1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পটিয়ায় দুই অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যুর বিচার দাবিতে ছাত্র শক্তির মানববন্ধন পটিয়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রিকশাচালক অপু বিশ্বাসের ঘর মেরামতে মানবতার বন্ধনের আর্থিক সহায়তা ডায়ালাইসিস সেবা বন্ধ হতে দেওয়া হবে না, প্রয়োজন হলে সহায়তা দেবে সিটি কর্পোরেশন: প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার: মিনিট্রাক থেকে ৩০ হাজার ইয়াবা লুটের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ “চট্টগ্রাম মেডিকেলকে পার্কভিউ হসপিটালের ডায়ালাইসিস মেশিন উপহার” চমেকে স্যান্ডরের ডায়ালাইসিস সেবা অব্যাহত রাখার দাবি, কিডনি রোগীদের সংবাদ সম্মেলন- ঝুঁকিতে ২৭৬ কিডনি রোগী সপ্তম বর্ষে দৈনিক চট্টগ্রামের খবর: আস্থা, ভালোবাসা ও স্বপ্নের এক নিরন্তর পথচলা সুকন্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদের নজরুল বর্ষ পালন। বাঙালী জাতীয় সত্ত্বার অবিচ্ছেদ্য অংশ শেরে বাংলা একে ফজলুল হক- তসলিম উদ্দীন রানা বোয়ালখালীতে সাড়ে ৬ হাজার গাছ রোপণ

দেশবরেণ্য লালনসংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীন মারা গেছেন

  • সময় শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩১৯ পঠিত

মোঃ শফিকুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দেশবরেণ্য লালনসংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীন মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ১৫ মিনিটে তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তিনি স্বামী এবং চার সন্তান রেখে গেছেন।

তার জামাতা সাজ্জাদুর রহমান খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন ফরিদা পারভীন। কিছুদিন ধরে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, সপ্তাহে দুই দিন তাকে ডায়ালাইসিস করাতে হয়। নিয়মিত ডায়ালাইসিসের অংশ হিসেবে ২ সেপ্টেম্বর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে।

কিন্তু ডায়ালাইসিসের পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তখন চিকিৎসক তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেন। এর পর থেকে তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত বুধবার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ভেন্টিলেশনে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অবশেষে চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে তিনি চলে যান না-ফেরার দেশে।
১৯৫৪ সালে ৩১ ডিসেম্বর নাটোরের সিংড়া থানায় জন্ম নেওয়া ফরিদা পারভীন গানে গানে কাটিয়েছেন ৫৫ বছর। ১৪ বছর বয়সে ১৯৬৮ সালে ফরিদা পারভীনের পেশাদার সংগীতজীবন শুরু হয়। এরপর পার হতে হয় অনেক চড়াই-উতরাই। পারিবারিক সূত্রেই গানের ভুবনে আসা।

গানের প্রতি বাবার টান ছিল বেশি। দাদিও গান করতেন। বাবার চাকরির সুবাদে বিভিন্ন জেলায় যেতে হয়েছে তাকে।
ফরিদা পারভীন দীর্ঘদিন কুষ্টিয়া শহরে বসে লালনসংগীতের চর্চা করেছেন। নাটোরের সিংড়ায় জন্ম নেওয়া ফরিদা পারভীন ছোটবেলায় ছিলেন চঞ্চল প্রকৃতির। প্রায় সারাক্ষণ তিনি দৌড়ঝাঁপ আর খেলাধুলা করে বেড়াতেন।

ফরিদা পারভীন বাংলাদেশের লোকসংগীতের এক অমর ধারা ও প্রাণবন্ত উপস্থাপনার জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তার মৃত্যুতে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় ক্ষতি বলে মনে করেন সঙ্গীত অনুরাগী সকল শ্রেণী পেশার মানুষ।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট