1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জাসাস চট্টগ্রাম মহানগর এর উ‌দ্যেগে জাতীয় ক‌বি কাজী নজরুল ইসলা‌মের ১২৭ তম জন্মবার্ষির্কী উদযাপন সম্পন্ন। আবারও চট্টগ্রাম নগরীতে শিশু যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, গ্রেপ্তার মুদি দোকানি ইউনাইটেড প্রেসক্লাব চট্টগ্রাম’র কার্যকরী কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত পটিয়ায় বাসচাপায় প্রাণ গেল দুই কিশোরের। বাড়ি নির্মাণের চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রকৌশলী মোমিনুল হক দেশকে এগিয়ে নিতে সততার সাথে কাজ করে যাচ্ছে প্রয়াস নৃত্যের ছন্দে অনুষ্ঠিত হলো প্রত্যয়ের “অন্তর মম বিকশিত করো” ১২ পর্ব তম অনুষ্ঠিত  ঘাসিয়ার পাড়া মডেল মহল্লা কমিটি’র ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বৌদ্ধ ধর্মীয় শিক্ষালয়ের ২৫৭০ বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন রাজপথের লড়াই বনাম ড্রয়িংরুমের আধিপত্য: ত্যাগী কর্মীদের অস্তিত্বের সংকট ও সমসাময়িক বাস্তবতা — প্রফেসর ড. আসিফ মিজান অবিলম্বে খুনি ধর্ষকদের ফাঁসির রায় কার্যকর করার আহবান-বা, ই, ছাত্রসেনা

পার্বত্য চট্টগ্রামে করোনায় মলিন বৈসাবি উৎসব

  • সময় সোমবার, ১২ এপ্রিল, ২০২১
  • ৮৯০ পঠিত

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ

পাহাড়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব বৈসাবি। ত্রিপুরাদের বৈসু, মারমাদের সাংগ্রাই আর চাকমাদের বিঝু- এ তিন উৎসবের আদ্যাক্ষর নিয়ে তৈরি বৈসাবি শব্দটি।

বছরের পর বছর ধরে চললেও গত বছরের মতো এবছরও করোনার থাবায় ধূসর হয়ে গেছে পাহাড়ের এ প্রাণের উৎসব।

১২ এপ্রিল ভোরে সুর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নদীতে ফুল ভাসানোর মধ্য দিয়ে পাহাড়ে শুরু হয় এ উৎসব। ১৩ এপ্রিল অর্থাৎ নববর্ষের আগের দিন ‘হারি বৈসু’ আর নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে মারমাদের সাংগ্রাইয়ের সূচনা হয়।

১২ এপ্রিল শুরু হয়ে বৈসাবি উৎসব চলে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। তবে কোথাও কোথাও এ উৎসব চলে সপ্তাহ ধরে।

সারাদেশে একই নিয়মে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হলেও পাহাড়ে ভিন্ন আমেজে আর উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয় বৈসাবি। স্থানীয় বাঙালীরাও একাকার হয়ে মিশে যায় বৈচিত্রময় এ উৎসবে।

এ বছর উৎসব শুরুর মাত্র একদিন বাকি থাকলেও পাহাড়ে নেই উৎসব আমেজ। থাকছে না বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণে বৈসাবি উৎসবের শোভাযাত্রা আর খাগড়াছড়ির পানখাইয়াপাড়ার বটতলায় বর্ণিল জলকেলি উৎসব।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য হিরন জয় ত্রিপুরা বলেন, করোনার কারণে গত বছর উৎসব পালন করতে পারিনি। এ বছরও করোনা পিছু ছাড়েনি। তবে এ মুহূর্তে উৎসব পালনের চেয়ে নিজেদের বেঁচে থাকাটাই জরুরি। তাই এ বছরও বৈসাবি উৎসবের কোনো আনুষ্ঠানিকতা থাকছে না।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৫ সাল থেকে খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের সম্মিলিত উদ্যোগে বৈসাবি নামের এ উৎসব পালিত হয়ে আসছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট