1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পটিয়ার দিলদার হাসান দিলু বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত ৪০ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি পটিয়ার ব্যাপটিষ্ট চার্চে পহরচাঁদা মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১,৪০০ বন্যার্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে আলহাজ্ব আবুল বশর আবুর ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কবিতাঃ সত্যের সন্ধানে -স্বর্ণা তালুকদার মরহুম আবুল কাশেম সওদাগর স্বরণে পটিয়া স্টেশন রোড ব্যবসায়ী সমিতির দোয়া ও মিলাদ মাহফিল দক্ষিণ চট্টগ্রামের বন্যার্তদের মাঝে ৬০০ খাদ্য সহায়তা প্যাকেট বিতরণ সিলেটে বর্ণাঢ্য রথযাত্রা মহোৎসবে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার অনুরুদ্ধ দাস-এর সম্প্রীতির বার্তা বোয়ালখালী হাজী কবির আহমদ-আবু জাফর ফাউন্ডেশনের আয়োজনে দক্ষিণ চট্টগ্রামে বন্যা দূর্গত মানুষের মাঝে খাবার ও পানি বিতরণ পটিয়ায় বন্যার্তদের মাঝে এনসিপির উপহারসামগ্রী বিতরণ

পার্বত্য চট্টগ্রামে করোনায় মলিন বৈসাবি উৎসব

  • সময় সোমবার, ১২ এপ্রিল, ২০২১
  • ৯৩২ পঠিত

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ

পাহাড়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব বৈসাবি। ত্রিপুরাদের বৈসু, মারমাদের সাংগ্রাই আর চাকমাদের বিঝু- এ তিন উৎসবের আদ্যাক্ষর নিয়ে তৈরি বৈসাবি শব্দটি।

বছরের পর বছর ধরে চললেও গত বছরের মতো এবছরও করোনার থাবায় ধূসর হয়ে গেছে পাহাড়ের এ প্রাণের উৎসব।

১২ এপ্রিল ভোরে সুর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নদীতে ফুল ভাসানোর মধ্য দিয়ে পাহাড়ে শুরু হয় এ উৎসব। ১৩ এপ্রিল অর্থাৎ নববর্ষের আগের দিন ‘হারি বৈসু’ আর নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে মারমাদের সাংগ্রাইয়ের সূচনা হয়।

১২ এপ্রিল শুরু হয়ে বৈসাবি উৎসব চলে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। তবে কোথাও কোথাও এ উৎসব চলে সপ্তাহ ধরে।

সারাদেশে একই নিয়মে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হলেও পাহাড়ে ভিন্ন আমেজে আর উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয় বৈসাবি। স্থানীয় বাঙালীরাও একাকার হয়ে মিশে যায় বৈচিত্রময় এ উৎসবে।

এ বছর উৎসব শুরুর মাত্র একদিন বাকি থাকলেও পাহাড়ে নেই উৎসব আমেজ। থাকছে না বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণে বৈসাবি উৎসবের শোভাযাত্রা আর খাগড়াছড়ির পানখাইয়াপাড়ার বটতলায় বর্ণিল জলকেলি উৎসব।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য হিরন জয় ত্রিপুরা বলেন, করোনার কারণে গত বছর উৎসব পালন করতে পারিনি। এ বছরও করোনা পিছু ছাড়েনি। তবে এ মুহূর্তে উৎসব পালনের চেয়ে নিজেদের বেঁচে থাকাটাই জরুরি। তাই এ বছরও বৈসাবি উৎসবের কোনো আনুষ্ঠানিকতা থাকছে না।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৫ সাল থেকে খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের সম্মিলিত উদ্যোগে বৈসাবি নামের এ উৎসব পালিত হয়ে আসছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট