
মোঃ শহিদুল ইসলাম
বিশেষ সংবাদদাতাঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৮৮ (চট্টগ্রাম-১১) বন্দর–ইপিজেড–পতেঙ্গা আসন থেকে চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং নবনিযুক্ত অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী-কে বীর চট্টলায় উষ্ণ সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।
মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার চট্টগ্রামে আগমন উপলক্ষে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ তাঁর মেহেদীবাগস্থ বাসভবনে উপস্থিত হয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশারফ হোসেন দিপ্তী, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ইকবাল হোসেনসহ পাহাড়তলী থানা যুবদলের নেতৃবৃন্দ। এছাড়া ইপিজেড থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. রোকন উদ্দিন মাহমুদ খলিল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইমরান খান, প্রবীণ বিএনপি নেতা মো. আব্দুল মান্নান, যুবদল নেতা মো. জিয়াউর রহমান জিয়া, বন্দর ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আজম উদ্দিন, বিএনপি নেতা মো. আনোয়ার হোসেন জুনু, জাহাঙ্গীর আলমসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সংবর্ধনায় অংশ নেন।
এর আগে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ নেতাকর্মীরা তাঁকে স্বাগত জানান। বিমানবন্দর থেকে সুশৃঙ্খল গাড়িবহরে তাঁকে মেহেদীবাগের বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে তিনি কুশল বিনিময় করেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, দলীয় ঐক্য ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি চট্টগ্রামের উন্নয়ন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে শিল্প, বন্দর ও রপ্তানি খাতে গতিশীলতা আনয়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য পরিচিত এই নেতা দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও উন্নয়নমুখী কর্মপরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সংবর্ধনা শেষে নেতাকর্মীরা তাঁর সুস্বাস্থ্য ও সফলতা কামনা করেন।
Leave a Reply