
এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সংগঠক আর.এস.এম. নিজাম উদ্দিন। নারী ও শিশু অধিকার সুরক্ষা, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং মানবিক সমাজ গঠনে তার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও সক্রিয় ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এ পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়।
সোমবার (১২ জানুয়ারি ২০২৬) বিকালে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে এই দায়িত্ব প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের মহাসচিব মোহাম্মদ আলী নবনিযুক্ত ভাইস চেয়ারম্যান আর.এস.এম. নিজাম উদ্দিনের হাতে ভাইস চেয়ারম্যান পদের মনোনয়নপত্র তুলে দেন।
মনোনয়ন প্রদানকালে মহাসচিব মোহাম্মদ আলী বলেন,
“এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন নারী ও শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আর.এস.এম. নিজাম উদ্দিনের মতো একজন অভিজ্ঞ ও সমাজসচেতন ব্যক্তির যুক্ত হওয়ায় সংগঠনের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও কার্যকর হবে। তার নেতৃত্ব ও পরামর্শে নারী ও শিশুদের অধিকার সুরক্ষায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে বলে আমরা আশাবাদী।”
এ সময় তিনি আরও বলেন, সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে—নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধ, আইনি সহায়তা প্রদান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে ভাইস চেয়ারম্যানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।
নবনিযুক্ত ভাইস চেয়ারম্যান আর.এস.এম. নিজাম উদ্দিন দায়িত্ব গ্রহণ করে সংগঠনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন,
“নারী ও শিশু অধিকার একটি সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এ দায়িত্ব পাওয়া আমার জন্য সম্মানের। সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবো।”
তিনি আরও বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে নারী ও শিশুদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, সহিংসতা ও বৈষম্য প্রতিরোধ এবং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোই তার অগ্রাধিকার হবে।
উল্লেখ্য, এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশন একটি অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সামাজিক সংগঠন। সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে নারী ও শিশু অধিকার সুরক্ষা, আইনি সহায়তা, শিক্ষা-স্বাস্থ্য সহায়তা, দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া নারী ও শিশুদের ক্ষমতায়ন এবং নিরাপদ ভবিষ্যৎ গঠনে অবদান রেখে চলেছে।
Leave a Reply