1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
 HSC এর পর দ্বিধাদ্বন্দ্ব: দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নাকি Study Abroad? চট্টগ্রামে ‘Talent Hunt 2026’:১০০-এর অধিক যুবকের কারিগরি প্রশিক্ষণে এনরোলমেন্ট ও প্রশিক্ষণ শেষে চাকরির উদ্যোগ শিমুল বড়ুয়ার জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসার আহ্বান চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন পটিয়ার সন্তান সাজ্জাদ হোসেন মৃত্যুঞ্জয়ী মৌলভী সৈয়দ শুধু বীরের নাম নয় ইতিহাস- তসলিম উদ্দীন রানা জাতীয় পর্যায়ের মার্শাল আর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ন্যাশনাল ইংলিশ স্কুল চিটাগং চকরিয়ায় পাহরচাঁদা মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় শতভাগ পাসের রেকর্ড অক্ষুণ্ণ, জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই শিক্ষার্থী ‘ভূজপুর ট্রাজেডি’র মামলা প্রত্যাহারে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিয়েছে ভূজপুর মজলুম ঐক্য পরিষদ পটিয়ায় শাহ্ আমির উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা আমিনুল হক তালুকদারের তৃতীয় মৃত্যু বার্ষিকী আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জামেয়া মহিলা কামিল মাদরাসার দাখিল-২৬ পরীক্ষায় ঈর্ষনীয় সাফল্য অব্যাহত ৬১ জন A+

আল্লাহর রাসূলের জীবনাদর্শ মানবজীবনের সকল ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করতে হবে -মাওলানা এম সোলাইমান কাসেমী

  • সময় বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৭১৬ পঠিত

 

লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী ১২দিনব্যাপী ৩৩তম মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিলের দশম দিবসে ইসলামী গবেষক মাওলানা এম সোলাইমান কাসেমী বলেন, মহানবী (সা.) গোটা সৃষ্টি জগতের জন্য রহমত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাদর্শ মানবজীবনের সকল ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানান। পদুয়া আইনুল উলূম দারুচ্ছুন্নাহ কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা আ ন ম নোমান’র সভাপতিত্বে ও মাহফিল কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম সাঈদীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিলে প্রধান ওয়ায়েজের আলোচনা পেশ করেন পিএইচ.ডি গবেষক হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মুহিউদ্দিন মাহবুব। বিশেষ ওয়ায়েজের আলোচনা পেশ করেন ইসলামী আলোচক মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল হাকিম। বক্তব্য রাখেন মাহফিল কমিটির প্রধান উপদেষ্টা হাফেজ মাওলানা আব্দুল ছবুর বেলালী, পরিচালক মাওলানা মহিউদ্দিন হেলালী, বিশিষ্ট সমাজসেবক আবুল হাশেম, মাওলানা শাহ মনছুর, জালাল উদ্দিন সওদাগর, মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিন, সৈয়দ নুর, মাস্টার মঈন উদ্দিন প্রমুখ।

মাহফিলের আলোচক মাওলানা এম সোলাইমান কাসেমী
বলেন, মহানবী (সা.) শিশুকাল থেকে ছিলেন শান্ত, নম্রভদ্র ও সৎচরিত্রবান। সত্যবাদিতার কারণে সে সময়ের লোকেরা তাঁকে আল-আমীন উপাধীতে ভূষিত করেছিলেন। যুবককালে তিনি সমাজের কল্যাণে ব্রতী ছিলেন। সেই সাথে তিনি সবাইকে মা-বাবার খেদমত করার অনুরোধ করেন।
প্রধান ওয়ায়েজ হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মুহিউদ্দিন মাহবুব বলেন, সমসাময়িকদের সঙ্গী বানিয়ে তৎকালীন সময়ে ‘হিলফুল ফুজুল’ নামক একটি সমাজকল্যাণ সংস্থা গঠন করেছিলেন। এই সংস্থার মাধ্যমে সমাজে শন্তি প্রতিষ্ঠায় আত্মনিয়োগ করেছিলেন। ৪০ বছর বয়সে রাসূল (সা.) আল্লাহর পক্ষ থেকে নবুওয়াত প্রাপ্ত হন। নবুওয়াত প্রাপ্তির পর তিনি মানুষকে কালেমার দাওয়াত দিতে লাগলেন। সর্বপ্রথম পরিজন ও নিকটজনদের মাঝে ঘোষণা করলেন, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ।” অর্থাৎ- “আল্লাহ তায়ালা ছাড়া আর কোন মাবুদ নেই, হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রাসূল।” মানুষকে বুঝালেন, এই কথাটি মুখে স্বীকার করা, অন্তরে বিশ্বাস করা এবং আল্লাহ তায়ালার বিধি-নিষেধ মেনে চলার মধ্যেই ইহ-পরকালীন সুখ-শান্তি নিহিত রয়েছে। এভাবে কালেমার বাণী প্রচার করে মানুষকে দ্বীনের পথে আহবান করেন। তিনি আরও বলেন, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সা.) বিশ্ববাসীর জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট