1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দক্ষিন চট্টগ্রাম চন্দনাইশে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন মসজিদ দেখতে প্রতিদিন মানুষের ভিড় -আলমগীর আলম আবৃত্তির আলোকবর্তিকা রনজিৎ রক্ষিতের ৭৮তম জন্মদিনে স্মরণসভা থিয়েটার ইন্সটিটিউটে আবেগঘন আয়োজন হাজী মোস্তফা বেগম ফাউন্ডেশন স্মৃতি বৃত্তি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন অসহায় পরিবারের বসতঘর নির্মা‌ণে ঢেউটিন বিতরণ ক‌রে‌ছে নানিয়ারচর সেনা জোন বাঘাইছড়িতে সীমান্ত পরিবার কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ আনোয়ারার সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান বদনী সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার আইনি বিতর্কে চট্টগ্রাম বন্দরে পরিবর্তন আসছে বিদেশি অপারেটর নিয়োগে ১৯ বছর আগে ছাত্রলীগ নেতা হত্যা, আইনজীবী হয়ে বিচার পেলেন ভাই-বোন, চার আসামির মৃত্যুদণ্ড নিঃস্বার্থ নবজীবন সংগঠন’র অভিষেক ও পুনর্মিলনী বোয়ালখালী’র শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ ক‌রে‌ছে সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন

দক্ষিন চট্টগ্রাম চন্দনাইশে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন মসজিদ দেখতে প্রতিদিন মানুষের ভিড় -আলমগীর আলম

  • সময় রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩১ পঠিত

 

দক্ষিণ চট্টগ্রামে মসজিদ নির্মাণের ক্ষেত্রে একটি ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে চন্দনাইশ উপজেলা। উপজেলার ফতেনগর গ্রামের সিকদার বাড়িতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ১০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে তুরস্কের ঐতিহ্যবাহী ব্লু মসজিদের আদলে নির্মিত হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ‘ফতেনগর সিকদার বাড়ি জামে মসজিদ’।
চন্দনাইশ উপজেলার ফতেনগর গ্রামে প্রায় দুই একর জমির ওপর কবরস্থান ও পুকুরসহ মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হয় ২০১৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি। দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে নান্দনিক নির্মাণশৈলীর মাধ্যমে ধাপে ধাপে কাজ শেষ করে সম্প্রতি মুসল্লিদের জন্য মসজিদটি উন্মুক্ত করা হয়।
তুরস্কের ব্লু মসজিদের আদলে নির্মিত এই দৃষ্টিনন্দন মসজিদটি শুধু চন্দনাইশ উপজেলা নয়, পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রামের একটি উল্লেখযোগ্য স্থাপনা হিসেবে ইতোমধ্যে স্বীকৃতি পেয়েছে বলে বিজ্ঞমহল অভিমত ব্যক্ত করেছেন। মসজিদের পশ্চিম পাশে পুকুরসংলগ্নভাবে মিম্বর নির্মাণ করায় পশ্চিম দিক থেকে তাকালে মসজিদটি যেন পানির ওপর ভাসমান মনে হয়, যা এর সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
ফতেনগর সিকদার বাড়ির প্রয়াত আইনজীবী বদিউল আলমের ছেলে, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব জিয়াউল কবির আদিল নিজস্ব অর্থায়নে এ মসজিদ নির্মাণ করেন। প্রকৌশলী সোহেল মো. শাকুরের তত্ত্বাবধানে দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও নিখুঁত নির্মাণশৈলীর মাধ্যমে মসজিদের কাজ সম্পন্ন হয়।
আধুনিক নকশা, সূক্ষ্ম কারুকার্য ও নান্দনিক স্থাপত্যে নির্মিত এ মসজিদ মুসল্লিদের জন্য একটি শান্ত ও প্রশান্ত পরিবেশ তৈরি করেছে। মসজিদের পাশের কবরস্থানে বিভিন্ন ধরনের ফুলের বাগান করা হয়েছে, যা দেখতে সত্যিই মনোমুগ্ধকর। পাশাপাশি মসজিদসংলগ্ন ফোরকানিয়া মাদরাসার মাধ্যমে এলাকার শিশু-কিশোরদের আরবি ও ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।
এই দৃষ্টিনন্দন মসজিদটি দেখতে প্রতিদিন চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ দলে দলে আসছেন। ফলে এলাকাটি এখন একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেছে।
এ বিষয়ে পটিয়া স্টেশন রোড শাহী জামে মসজিদের সহসভাপতি ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ নুরুল আলম সওদাগর বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম এবং মসজিদ মুসলমানদের ইবাদতের প্রধান স্থান। দেশের বিভিন্ন উপজেলায় অসংখ্য মসজিদ থাকলেও গ্রাম পর্যায়ে এত সুন্দর ও পরিকল্পিত একটি মসজিদ নির্মাণ সত্যিই প্রশংসনীয়। কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই মসজিদ এলাকাটিকে আলোকিত করেছে। প্রতিদিন শত শত মানুষ এই মসজিদ দেখতে আসছেন, যা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। তিনি এলাকার মুসল্লিদের নিয়মিত মসজিদে এসে নামাজ আদায় ও ইবাদত পালনের আহ্বান জানান।

লেখক:
যুগ্ম সদস্য সচিব: পটিয়া সচেতন নাগরিক ফোরাম

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট