1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সিলেটে অসহায়দের মধ্যে ক্লিন সিটির ‘৪ টেখায় ইফতার’ বিতরণ অনুষ্ঠিত এপেক্স ক্লাব অব সন্দ্বীপ এর রমজানের ইফতার, দোয়া মাহফিল ও সেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত পটিয়ায় রমজানে ইফতার ও মাসব্যাপী কোরআন বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন, মরহুম অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম খাঁন (রহ.) স্মরণে দোয়া চট্টগ্রাম বন্দর স্টেডিয়ামে বৃহৎ ইফতার মাহফিল: প্রস্তুতি পরিদর্শনে বিএনপি নেতৃবৃন্দ, সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণের আহ্বান শাওলিন কুংফু এন্ড উশু একাডেমির ইফতার মাহফিল সম্পন্ন চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজারের কাচ্চি ডাইন’কে ৩ লাখ টাকা জরিমানা বসন্তের রোদে হলুদ স্বপ্ন, বোয়ালখালীতে সূর্যমুখীর হাসি মিনহাজুল ইসলাম চৌধুরী রানা একটি আস্থা, একটি সম্ভাবনা। সীতাকুণ্ড অবৈধ বালি উত্তোলন বন্ধে অভিযানে বাল্কহেড জব্দ, আটক চন্দনাইশে ডাকাতের গুলিতে মালিক নিহত, ৩টি গরু লুট

পার্বত্য চট্টগ্রামে করোনায় মলিন বৈসাবি উৎসব

  • সময় সোমবার, ১২ এপ্রিল, ২০২১
  • ৮১০ পঠিত

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ

পাহাড়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব বৈসাবি। ত্রিপুরাদের বৈসু, মারমাদের সাংগ্রাই আর চাকমাদের বিঝু- এ তিন উৎসবের আদ্যাক্ষর নিয়ে তৈরি বৈসাবি শব্দটি।

বছরের পর বছর ধরে চললেও গত বছরের মতো এবছরও করোনার থাবায় ধূসর হয়ে গেছে পাহাড়ের এ প্রাণের উৎসব।

১২ এপ্রিল ভোরে সুর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নদীতে ফুল ভাসানোর মধ্য দিয়ে পাহাড়ে শুরু হয় এ উৎসব। ১৩ এপ্রিল অর্থাৎ নববর্ষের আগের দিন ‘হারি বৈসু’ আর নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে মারমাদের সাংগ্রাইয়ের সূচনা হয়।

১২ এপ্রিল শুরু হয়ে বৈসাবি উৎসব চলে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। তবে কোথাও কোথাও এ উৎসব চলে সপ্তাহ ধরে।

সারাদেশে একই নিয়মে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হলেও পাহাড়ে ভিন্ন আমেজে আর উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয় বৈসাবি। স্থানীয় বাঙালীরাও একাকার হয়ে মিশে যায় বৈচিত্রময় এ উৎসবে।

এ বছর উৎসব শুরুর মাত্র একদিন বাকি থাকলেও পাহাড়ে নেই উৎসব আমেজ। থাকছে না বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণে বৈসাবি উৎসবের শোভাযাত্রা আর খাগড়াছড়ির পানখাইয়াপাড়ার বটতলায় বর্ণিল জলকেলি উৎসব।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য হিরন জয় ত্রিপুরা বলেন, করোনার কারণে গত বছর উৎসব পালন করতে পারিনি। এ বছরও করোনা পিছু ছাড়েনি। তবে এ মুহূর্তে উৎসব পালনের চেয়ে নিজেদের বেঁচে থাকাটাই জরুরি। তাই এ বছরও বৈসাবি উৎসবের কোনো আনুষ্ঠানিকতা থাকছে না।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৫ সাল থেকে খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের সম্মিলিত উদ্যোগে বৈসাবি নামের এ উৎসব পালিত হয়ে আসছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট