
মোঃ শহিদুল ইসলাম
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নির্বাচিত হওয়ার পর নগরীর ইপিজেড থানা বন্দরটিলা কাঁচা বাজার এলাকায় আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিল রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি কেবল আনুষ্ঠানিক আয়োজন ছিল না; বরং তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তি ও ঐক্যের প্রকাশ্য প্রদর্শন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল, ইপিজেড থানা শাখা ও চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং চট্টগ্রাম-১১ আসনের সার্বিক উন্নয়ন কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মোঃ মহবুবুর রহমান।
দোয়া মাহফিলের পর স্থানীয় প্রবীণ ও দায়িত্বশীল নেতাদের ফুলেল সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের তাৎপর্য আরও বাড়িয়ে তোলে। ৩৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সরফরাজ কাদের রাসেল, ইপিজেড থানা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাবেদ আনসারি, ৩৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আশরাফ উদ্দিন এবং ৩৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ শরিফকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল মহানগর ও ইপিজেড থানা শাখারনেতাকর্মীরা। করতালির মধ্য দিয়ে তাদের শুভেচ্ছা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ৩৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মোঃ সুমন,মোঃ রাশেদুল আলম, মোঃ শাজাহান এবং ইপিজেড থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোঃ আকিফ জাবেদ। এছাড়াও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল ইপিজেড থানা শাখার আহ্বায়ক মোঃ জাহেদ আনসারী,সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ শিহাব, মহানগর তাঁতী দলের নেতা মোঃ কবির,মহানগর যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ ইদ্রিস মুন্সি,সদস্য সচিব মোঃ হাসান,মহানগর যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ সিদ্দিক, ইপিজেড থানা যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ রহমত উল্লাহ, সিনিয়র সদস্য মোহাম্মদ নয়ন মোঃ দুলাল,মোঃ শাহিন ও মোঃ আকবর মোঃপারবেজ মোঃ কাওছার মোঃ জাকির বাবুলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন—যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল ও জাসাসের সক্রিয় অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের পর এ ধরনের কর্মসূচি দলীয় ঐক্য সুসংহত করা এবং সাংগঠনিক গতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
শিল্পাঞ্চল ও বন্দরনির্ভর অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ চট্টগ্রাম-১১ আসনে অভিজ্ঞ নেতৃত্ব উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন গতি আনবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন স্থানীয় নেতারা। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সবার মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।
সামগ্রিকভাবে, আয়োজনটি ছিল বিজয়ের কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি ঐক্য ও আস্থার দৃশ্যমান রাজনৈতিক বার্তা।
Leave a Reply