1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পটিয়ায় ড. ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হোসেনকে সংবর্ধনা বাইশে শ্রাবণ: মানুষের হৃদয়ে চিরজাগরূক রবীন্দ্রনাথ – লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া প্রয়াস এর আজীবন সদস্য রোটারিয়ান সুবর্ণা দে পিএইচএফ রোটারী ক্লাব অব রেইনবো’র সভাপতি নির্বাচিত তোমার গানে জাগবে জুলাই’ প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত হন জাসাস চট্টগ্রাম মহানগর সদস‌্য স‌চিব মামুনুর রশিদ শিপন। পটিয়ায় র‍্যাবের অভিযানে তিন কোটি টাকার ইয়াবাসহ মোটরসাইকেল গ্যাংয়ের ৬ সদস্য আটক বোয়ালখালীতে পুকুরে মিলল বৃদ্ধের মরদেহ চন্দনাইশে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ বিএনপির সমাবেশ-র‌্যালি নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ সভাপতির দেওয়া লাইভ বক্তব্যের ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ। পটিয়ায় মনির আহমদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কোরআন শরীফ, আমপারা ও নুরানী কায়দা বিতরণ এরাবিয়ান লিডারশীপ মাদরাসায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন

আমার জীবনের অজানা কিছু কথা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি -মিল্টন বিকাশ দাশ

  • সময় সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬
  • ২৯৯ পঠিত

ছোটবেলা থেকে খুব বেশি দুষ্টুমি করতাম। স্কুল থেকে এসে সারাক্ষণ খেলা নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম। আবার সন্ধ্যা হলে ল্যাম্প জ্বালিয়ে পড়তে বসা। চোখে ঘুম আসলে মায়ের বকুনি শুনা। বাবা সরকারি চাকরির সুবাদে বৃহস্পতিবার আসতো। সেদিন পড়তে বসলে বলতো বড় বড় করে পড়ার জন্য। ছোটবেলায় কাদা মাখানো ফুটবল খেলায় একজনের চেহারা আরেকজন চিনতো না। কতইনা দুষ্টুমি করেছি।
যখন বড় হয়েছি বাবার চাকরির সুবাদে আমরা আধুনগর থাকতাম। জীবনে অনেক যাত্রাপালায় নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেছি। উচ্চারণ ও অভিনয়ের উপর অনেক প্রশিক্ষণ নিয়েছি। আধু নগরে থাকা অবস্থায় কোন বয়স্ক মানুষ যদি বাজার নিয়ে বাড়িতে যেতে কষ্ট হতো তাদের বাজার নিয়ে বাড়িতে দিয়ে এসেছি। ছোটবেলা থেকে সব সময় চেষ্টা করেছি মানুষের পাশে থাকার জন্য । মানুষের দুঃখে কষ্ট পেয়েছি। আমার কাছে রিকশাচালক, কৃষক,কামার, দিনমজুর, জেলে, ধনী সবাই সমান। সবাইকে আমি মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করেছি।যে কোন মানুষের বিপদে দৌড়ে গেছি এবং পাশে থেকেছি। কোন মানুষকে অসম্মান করা ছোট করা আমার দ্বারা কখনো হয়নি। কোনদিন কারো সাথে বেশিক্ষণ রাগ দেখিয়ে থাকতে পারেনি। আবার নিজে থেকে সরি বলে কথা বলেছি। আমি মনে করি কাউকে কষ্ট দেওয়ার জন্য আমার জন্ম হয়নি। মানুষের জন্য বেঁচে থাকতে আমার জন্ম। কখনো কোন ধরনের লোভ,লালসা ও অহংকার আমাকে স্পর্শ করতে পারেনি। জীবনে অনেক দুঃখ ও কষ্ট নিয়ে বড় হয়েছি। ব্যক্তিগত জীবনে আমার দুই মেয়ে এক ছেলে ও আমার জীবনসঙ্গিনী নিয়ে আমি অনেক সুখী। আমরা তিন ভাই এর মধ্যে আমি সবার বড়। আমার মেজ ভাই সরকারি হাই স্কুলের শিক্ষক ও ছোট ভাই একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করে। আমরা তিন ভাইই শিক্ষাগত যোগ্যতাই এম এ পাস করেছি। চাকরি জীবনে যেটা সর্বোচ্চ স্থান সেটা আমি পেয়েছি। ২০১৭ সাল থেকে আমি প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছি। প্রধান শিক্ষক থাকা অবস্থায় আমি একবার কেন্দ্র সচিব হয়েছি। ২০১৯ সালের চন্দনাইশের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক পদক পেয়েছি। বর্তমানে আমি বাজালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম এ প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছি।আমি মনে প্রানে বিশ্বাস করি আমার এই সকল পাওনার পেছনে আপনাদের সকলের দোয়া, ভালোবাসা ও আন্তরিকতার কারণে। আমি আমার জীবনে যতটুকু সফলতা অর্জন করেছি সবকিছু আমার মা বাবা, আমার ভাইয়েরা, প্রিয় শিক্ষার্থীরা, অভিভাবকেরা, আমার বন্ধু বান্ধবীরা ও আমার শুভাকাঙ্ক্ষীদের অবদান। আপনারা সবাই আমাকে আশীর্বাদ করবেন আমি যতদিন বেঁচে আছি সব সময় চেষ্টা করব আপনাদের পাশে থেকে আপনাদের জন্য কাজ করতে।

প্রধান শিক্ষক
বাজালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়
ধর্মপুর, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট