1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বর্ণাঢ্য আয়োজনে ঘাসিয়ার পাড়া মহল্লা কমিটির মহল্লা উৎসব অনুষ্ঠিত এপেক্স ক্লাব অব সাংগুর বোর্ড মিটিং ও শীতবস্ত্র বিতরণ চট্টগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা প‌রিবা‌রের মা‌ঝে শীতবস্ত্র বিতরণ ক‌রে‌ছে সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন ঐতিহ্যবাহী কদম মোবারক মুসলিম এতিমখানায় ৩৩০ এতিম শিশুর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ বোয়ালখালী পোপাদিয়া বাদামতল শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল সীতাকুণ্ডে কেন্দ্র পরিদর্শনে রাষ্ট্রদূত এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান মনোনীত হলেন আর.এস.এম. নিজাম উদ্দিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে ৫ লাখের অধিক আনসার সদস্যরা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন। আদর্শ ছাত্র ও যুব সমাজের উদ্যোগে কোরআন শরীফ ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন। দেড়শো বছরের পুরনো জমিদার বাড়ির মিলনমেলা, শিকড়ের টানে এক হলেন উত্তরসূরিরা

পার্বত্য চট্টগ্রামে করোনায় মলিন বৈসাবি উৎসব

  • সময় সোমবার, ১২ এপ্রিল, ২০২১
  • ৭৬৫ পঠিত

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ

পাহাড়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব বৈসাবি। ত্রিপুরাদের বৈসু, মারমাদের সাংগ্রাই আর চাকমাদের বিঝু- এ তিন উৎসবের আদ্যাক্ষর নিয়ে তৈরি বৈসাবি শব্দটি।

বছরের পর বছর ধরে চললেও গত বছরের মতো এবছরও করোনার থাবায় ধূসর হয়ে গেছে পাহাড়ের এ প্রাণের উৎসব।

১২ এপ্রিল ভোরে সুর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নদীতে ফুল ভাসানোর মধ্য দিয়ে পাহাড়ে শুরু হয় এ উৎসব। ১৩ এপ্রিল অর্থাৎ নববর্ষের আগের দিন ‘হারি বৈসু’ আর নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে মারমাদের সাংগ্রাইয়ের সূচনা হয়।

১২ এপ্রিল শুরু হয়ে বৈসাবি উৎসব চলে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। তবে কোথাও কোথাও এ উৎসব চলে সপ্তাহ ধরে।

সারাদেশে একই নিয়মে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হলেও পাহাড়ে ভিন্ন আমেজে আর উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয় বৈসাবি। স্থানীয় বাঙালীরাও একাকার হয়ে মিশে যায় বৈচিত্রময় এ উৎসবে।

এ বছর উৎসব শুরুর মাত্র একদিন বাকি থাকলেও পাহাড়ে নেই উৎসব আমেজ। থাকছে না বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণে বৈসাবি উৎসবের শোভাযাত্রা আর খাগড়াছড়ির পানখাইয়াপাড়ার বটতলায় বর্ণিল জলকেলি উৎসব।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য হিরন জয় ত্রিপুরা বলেন, করোনার কারণে গত বছর উৎসব পালন করতে পারিনি। এ বছরও করোনা পিছু ছাড়েনি। তবে এ মুহূর্তে উৎসব পালনের চেয়ে নিজেদের বেঁচে থাকাটাই জরুরি। তাই এ বছরও বৈসাবি উৎসবের কোনো আনুষ্ঠানিকতা থাকছে না।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৫ সাল থেকে খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের সম্মিলিত উদ্যোগে বৈসাবি নামের এ উৎসব পালিত হয়ে আসছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট