1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
এপেক্স বাংলাদেশের ২০২৭ সালের জাতীয় সভাপতি পদপ্রার্থী নুরুল আমিন চৌধুরী আরমান বোয়ালখালীতে ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেল প্রাইভেটকার, আহত চালক প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও জীবন-জীবিকা রক্ষায় রাষ্ট্রের দায়িত্ব কতটুকু? – মোঃ আবদুল আলী জাতীয় সাংবাদিক সমাবেশ – ২০২৬ অনুষ্ঠিত তিনবারের শ্রেষ্ঠ উপজেলা যুব সংগঠনের স্বীকৃতি পেল আদর্শ ছাত্র ও যুব সমাজ স্বামীর পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে কেরোসিন ঢেলে হত্যার অভিযোগ, স্বামী গ্রেপ্তার কেবিনেট সভায় আইইবি’র চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মনজারে খোরশেদ আলম দেশকে এগিয়ে নিতে নি:স্বার্থভাবে কাজ করে যাচ্ছে প্রয়াস দারুত তাহযীব মডেল মাদরাসার বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী ও হিফজুল কুরআন অ্যাওয়ার্ড প্রদান সম্পন্ন চট্টগ্রাম জামেয়া মহিলা কামিল মাদরাসা আলিম পরীক্ষায় ঈর্ষনীয় সাফল্য অব্যাহত ২২ জন A+ মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির আন্তঃজেলা চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার

পার্বত্য চট্টগ্রামে করোনায় মলিন বৈসাবি উৎসব

  • সময় সোমবার, ১২ এপ্রিল, ২০২১
  • ১০৬১ পঠিত

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ

পাহাড়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব বৈসাবি। ত্রিপুরাদের বৈসু, মারমাদের সাংগ্রাই আর চাকমাদের বিঝু- এ তিন উৎসবের আদ্যাক্ষর নিয়ে তৈরি বৈসাবি শব্দটি।

বছরের পর বছর ধরে চললেও গত বছরের মতো এবছরও করোনার থাবায় ধূসর হয়ে গেছে পাহাড়ের এ প্রাণের উৎসব।

১২ এপ্রিল ভোরে সুর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নদীতে ফুল ভাসানোর মধ্য দিয়ে পাহাড়ে শুরু হয় এ উৎসব। ১৩ এপ্রিল অর্থাৎ নববর্ষের আগের দিন ‘হারি বৈসু’ আর নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে মারমাদের সাংগ্রাইয়ের সূচনা হয়।

১২ এপ্রিল শুরু হয়ে বৈসাবি উৎসব চলে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। তবে কোথাও কোথাও এ উৎসব চলে সপ্তাহ ধরে।

সারাদেশে একই নিয়মে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হলেও পাহাড়ে ভিন্ন আমেজে আর উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয় বৈসাবি। স্থানীয় বাঙালীরাও একাকার হয়ে মিশে যায় বৈচিত্রময় এ উৎসবে।

এ বছর উৎসব শুরুর মাত্র একদিন বাকি থাকলেও পাহাড়ে নেই উৎসব আমেজ। থাকছে না বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণে বৈসাবি উৎসবের শোভাযাত্রা আর খাগড়াছড়ির পানখাইয়াপাড়ার বটতলায় বর্ণিল জলকেলি উৎসব।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য হিরন জয় ত্রিপুরা বলেন, করোনার কারণে গত বছর উৎসব পালন করতে পারিনি। এ বছরও করোনা পিছু ছাড়েনি। তবে এ মুহূর্তে উৎসব পালনের চেয়ে নিজেদের বেঁচে থাকাটাই জরুরি। তাই এ বছরও বৈসাবি উৎসবের কোনো আনুষ্ঠানিকতা থাকছে না।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৫ সাল থেকে খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের সম্মিলিত উদ্যোগে বৈসাবি নামের এ উৎসব পালিত হয়ে আসছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট