1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
 HSC এর পর দ্বিধাদ্বন্দ্ব: দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নাকি Study Abroad? চট্টগ্রামে ‘Talent Hunt 2026’:১০০-এর অধিক যুবকের কারিগরি প্রশিক্ষণে এনরোলমেন্ট ও প্রশিক্ষণ শেষে চাকরির উদ্যোগ শিমুল বড়ুয়ার জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসার আহ্বান চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন পটিয়ার সন্তান সাজ্জাদ হোসেন মৃত্যুঞ্জয়ী মৌলভী সৈয়দ শুধু বীরের নাম নয় ইতিহাস- তসলিম উদ্দীন রানা জাতীয় পর্যায়ের মার্শাল আর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ন্যাশনাল ইংলিশ স্কুল চিটাগং চকরিয়ায় পাহরচাঁদা মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় শতভাগ পাসের রেকর্ড অক্ষুণ্ণ, জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই শিক্ষার্থী ‘ভূজপুর ট্রাজেডি’র মামলা প্রত্যাহারে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিয়েছে ভূজপুর মজলুম ঐক্য পরিষদ পটিয়ায় শাহ্ আমির উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা আমিনুল হক তালুকদারের তৃতীয় মৃত্যু বার্ষিকী আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জামেয়া মহিলা কামিল মাদরাসার দাখিল-২৬ পরীক্ষায় ঈর্ষনীয় সাফল্য অব্যাহত ৬১ জন A+

চট্টগ্রামে ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিং, বিপর্যস্ত জনজীবন।

  • সময় বুধবার, ১০ মে, ২০২৩
  • ৭৩৭ পঠিত

পলাশ সেন,চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধিঃ

সারাদেশে বয়ে যাওয়া তাপপ্রবাহ জনজীবন বিপর্যস্ত করে তুলেছে। তার ওপর চট্টগ্রামে ঘন ঘন লোডশেডিং সেই দুর্ভোগ দ্বিগুণ করেছে। অসহ্য গরমের মধ্যে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে লোডশেডিং। ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিংয়ের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। সেইসঙ্গে চাহিদা মতো বিদ্যুৎ না পাওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে কারখানার উৎপাদনও। এদিকে অসহনীয় গরমের মধ্যে লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে নগরের সবখানে। নগরীর আন্দরকিল্লা, বাকলিয়া, হালিশহর, বহদ্দারহাট, অক্সিজেন, আগ্রাবাদ, চকবাজার, ব্যাটারির গলি, আসকার দীঘির পাড়, শুলকবহর, পাঁচলাইশ, মুরাদপুর ও বিবিরহাট এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন বহু মানুষ। তার মধ্যেই সারা দেশে চলছে এসএসসি পরীক্ষার। ঘন ঘন লোডশেডিং প্রভাব পড়েছে শিক্ষার্থীদের উপরও। চট্টগ্রামের রেজুউদ্দিন বাজার মোবাইল ফোনের ব্যাবসায়ী মোঃ সবুজ বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার অতিরিক্ত গরম পড়ছে। চট্টগ্রামে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস গরম পড়লেও জনসমাগমের মার্কেট হওয়ায় আমরা অনুভব করছি ৪০/৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস মতোই। তার মধ্যে অতিরিক্ত লোডশেডিং। তাছাড়া ঘন ঘন লোডশেডিং এর কারনে ব্যাসায়িক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি আমরা। এই বিদ্যুৎতের উপর নির্ভর করে আমাদের ব্যাবসা বাণিজ্য হয়ে থাকে। ২০ নং দেওয়ান বাজার ওয়ার্ডের বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক, লিয়াকত আলী ক্ষোভের সুরে বলেন, একে তো তীব্র তাপদাহ,অন্য দিকে বিদ্যুৎতের লোডশেডিং এর লুকোচুরিতে জনজীবন অতিষ্ঠ। অথচ ক্ষমতাসীন দল ঢাকঢোল পিটিয়ে সবাইকে জানালো যে, দেশের বিদ্যুৎ এর চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি উৎপাদনের ক্ষমতা নাকি এখন তাদের ! তাহলে জনমনে প্রশ্ন জেগেছে বিদ্যুতের উন্নয়নের নামে এই হাজার হাজার কোটি টাকার ব্যয় কি লুটপাট হয়ে গেল। বাকলিয়া বাসিন্দা মুক্তা সেন বলেন, এমনি তে অতিরিক্ত গরম পড়ছে তার মধ্যে ঘন ঘন লোডশেডিং শিকার। একটু পর পর বিদ্যুৎ থাকছে না। বাসায় ছেলে মেয়ের পড়াশুনার প্রচুর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তেমনি পানির সংকট ও কমতি নয়। তার মধ্যে মাস শেষে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের প্রকোপে পড়তে হয় আমাদের। বেশ কয়েকবার ভুতুড়ে বিল নিয়ে প্রতিবাদ করার পর কোন প্রতিকার পাই নি। আমরা হতাশাগ্রস্ত। ওমর গনি এম.এস কলেজ গেইট থেকে জান্নাত কম্পিউটার এর মালিক আরিফ জয় বলেন, খুবই খারাপ অবস্থায় দিন পার করছি।গতকাল রাতে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর সকাল ৭ টায় বিদ্যুৎ আসে। সারাদিন ব্যাবসায়ী কাজে ব্যাস্ত সময় পার করে ও রাতে একটু ও ঘুমাতে পারি নাই। ব্যাবসায়ীক কর্ম ব্যাস্ততায় থাকলেও বাসায় যখনি খোঁজ খবর নিই সেই লোডশেডিং এর গল্প শুনতে হয়। একটু আগে দোকান বন্ধ করে বাসায় আসলাম এসে দেখি বিদ্যুৎ নেই। তবে আসলো মিনিট পাঁচেক হলো আবারো চলে যাবে। লোডশেডিং এর জন্য ব্যাবসা বাণিজ্য বন্ধ হওয়া অবস্থা তৈরী হয়েছে। দোকানে কাষ্টমার এসে ফেরত যায়। প্রতীক সেনগুপ্ত এসএসসি পরীক্ষার্থী জানান, আমাদের ফাইনাল পরীক্ষা চলছে। সন্ধ্যার পর পড়তে বসলেই শুরু হয়ে যায় লোডশেডিং। ঘন ঘন লোডশেডিং এর কারনে আমরা ঠিক মতো পড়তে পারছি না। আপনারা জানেন যে, সারা দেশে এসএসসি পরীক্ষার চলছে। বিদ্যুৎ বিভাগের অন্তপক্ষে এই পরিক্ষাকালীনটা মানবিক হওয়াটা উচিত ছিলো। পিডিবি বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামে ছোট-বড় ২৪টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র আছে। এর মধ্যে ১৩টি কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। এর মাঝে কাপ্তাই লেকের পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় পানির অভাবে ৪টি ইউনিট বন্ধ রয়েছে।পিডিবির চট্টগ্রাম অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী অশোক চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামে চাহিদার চেয়ে ২৫০-৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম পাওয়া যাচ্ছে। বৃষ্টি হলে বিদ্যুৎ চাহিদা কমে আসবে।তখন লোডশেডিং কমবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট