1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নিষিদ্ধ সংগঠন চন্দনাইশ উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ২১ আগস্টের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল বাংলাদেশের নবনির্বাচিত ২৩তম মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর: জাতির প্রত্যাশা -মহিউদ্দীন কাদের নিষিদ্ধ সংগঠন দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ২১ আগষ্টের বীর শহীদের স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভোক্তা অধিকারের অভিযান পটিয়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ ডায়াপার নতুন তারিখ বসিয়ে বাজারজাত, জরিমানা ২ লাখ ৫০ হাজার আদর্শ ছাত্র ও যুব সমাজের অর্ধযুগ পূর্তি উপলক্ষে বৃদ্ধাশ্রম ও এতিমখানায় খাবার বিতরণ, বৃক্ষরোপণ এবং সর্বোচ্চ রক্তদাতাকে সম্মাননা। পটিয়ার কচুয়াই সড়ক সংস্কারে এলাকাবাসীর স্বস্তি ফিরেছে জীবনযুদ্ধে থেমে নেই পটিয়ার আবদুস শুক্কুর শুক্রবার এলেই ফ্রি খাবার ও নগদ অর্থ নিয়ে অসহায়দের পাশে পটিয়ার নুরুল আলম পানি ন্যায়বিচারের দাবিতে যুবদের আন্দোলনে চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রতিশ্রুতি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পোর্টাল সাংবাদিকদের সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক সংগঠন NPJA-এর বাংলাদেশ কমিটি ঘোষণা

মুমিনদের শান্তির ঠিকানা- মহানবীর রওজা- মদিনার মনোয়ারা। -আলমগীর আলম

  • সময় শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৭৬৯ পঠিত

 

মদিনা জিয়ারতের মাধ্যমে মুমিনেরা প্রশান্তি লাভ করে থাকেন।
মুমিনেরা রাসূলের সান্নিধ্যে গিয়ে এক ধরনের স্বস্তিবোধ করেন।
মহানবীর রওজার পাশে দাঁড়িয়ে সালাম জানানো,
সে এক অন্য রকম অনুভূতি। মহানবি (সা.) রওজা পাক থেকে সরাসরি উম্মতের সালাম গ্রহণ করে থাকেন। কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহর নবির প্রতি অনুগ্রহ করেন এবং তাঁহার ফেরেশতারাও নবীর জন্য অনুগ্রহ প্রার্থনা করে।
হে মুমিনরা! তোমরাও নবীর জন্য অনুগ্রহ প্রার্থনা কর ও তাহাকে যথাযথভাবে সালাম জানাও’ (সূরা আহজাব : ৫৬)।
মদিনার নিরাপত্তায় কুদরতি ফেরেশতারা নিয়োজিত রয়েছেন।
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, হজরত রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘মদিনার প্রবেশ পথগুলোতে ফেরেশতারা পাহারায় নিয়োজিত থাকে। সেখানে মহামারি বা দাজ্জাল প্রবেশ করতে পারে না’ (বোখারি : ১৭৫৯)।

কোনো বান্দা মদিনায় গিয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলে, আল্লাহ ওই বান্দার গুনাহ মাফ করে দেন। কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যখন তাহারা নিজেদের প্রতি জুলুম করে তখন তাহারা আপনার নিকট আসিলে ও আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করিলে এবং আপনি তাহাদের জন্য ক্ষমা চাহিলে তাহারা আল্লাহকে ক্ষমা পরবশ ও পরম দয়ালু হিসাবে পাবে’ (সূরা নিসা : ৬৪)।
রাসূলের রওজা ও মিম্বরের মধ্য-খানের জায়গাকে রিয়াদুল জান্নাহ বলা হয়। মহানবি (সা.) রিয়াদুল জান্নাহকে জান্নাতের অংশ হিসাবে ঘোষণা করেছেন। মুমিনের সর্বোচ্চ পুরস্কার জান্নাতের অংশ স্ব-চুক্ষে দেখা অত্যন্ত সৌভাগ্যের ব্যাপার।
মদিনা জিয়ারতকারীরা রিয়াদুল জান্নাহর মধ্যে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করে থাকেন।
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে,
হজরত রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আমার ঘর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থান বেহেশতের বাগানগুলোর অন্যতম’ (বোখারি : ১৭৬৭)।

শেষ জামানায় ধর্মীয় বিধি-বিধান পালনে পারস্পরিক মতানৈক্যের কথা বহু আগেই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
যখন মানুষ নানা ধরনের ফেতনায় জড়িয়ে পড়বে, তখন মানুষের ইমান মদিনা-মুখী হয়ে যাবে। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে,
হজরত রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘ইমান (শেষ পর্যন্ত) এমনভাবে মদিনায় ফিরে আসবে যেমন সাপ তার গর্তে প্রত্যাবর্তন করে’ (বোখারি : ১৭৫৫)।

মহানবী (সা.)-এর আগমনের আগে মদিনার নাম ছিল ইয়াসরিব।
যা মানুষের দুঃখ-দুর্দশার জায়গা হিসাবে পরিচিতি ছিল।
রাসূলের মর্যাদার খাতিরে আল্লাহ-তায়ালা মদিনাবাসীর অভাব অনটন দূর করে দিয়েছিলেন।
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে,
হজরত রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘মদিনার কংকরময় ভূমির মধ্যবর্তী স্থানকে আমার কথা দ্বারা সম্মানিত করা হয়েছে’ (বোখারি : ১৭৪৮)।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) থেকে ইরশাদ হয়েছে, ‘আমি এমন একটি জনপদে হিজরত করার জন্য আদিষ্ট হয়েছি, যা সব জনপদের ওপর বিজয়ী হবে।
লোকেরা তাকে ইয়াসরিব বলে থাকে।
অথচ তার (আসল নাম) মদিনা।
এ মদিনা খারাপ লোকদের এমনভাবে বহিষ্কার করে দেয়, যেমনভাবে কর্মকারের হাতুড়ি লোহার ময়লা দূর করে থাকে’ (বোখারি : ১৭৫২)।

মদিনায় রাসূলের রওজা শরিফ ছাড়াও অনেক বরকতময় স্থান রয়েছে। জান্নাতুল বাকী, শোহাদায়ে উহুদ, মসজিদে কুবা, মসজিদে কেবলাতাইন, বীরে আলী, বীরে শিফা, বীরে গারস, বীরে রাওহা, বীরে উসমান, মসজিদে খন্দক, মসজিদে বেলাল, মসজিদে জুমা, মসজিদে ইজাবা, মসজিদে গামামা, মসজিদে আবু বকর, মসজিদে ওসমান, মসজিদে ওমর, জাবালে চিলা, সালমান ফারসির খেজুর বাগান ইত্যাদি।
আল্লাহতায়ালা মদিনা জিয়ারতের তৌফিক দান করুন।
মদিনা মহানবীর রওজায় একবার যারা গিয়েছেন তাদের অন্তর কাঁদে বারবার যেতে নবীর রওজা জেয়ারতে।
ইসলাম শান্তির ধর্ম, শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসলামের নির্দশনী সকল বিষয় মেনে চলাই মুমিনদের অংশ। হযরত মোহাম্মদ মোস্তফা (স:) সমগ্র আরব জাতির কাছে আজ শান্তির বানী পৌছে দিয়ে এ পৃথিবীকে আলোকিত করেছেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট