1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:১০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রত্যাশা, ভূমিকা ও চ্যালেঞ্জ। -আলমগীর আলম বাঘাইছড়িতে মারিশ্যা জোন ২৭ বিজিবির উদ্যোগে শীতার্ত ও দুঃস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ বোয়ালখালীতে দুই দিনব্যাপী ওরছে গাউসুল আজম দস্তগীর ও মিলাদ মাহফিল সম্পন্ন বর্ণাঢ্য আয়োজনে এরাবিয়ান লিডারশীপ মাদ্রাসার নবীণ বরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন নানিয়ারচর জোনের উদ্যো‌গে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত অসহায়দের সাহায্যার্থে বিত্তবানদের এগিয়ে আসা নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব -ব্যারিস্টার নাজির আহমদ পটিয়ায় চাঞ্চল্যকর দশ মাসের অন্ত্বসত্তা গৃহবধূ মহুয়া হত্যা প্ররোচনাদানকারী হিসাবে অভিযুক্ত প্রধান আসামী ফায়াদ চৌধুরীর জামিন নামঞ্জুর সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়লেও বাহাড়া দুবাগ প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল আমার হাতেখড়ি -ব্যারিস্টার নাজির আহমদ বাঘাইছড়ি পৌরসভার উদ্যোগে ৩টি মসজিদে কার্পেট বিতরণ এপেক্স ক্লাব অব বান্দরবানের উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে মাসব্যাপী কম্বল বিতরণ

পটিয়ায় চাঞ্চল্যকর দশ মাসের অন্ত্বসত্তা গৃহবধূ মহুয়া হত্যা প্ররোচনাদানকারী হিসাবে অভিযুক্ত প্রধান আসামী ফায়াদ চৌধুরীর জামিন নামঞ্জুর

  • সময় বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৯ পঠিত

পটিয়া উপজেলা হাঁইদগাও গ্রামের মেয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ’র, শিক্ষার্থী, দশ মাসের অন্ত্বসত্তা শাহনাজ কামরুন নাহার মহুয়া হত্যা প্ররোচনাদানকারীর হিসাবে অভিযুক্ত প্রধান আসামী আজ গ্রেপ্তার হয়েছে।গত ১৬ অক্টোবর ২০২৪ সালে রাতে মৃত্যু ঘটে মহুয়ার।মহুয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়,অন্ত্বসত্তা মহুয়াকে তার স্বামী শাশুড়ী ননদ রা সম্মিলিত ভাবে আত্নহত্যার প্ররোচনা করে আত্নহত্যা করতে বাধ্য করেছিলেন।

উল্লেখ্য ২০২৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহুয়া ও ফায়াদের প্রেমের সম্পর্ককে স্বীকৃতি দিয়ে দুই পরিবার ধুমধাম করে তাদের বিয়ে দেয়। ইতোমধ্যে সন্তানসম্ভবা হন শাহনাজ। আর মাত্র ১০/১২দিন পরই তার প্রথম সন্তান পৃথিবীতে আসার কথা ছিলো । কিন্তু তার আগেই সব শেষ হয়ে যায়।

ঘটনার পরপর শোকাহত বড় ভাই শাহনেওয়াজ সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছিলেন- আমার বোনকে বিয়ের পর থেকে নানাভাবে নির্যাতন করে আসছিল। আমরা তাদেরকে যৌতুক হিসেবে টিভি, ফ্রিজ, আসবাবপত্রসহ নানা কিছু দিয়েছি। তাদেরকে খুশি করার জন্য আমরা সবসময় চেষ্টা করতাম। কিন্তু আমরা যেটাই দিই না কেন, সেটা তাদের পছন্দ হয় না। এগুলো নিয়ে সবসময় আমার বোনকে খোঁটা দেওয়া হতো। মানসিক নির্যাতন করা হতো। পান থেকে চুন খসলেই তার গায়ে হাত তুলতো। ঘরের ছোটখাটো কাজেও ভুল ধরে অত্যাচার করতো। আমার বোনের সঙ্গে ওইদিন রাত ১টা পর্যন্ত আমি নিজেই কথা বলেছি। এর আগে তার স্বামী আমাকে কল দিয়ে বিচার দিয়েছে। আমি বোনের সঙ্গে কথা বলার আধাঘণ্টা পর রাত দেড়টার দিকে তার শাশুড়ি আমার স্ত্রীকে ফোন দিয়ে জানিয়েছেন যে আমার বোন অজ্ঞান হয়ে গেছে।’ বিষয়টি রহস্যজনক, এটা স্রেফ মার্ডার। আমার বোনকে তারা নির্যাতন করে হত্যা করেছে।

ঘটনার দিন শাহনাজ মহুয়ার নিথর দেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যান স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন। ঘটনার ব্যাপারে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় ফায়াদ ও তার মা চেমন আরা রফিক কে প্রধান আসামী করে ৩০৬ ধারায় মামলা করেছিলেন ভিকটিম শাহনাজের বড় ভাই মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ। মামলার অন্য আসামিরা হলেন, নিহত শাহনাজের স্বামীর বড় বোন তাসলিমা আফরোজ (৪৪) ও তার স্বামী মো. লোকমান (৪২), শাহনাজের স্বামীর মেজো বোন খাদিজা আফরোজ (৩৭), স্বামীর সেজো বোন তাহমিনা আফরোজ (৩২) এবং স্বামীর ছোট বোন নাজিফা সালসাবিন (৩০)।
ঘটনার পরপর দুই ননদ সহ তিন জন গ্রেপ্তার হলেও প্রধান দুই আসামী পলাতক ছিলেন।
অবশেষে প্রশাসন কে ফাঁকি দিয়ে দীর্গ দিন পলাতক থাকলেও আজ আদালতে জামিন চাইতে গেলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জামিন নামঞ্জুর করে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।আসামী ফায়াদ গ্রেপ্তারের পর নিহত মহুয়ার ভাই শাহনেওয়াজ এর কাছে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।তিনি বলেন-অপরাধী ধরা পড়ায় আমার বোনের আত্না শান্তি পেয়েছে।এবং আসামীর সর্বোচ্চ বিচার দাবি করেন এবং প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট