1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পটিয়ার রিয়াজুল উলুম মাদ্রাসার গৌরব “সেরা প্রতিভার সন্ধান ২০২৬” প্রতিযোগিতায় হুসনে সাউত বিভাগে ২য় স্থান বিএনপি প্রতিষ্ঠার আদর্শ-চেতনা ও তৃণমূলের প্রত্যাশা গণতন্ত্র, সুশাসন ও উন্নত চন্দনাইশ বিনির্মাণে করণীয় -মহিউদ্দীন কাদের লালন শাহ পরশে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর ৫০ তম প্রয়াণ দিবস পালিত এরাবিয়ান লিডারশীপ মাদ্রাসায় কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন সানজিয়েকুন ও স্নায়ুর শর্টসার্কিট -অভিলাষ মাহমুদ বেঁধে পেটালে তুইও সহ্য করবি -লায়ন মোঃ আবু ছালেহ্ পদুয়া আইনুল উলুম দারুচ্ছুন্নাহ কামিল মাদ্রাসায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন জননেতা আতাউর রহমান খান কায়সার আদর্শিক রাজনীতির বরপুত্র ও ইতিহাসের অংশ – তসলিম উদ্দীন রানা লোহাগাড়ার ক্যান্সার আক্রান্ত নারীকে লোহাগাড়া সমিতি-চট্টগ্রামের আর্থিক সহায়তা প্রদান বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মনোনীত উৎফল বড়ুয়া

পার্বত্য চট্টগ্রামে করোনায় মলিন বৈসাবি উৎসব

  • সময় সোমবার, ১২ এপ্রিল, ২০২১
  • ৯৭২ পঠিত

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ

পাহাড়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব বৈসাবি। ত্রিপুরাদের বৈসু, মারমাদের সাংগ্রাই আর চাকমাদের বিঝু- এ তিন উৎসবের আদ্যাক্ষর নিয়ে তৈরি বৈসাবি শব্দটি।

বছরের পর বছর ধরে চললেও গত বছরের মতো এবছরও করোনার থাবায় ধূসর হয়ে গেছে পাহাড়ের এ প্রাণের উৎসব।

১২ এপ্রিল ভোরে সুর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নদীতে ফুল ভাসানোর মধ্য দিয়ে পাহাড়ে শুরু হয় এ উৎসব। ১৩ এপ্রিল অর্থাৎ নববর্ষের আগের দিন ‘হারি বৈসু’ আর নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে মারমাদের সাংগ্রাইয়ের সূচনা হয়।

১২ এপ্রিল শুরু হয়ে বৈসাবি উৎসব চলে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। তবে কোথাও কোথাও এ উৎসব চলে সপ্তাহ ধরে।

সারাদেশে একই নিয়মে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হলেও পাহাড়ে ভিন্ন আমেজে আর উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয় বৈসাবি। স্থানীয় বাঙালীরাও একাকার হয়ে মিশে যায় বৈচিত্রময় এ উৎসবে।

এ বছর উৎসব শুরুর মাত্র একদিন বাকি থাকলেও পাহাড়ে নেই উৎসব আমেজ। থাকছে না বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণে বৈসাবি উৎসবের শোভাযাত্রা আর খাগড়াছড়ির পানখাইয়াপাড়ার বটতলায় বর্ণিল জলকেলি উৎসব।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য হিরন জয় ত্রিপুরা বলেন, করোনার কারণে গত বছর উৎসব পালন করতে পারিনি। এ বছরও করোনা পিছু ছাড়েনি। তবে এ মুহূর্তে উৎসব পালনের চেয়ে নিজেদের বেঁচে থাকাটাই জরুরি। তাই এ বছরও বৈসাবি উৎসবের কোনো আনুষ্ঠানিকতা থাকছে না।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৫ সাল থেকে খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের সম্মিলিত উদ্যোগে বৈসাবি নামের এ উৎসব পালিত হয়ে আসছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট