্প বাস্তবায়নে নিয়োগকৃত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গাইড লাইন অনুসরণ না করে যেনতেন ভাবে খালে মাঝে ভাঙনরোধের বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে পানি ও পলি প্রবাহ।

এছাড়া নানা অনিয়মের অভিযোগও রয়েছে প্রকল্পের বালি ভর্তি জিও ব্যাগ তৈরি, ব্লক তৈরি নিয়ে।

সরজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার পূর্ব গোমদণ্ডী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সন্দীপপাড়া এলাকার উত্তর পাশে রায়খালী খালে বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে খালের মাঝে। মানা হয়নি কোনো গাইড লাইন। ফলে খালের পানি এবং পলি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ইতিমধ্যে খালে জমতে শুরু করেছে পলি। পলি জমার ফলে অচিরেই নাব্যতার সৃষ্টি হবে। বর্ষা মৌসুমে বাড়বে ভাঙন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, খালের এক পাশে এবং মাঝে অপরিকল্পিতভাবে জিও বস্তা ফেলায় অন্য পাশের বসতবাড়ি ও কৃষিজমি মারাত্মক ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ বজলুর রহমান বলেন, “শাকপুরা অংশে একতরফাভাবে জিও বস্তা ফেলার কারণে পানির স্রোত উত্তর পাশে এসে আঘাত হানছে। এতে আমরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় আছি।”

তিনি বলেন, “খালের দুই পাশে সমানভাবে কাজ করা হলে হয়তো এই ঝুঁকি তৈরি হতো না। প্রায় আড়াই হাজার মানুষ ভাঙনের কবলে পড়তে পারে। প্রায় ১২ একর কৃষিজমি হুমকির মুখে রয়েছে। এইভাবে অপরিকল্পিতভাবে কাজ চলতে থাকলে বর্ষা মৌসুমে ভাঙনে তলিয়ে যাবে ফসলী জমি, বাপদাদার পৈতৃক ভিটি বাড়ি।”

স্থানীয় মোস্তফা হোসেন অভিযোগ করে বলেন, “রায়খালী খালে যে প্রকল্প নেওয়া হয়েছে তা নিয়ম অনুযায়ী বাস্তবায়িত করা হচ্ছে না। খালের এক কূল রক্ষা করতে গিয়ে অন্য কূল ধ্বংস করা হচ্ছে। পানির স্রোত একদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ায় আমাদের ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি ঝুঁকিতে পড়েছে। অব্যবস্থাপনা ও নিয়মবহির্ভূতভাবে কাজ চলায় আমরা আতঙ্কে আছি।”

স্থানীয়রা বলছেন, খাল ভাঙন প্রতিরোধের নামে ব্লক ও বালি ভর্তি জিও বস্তা ফেলার ফলে উত্তর কূল, অর্থাৎ পূর্ব গোমদণ্ডী ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা সরাসরি হুমকির মুখে পড়েছেন।

এ বিষয়ে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয়রা। এ অভিযোগে সরেজমিন তদন্ত করে রায়খালী খালের উত্তর পাড়ের আশু ভাঙন থেকে রক্ষার দাবি জানানো হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুখ জানান, “জিও বস্তা ফেলে খাল বন্ধের অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি পৌরসভার মাধ্যমে খোঁজ নেওয়া হয়েছে। পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট কাজ আপাতত বন্ধ করা হয়েছে। পরবর্তীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে সবার সুবিধা বিবেচনায় রেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শাহিন বাদশা বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট