1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে চট্টগ্রাম চলচ্চিত্র কেন্দ্রের আলোচনা ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ বিজয়নগর ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জহুর আহমেদ ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ পটিয়ায় আগুনে পুড়ে দুই ওয়ার্কশপ, ক্ষতি ৭০ লাখ টাকা। একটি সুন্দর রাউজান বিনির্মানে সকলেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে যাব : গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এমপি পটিয়া সচেতন নাগরিক ফোরামের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত। পাকা সেতুর অভাবে পটিয়া ও বোয়ালখালীর হাজারো মানুষের দুর্ভোগ চরমে। পার্বত্য চট্টগ্রামে সমন্বিত উন্নয়নের রূপরেখা: দৃঢ় অবস্থানে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন অর্থপাচার রোধে আইন নয়, চাই কার্যকর সচেতনতা লেখক ও গবেষক জসীম উদ্দিন খন্দকার রচিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনু‌ষ্ঠিত বান্দরবানে এপেক্স ক্লাবের উদ্যোগে মাতৃভাষা দিবসে চিত্রাঙ্কন ও সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতা।

পার্বত্য চট্টগ্রামে সমন্বিত উন্নয়নের রূপরেখা: দৃঢ় অবস্থানে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন

  • সময় শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৪ পঠিত

মোঃ শহীদুল ইসলাম
বিশেষ সংবাদদাতাঃ

চট্টগ্রাম: পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল। দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, যোগাযোগ ব্যবস্থার দুর্বলতা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি এবং কর্মসংস্থানের সংকট এ অঞ্চলের সামগ্রিক অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করেছে। এমন বাস্তবতায় নবনির্বাচিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের দায়িত্ব গ্রহণ নতুন প্রত্যাশার জন্ম দিয়েছে।

সম্প্রতি চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদের নেতৃত্বে নেতৃবৃন্দ চট্টোশ্বরী রোডস্থ তাঁর বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় নেতৃবৃন্দ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে মূলধারার উন্নয়নের সঙ্গে কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করতে সুপরিকল্পিত ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি গ্রহণ জরুরি।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন তাঁর বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন কেবল অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং
মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষা সম্প্রসারণ,
স্বাস্থ্যসেবার আধুনিকায়ন এবং স্থানীয় জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “পাহাড় ও সমতলের মানুষের মধ্যে আস্থা ও সম্প্রীতি জোরদার করেই টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব। উন্নয়নের সুফল যেন তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছে যায়, সে লক্ষ্যে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে কাজ করা হবে।”

বিশ্লেষকদের মতে, পার্বত্য চট্টগ্রামে টেকসই উন্নয়নের জন্য সড়ক ও যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন, কৃষি ও পর্যটন খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ও সম্প্রীতির পরিবেশ সুদৃঢ় করা অপরিহার্য।

যুবদল নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন,প্রতিমন্ত্রীর দৃঢ় নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। তারা বলেন, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দলীয় নেতাকর্মীরা গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সঠিক পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা ও কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম শুধু আঞ্চলিক নয়, জাতীয় অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। নতুন প্রতিমন্ত্রীর সামনে চ্যালেঞ্জ যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে সম্ভাবনার বিশাল ক্ষেত্র। এখন সময়ই বলে দেবে—এই প্রত্যাশা কতটা বাস্তবে রূপ পায়।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট