1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রবারণায় আত্মশুদ্ধির শিক্ষা ও কঠিন চীবরের দানমহিমা -লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া ইসলামের সোনালী ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে কানাডা ও আমেরিকায় ইসলামি স্কলার প্রফেসর ড. গিয়াস উদ্দিন তালুকদার সৈয়দ আহমদ মাইজভান্ডারির দ্বিশত বেলাদত বার্ষিকীতে চরণদ্বীপে মাহফিল ডিজেবিলিটি কেয়ার ফাউন্ডেশন ও লিবার্টি ক্লাবের দুইদিনব্যাপী ৩০ শিশুর বিনামূল্যে ঠোঁট ও তালু কাটা সার্জারি ক্যাম্প। পটিয়ায় নির্যাতনে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ চট্টগ্রামে CREATIVE IT INSTITUTE-এ ভিডিও এডিটিং কোর্স ব্যাচ-২৬০২ এর সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কমিটি গঠনকল্পে জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন, চট্টগ্রামের সাংগঠনিক দায়িত্বে এ এস এম সুজা উদ্দিন পটিয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে ডক্টর জুলকারনাইন চৌধুরীর উদ্যোগে শারদীয় দুর্গাপূজার উপহার সামগ্রী বিতরণ বোয়ালখালীতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

পার্বত্য চট্টগ্রামে করোনায় মলিন বৈসাবি উৎসব

  • সময় সোমবার, ১২ এপ্রিল, ২০২১
  • ১০৫৩ পঠিত

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ

পাহাড়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব বৈসাবি। ত্রিপুরাদের বৈসু, মারমাদের সাংগ্রাই আর চাকমাদের বিঝু- এ তিন উৎসবের আদ্যাক্ষর নিয়ে তৈরি বৈসাবি শব্দটি।

বছরের পর বছর ধরে চললেও গত বছরের মতো এবছরও করোনার থাবায় ধূসর হয়ে গেছে পাহাড়ের এ প্রাণের উৎসব।

১২ এপ্রিল ভোরে সুর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নদীতে ফুল ভাসানোর মধ্য দিয়ে পাহাড়ে শুরু হয় এ উৎসব। ১৩ এপ্রিল অর্থাৎ নববর্ষের আগের দিন ‘হারি বৈসু’ আর নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে মারমাদের সাংগ্রাইয়ের সূচনা হয়।

১২ এপ্রিল শুরু হয়ে বৈসাবি উৎসব চলে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। তবে কোথাও কোথাও এ উৎসব চলে সপ্তাহ ধরে।

সারাদেশে একই নিয়মে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হলেও পাহাড়ে ভিন্ন আমেজে আর উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয় বৈসাবি। স্থানীয় বাঙালীরাও একাকার হয়ে মিশে যায় বৈচিত্রময় এ উৎসবে।

এ বছর উৎসব শুরুর মাত্র একদিন বাকি থাকলেও পাহাড়ে নেই উৎসব আমেজ। থাকছে না বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণে বৈসাবি উৎসবের শোভাযাত্রা আর খাগড়াছড়ির পানখাইয়াপাড়ার বটতলায় বর্ণিল জলকেলি উৎসব।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য হিরন জয় ত্রিপুরা বলেন, করোনার কারণে গত বছর উৎসব পালন করতে পারিনি। এ বছরও করোনা পিছু ছাড়েনি। তবে এ মুহূর্তে উৎসব পালনের চেয়ে নিজেদের বেঁচে থাকাটাই জরুরি। তাই এ বছরও বৈসাবি উৎসবের কোনো আনুষ্ঠানিকতা থাকছে না।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৫ সাল থেকে খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের সম্মিলিত উদ্যোগে বৈসাবি নামের এ উৎসব পালিত হয়ে আসছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট