
চট্টগ্রামের কৃতীসন্তান, প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুল করিমের ৯৮তম জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। সোমবার (১ জুন ২০২৬) বিকেলে নগরীর খাজা গরীবুল্লাহ শাহ (রাহ.) মাজারের প্রধান গেইট সংলগ্ন এলাকায় মরহুমের কবর জিয়ারত, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্র ও ইতিহাসের পাঠশালা (দি একাডেমি অব হিস্ট্রি, বাংলাদেশ)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের পরিচালক ও বিশিষ্ট ইতিহাসবেত্তা সোহেল মো. ফখরুদ-দীন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী সমিতির সভাপতি, প্রবীণ শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ আলহাজ লায়ন শওকত আলী নুর। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, অধ্যাপক ড. আবদুল করিম কেবল একজন শিক্ষক বা উপাচার্যই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাস গবেষণার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ ও পথিকৃৎ। বিশেষ করে মধ্যযুগীয় বাংলা, চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ইতিহাস, মুদ্রা তত্ত্ব এবং মুসলিম ঐতিহ্য বিষয়ে তাঁর মৌলিক গবেষণা ও উৎস-ভিত্তিক অনুসন্ধান বাংলা অঞ্চলের ইতিহাস চর্চাকে বিশ্বদরবারে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, ইতিহাস বিকৃতির ভিড়ে ড. আবদুল করিমের বস্তুনিষ্ঠ গবেষণা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আলোকবর্তিকা এবং অনুপ্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক হাবিবুর রহমান (প্রাবন্ধিক ও রাজনীতিবিদ), এম. নুরুল হুদা চৌধুরী (প্রাবন্ধিক), রোটারিয়ান এস. এম. আবদুল আজিজ, অ্যাডভোকেট মীর মোহাম্মদ ফেরদৌস আলম সেলিম, সাবের আহমদ (রাজনীতিবিদ), মোহাম্মদ মুরাদ (সাংস্কৃতিক সংগঠক), কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার (শিক্ষাবিদ ও কবি), হাফেজ মীর মোহাম্মদ তাজরিয়ান উল আলম নেওয়াজ, মাস্টার আবুল হোসেন (রাজনীতিবিদ), স. ম. জিয়াউর রহমান (সংগঠক), আকতার হোসেন নেজামী, কবি আসিফ ইকবাল, লেখক নেছার আহমদ খানঅধ্যাপক বশির আহমদ কনক (শিক্ষাবিদ), লেখক এস. এম. ওসমান প্রমুখ।
Leave a Reply