1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ বাংলাদেশ’র পহেলা বৈশাখে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মখলেছুর রহমান চৌধুরী- আলতাজ খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ ও এসএসসি বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত। কবে মিলবে যানজটের মুক্তি: ভাল নেই চট্টগ্রামবাসী -আলমগীর আলম। পটিয়া লাখেরা উচ্চ বিদ্যালয়ে অবসরকালীন সংবর্ধনা ও মেধাবৃত্তি সনদ বিতরণ। মানবতার কাজে এগিয়ে এপেক্স বাংলাদেশ:সাচিং প্রু জেরী এমপি। বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি: র‍্যাবের জালে মূলহোতা তোফাজ্জলসহ গ্রেফতার ২ শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বোয়ালখালীতে এমআর ক্যাম্পেইন স্বপ্ন থেকে সহিংসতায়: কিশোর জীবনের করুণ রূপান্তর – লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া দুবাইয়ে বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতা প্রকৌশলী আবু জাফর চৌধুরীর ইন্তেকাল সীতাকুণ্ডে বিশেষ হাম ক্যাম্পইন ২০ এপ্রিল

পার্বত্য চট্টগ্রামে করোনায় মলিন বৈসাবি উৎসব

  • সময় সোমবার, ১২ এপ্রিল, ২০২১
  • ৮৫৫ পঠিত

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ

পাহাড়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব বৈসাবি। ত্রিপুরাদের বৈসু, মারমাদের সাংগ্রাই আর চাকমাদের বিঝু- এ তিন উৎসবের আদ্যাক্ষর নিয়ে তৈরি বৈসাবি শব্দটি।

বছরের পর বছর ধরে চললেও গত বছরের মতো এবছরও করোনার থাবায় ধূসর হয়ে গেছে পাহাড়ের এ প্রাণের উৎসব।

১২ এপ্রিল ভোরে সুর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নদীতে ফুল ভাসানোর মধ্য দিয়ে পাহাড়ে শুরু হয় এ উৎসব। ১৩ এপ্রিল অর্থাৎ নববর্ষের আগের দিন ‘হারি বৈসু’ আর নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে মারমাদের সাংগ্রাইয়ের সূচনা হয়।

১২ এপ্রিল শুরু হয়ে বৈসাবি উৎসব চলে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। তবে কোথাও কোথাও এ উৎসব চলে সপ্তাহ ধরে।

সারাদেশে একই নিয়মে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হলেও পাহাড়ে ভিন্ন আমেজে আর উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয় বৈসাবি। স্থানীয় বাঙালীরাও একাকার হয়ে মিশে যায় বৈচিত্রময় এ উৎসবে।

এ বছর উৎসব শুরুর মাত্র একদিন বাকি থাকলেও পাহাড়ে নেই উৎসব আমেজ। থাকছে না বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণে বৈসাবি উৎসবের শোভাযাত্রা আর খাগড়াছড়ির পানখাইয়াপাড়ার বটতলায় বর্ণিল জলকেলি উৎসব।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য হিরন জয় ত্রিপুরা বলেন, করোনার কারণে গত বছর উৎসব পালন করতে পারিনি। এ বছরও করোনা পিছু ছাড়েনি। তবে এ মুহূর্তে উৎসব পালনের চেয়ে নিজেদের বেঁচে থাকাটাই জরুরি। তাই এ বছরও বৈসাবি উৎসবের কোনো আনুষ্ঠানিকতা থাকছে না।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৫ সাল থেকে খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের সম্মিলিত উদ্যোগে বৈসাবি নামের এ উৎসব পালিত হয়ে আসছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট