1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শুধু সরকারি নয় সব বাসেই শিক্ষার্থীদের হাফ পাস নিশ্চিত করতে হবে: মোস্তানছিরুল হক চৌধুরী পটিয়ার আমজুরহাটে পেঁয়াজবোঝাই ট্রাক খাদে, বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা। চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেলপথে আস্থার সংকট, পাথর নিক্ষেপ বন্ধে পদক্ষেপ জরুরি। চট্টগ্রামে একীভূত ৫ ব্যাংকের শাখায় ২য় দিনেও তালা, আমানতকারীদের বিক্ষোভ দুবাইয়ে বোয়ালখালীর এক প্রবাসীর মৃত্যু স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার অঙ্গীকারে বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস পালন করল চট্টগ্রাম জেলা প্রেস ক্লাব অভিযাত্রী পত্রিকার উদ্যোগে মে মাসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সাতকানিয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রুবেল, সম্পাদক তারেক। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রামে আলোচনা সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

আজ বাবার ৪০তম মৃত্যু বার্ষিকী -লায়ন মোঃ আবু ছালেহ্

  • সময় বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০২৪
  • ৪১০ পঠিত

 

বাবা হারানোর ব্যাথা হয়তো পৃথিবীর সব থেকে বেশি কষ্টের আমার জন্য। ১৯৮৪ সালের এইদিনে আমার বাবা মরহুম মনির আহমেদ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। বাবার অনুপস্থিতি কত কষ্ট দায়ক সেটা যার বাবা নেই সে বুঝে। আমার প্রতিটি মোনাজাতে বাবা তুমি আছো। বাবা নামক ছায়াটা জীবন থেকে হারিয়ে গেছে অনেক আগে । সৃষ্টিকর্তার দেওয়া সব থেকে বড় উপহার হচ্ছে বাবা। যার জীবনে বাবা নেই সেই জানে যে বাবা না থাকার কতটা যন্ত্রনা। বাবা নেই, বাবা আর ফিরবেও না কোনদিন। কখনো ভাবিনি শৈশবে বাবাকে হারিয়ে ফেলবো। বাবাকে হারিয়ে বুঝতে পারছি যে জীবনে কত বড় অবলম্বন টা হারিয়ে ফেলেছি। “বাবা” মাত্র দুটি অক্ষরের একটি শব্দ কিন্তু এর বিশালতা অনেক বড়। আমাদের জন্মের পর থেকেই নিঃস্বার্থভাবে যিনি আমাদের সকল চাহিদা পূরণ করতে থাকেন। সেই নিঃস্বার্থ বাবাকে নিয়ে বলার মতো কোন উদাহরণই পৃথিবীতে নেই। বাবা নামক ছাতা টা যদি মাথার উপরে না থাকে একলা পথ চলতে যে কতটা কষ্টের বাবা হীনরা বুঝে। আজকে চল্লিশটা বছর পেরিয়ে গেলো, বাবা কে দেখি না বাবা বলে ডাকি না। আজকে বাবা যদি বেঁচে থাকতো তাহলে হয়তো আমার জীবন টা আরও অনেক বেশি সুন্দর হতো। বাবা হিসেবে শ্রেষ্ঠ ছিলেন তিনি। মহান রব সবাইকে সব কিছু পরিপূর্ণ করে দেননা। এটি তারই কুদরতের এক নিয়ম। আমার ছোটবেলাটা ছিল অন্য রকম। পরিবারের সবার কাছ থেকে আদর ভালবাসা পেলেও পাওয়া হয়নি পিতৃস্নেহ। পারিনি বাবার সাথে ঈদের নামাজে যেতে। পারিনি সখের জামাটা বাবার কাছ থেকে নিতে। কোন আবদার করতে। কেউ যখন আমার সামনে তাদের বাবার কাছে কিছু চাইত তখন আমি কেন জানি নিরব হয়ে যেতাম। চোখ নিচু করে ভাবতাম আমারতো বাবা নেই। ছোট বেলা থেকে বাবার দায়িত্ব পালন করেছেন বড় ভাই। তাই কেন জানি চাওয়ার তালিকা বিস্তৃত ছিলনা। কিন্তু সেটাকে তিনি সংকুচিত হতে দেননি। পরিবারকে আগলে রেখেছেন মায়া মমতায় আর ভালবাসায়। তবুও বাবার কথা বারবার মনে পড়ে কারণ ছায়া হিসেবে যাকে পাওয়ার কথা ছিল। যার কাছে কিছু আকুলতা জানানোর ছিল তাকে হারিয়েছি সব কিছু বুঝার আগে। আমার হয়তো অনেক কিছু বাস্তবে অপরিপূর্ণ রয়ে গেল যা কখনোই পূর্ণ হবেনা। বাবা ৪০ বছর পার হয়ে গেল তোমাকে দেখিনা। এই ৪০ বছরে কত হাজার বার তোমাকে মনে করেছি তার ইয়ত্তা নেই। স্মৃতিতে, অনুভবে, চোখের সামনে তোমাকে দেখতে পাই আমার ভাবনায়। ভাল করে তোমাকে বাবা বলে ডাকতে পারিনি, তখনো বুঝার বয়স হয়নি আমার যখন হারিয়েছি তোমার স্নেহ মাখা আদর আর ভালবাসা। বাবার মর্মার্থ আমি হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করি আমার সন্তানদের প্রতি আমার ভালবাসায়। আজ ও তোমার জন্য চোখের অশ্রু ঝড়ে পড়ে বাবা নিরবে নিবৃতে। শুধু এই কামনা আল্লাহ যেন তোমাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন। রবের কাছে প্রার্থনা পৃথিবীর সকল বাবারা ভাল থাকুক। রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বাইয়ানি সাগিরা।
লেখকঃ কবি ও সাংবাদিক

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট