1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কুরআনের পাখি থেকে পথচারী উষ্ণতার মানবিক দৃষ্টান্ত স্বপ্নছোঁয়া ফাউন্ডেশন গাউসিয়া কমিটি সারজাহ শাখার নবগঠিত পরিষদের অভিষেক ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ৩৩০ দুষ্কৃতিকারীকে চট্টগ্রামে প্রবেশ-অবস্থান নিষিদ্ধ করলেন সিএমপি কমিশনার দক্ষিণ বাকলিয়া এলাকায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আগত রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। চট্টগ্রামে চেয়ারম্যান বাড়ি থেকে বিপুল অস্ত্র উদ্ধার, দুই ভাই গ্রেফতার আল আইন রাউজান ঐক্য পরিষদ সভাপতি আজগর চৌধুরীর মাতৃবিয়োগ : গিয়াস কাদের চৌধুরীর শোক প্রকাশ পাহাড়তলীতে সঙ্গীতম সাংস্কৃতিক একাডেমীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুরষ্কার বিতরণী সাফল্যের গৌরবময় ২৫ বছরে শাওলিন কুংফু এন্ড উশু একাডেমির জয়তজয়ন্তী পালিত চট্টগ্রাম নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে, চসিক মেয়র আনোয়ারায় বেড়িবাঁধ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ভারী ট্রাক চলাচল বন্ধ ও নদীপথ ব্যবহারের আহ্বান এলাকাবাসীর

দেশবরেণ্য লালনসংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীন মারা গেছেন

  • সময় শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৫৭ পঠিত

মোঃ শফিকুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দেশবরেণ্য লালনসংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীন মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ১৫ মিনিটে তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তিনি স্বামী এবং চার সন্তান রেখে গেছেন।

তার জামাতা সাজ্জাদুর রহমান খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন ফরিদা পারভীন। কিছুদিন ধরে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, সপ্তাহে দুই দিন তাকে ডায়ালাইসিস করাতে হয়। নিয়মিত ডায়ালাইসিসের অংশ হিসেবে ২ সেপ্টেম্বর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে।

কিন্তু ডায়ালাইসিসের পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তখন চিকিৎসক তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেন। এর পর থেকে তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত বুধবার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ভেন্টিলেশনে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অবশেষে চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে তিনি চলে যান না-ফেরার দেশে।
১৯৫৪ সালে ৩১ ডিসেম্বর নাটোরের সিংড়া থানায় জন্ম নেওয়া ফরিদা পারভীন গানে গানে কাটিয়েছেন ৫৫ বছর। ১৪ বছর বয়সে ১৯৬৮ সালে ফরিদা পারভীনের পেশাদার সংগীতজীবন শুরু হয়। এরপর পার হতে হয় অনেক চড়াই-উতরাই। পারিবারিক সূত্রেই গানের ভুবনে আসা।

গানের প্রতি বাবার টান ছিল বেশি। দাদিও গান করতেন। বাবার চাকরির সুবাদে বিভিন্ন জেলায় যেতে হয়েছে তাকে।
ফরিদা পারভীন দীর্ঘদিন কুষ্টিয়া শহরে বসে লালনসংগীতের চর্চা করেছেন। নাটোরের সিংড়ায় জন্ম নেওয়া ফরিদা পারভীন ছোটবেলায় ছিলেন চঞ্চল প্রকৃতির। প্রায় সারাক্ষণ তিনি দৌড়ঝাঁপ আর খেলাধুলা করে বেড়াতেন।

ফরিদা পারভীন বাংলাদেশের লোকসংগীতের এক অমর ধারা ও প্রাণবন্ত উপস্থাপনার জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তার মৃত্যুতে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি বলে মনে করেন সঙ্গীত অনুরাগী সকল শ্রেণী পেশার মানুষ।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট