1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কবিতাঃ আমিও তো! – পিন্টু চৌধুরী ইউনাইটেড প্রেস ক্লাব চট্টগ্রাম’র কার্যকরী কমিটির অনুমোদন চাঁদাবাজির অভিযোগে নগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল আলমের ভাই ওয়াহিদুল আলম আটক বোয়ালখালীতে মনির আহম্মদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পবিত্র কোরআন শরীফ বিতরণ বিলুপ্তির পথে সমাজব্যবস্থা, বাড়ছে পারিবারিক কলহ। -আলমগীর আলম চলন্ত সিএনজিতে নারী শ্রমিককে ছিনতাই, মূল আসামী গ্রেফতার। কিডনি রোগী কল্যাণ সংস্থার ৬ষ্ট প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভায় ওয়াহিদ মালেক- “চট্টগ্রামে কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার ও পূর্ণাঙ্গ কিডনি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার কাজ চলছে।” বাংলাদেশে ইসলাম প্রচারে আউলিয়ায়ে কেরামের অবদান ও মাজার ভাঙার অশুভ প্রবণতা জয়পুরহাট সরকারি কলেজে অনার্স ফরম পূরণ ফি নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ, নাগরিক ছাত্র ঐক্যের প্রতিবাদ স্বামীর মৃত্যুর ২৬ ঘণ্টার ব্যবধানে স্ত্রীরও মৃত্যু, শোকে স্তব্ধ রাঙ্গুনিয়ার পরিবার

আল্লাহর রাসূলের জীবনাদর্শ মানবজীবনের সকল ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করতে হবে -মাওলানা এম সোলাইমান কাসেমী

  • সময় বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৬৪৩ পঠিত

 

লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী ১২দিনব্যাপী ৩৩তম মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিলের দশম দিবসে ইসলামী গবেষক মাওলানা এম সোলাইমান কাসেমী বলেন, মহানবী (সা.) গোটা সৃষ্টি জগতের জন্য রহমত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাদর্শ মানবজীবনের সকল ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানান। পদুয়া আইনুল উলূম দারুচ্ছুন্নাহ কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা আ ন ম নোমান’র সভাপতিত্বে ও মাহফিল কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম সাঈদীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিলে প্রধান ওয়ায়েজের আলোচনা পেশ করেন পিএইচ.ডি গবেষক হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মুহিউদ্দিন মাহবুব। বিশেষ ওয়ায়েজের আলোচনা পেশ করেন ইসলামী আলোচক মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল হাকিম। বক্তব্য রাখেন মাহফিল কমিটির প্রধান উপদেষ্টা হাফেজ মাওলানা আব্দুল ছবুর বেলালী, পরিচালক মাওলানা মহিউদ্দিন হেলালী, বিশিষ্ট সমাজসেবক আবুল হাশেম, মাওলানা শাহ মনছুর, জালাল উদ্দিন সওদাগর, মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিন, সৈয়দ নুর, মাস্টার মঈন উদ্দিন প্রমুখ।

মাহফিলের আলোচক মাওলানা এম সোলাইমান কাসেমী
বলেন, মহানবী (সা.) শিশুকাল থেকে ছিলেন শান্ত, নম্রভদ্র ও সৎচরিত্রবান। সত্যবাদিতার কারণে সে সময়ের লোকেরা তাঁকে আল-আমীন উপাধীতে ভূষিত করেছিলেন। যুবককালে তিনি সমাজের কল্যাণে ব্রতী ছিলেন। সেই সাথে তিনি সবাইকে মা-বাবার খেদমত করার অনুরোধ করেন।
প্রধান ওয়ায়েজ হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মুহিউদ্দিন মাহবুব বলেন, সমসাময়িকদের সঙ্গী বানিয়ে তৎকালীন সময়ে ‘হিলফুল ফুজুল’ নামক একটি সমাজকল্যাণ সংস্থা গঠন করেছিলেন। এই সংস্থার মাধ্যমে সমাজে শন্তি প্রতিষ্ঠায় আত্মনিয়োগ করেছিলেন। ৪০ বছর বয়সে রাসূল (সা.) আল্লাহর পক্ষ থেকে নবুওয়াত প্রাপ্ত হন। নবুওয়াত প্রাপ্তির পর তিনি মানুষকে কালেমার দাওয়াত দিতে লাগলেন। সর্বপ্রথম পরিজন ও নিকটজনদের মাঝে ঘোষণা করলেন, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ।” অর্থাৎ- “আল্লাহ তায়ালা ছাড়া আর কোন মাবুদ নেই, হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রাসূল।” মানুষকে বুঝালেন, এই কথাটি মুখে স্বীকার করা, অন্তরে বিশ্বাস করা এবং আল্লাহ তায়ালার বিধি-নিষেধ মেনে চলার মধ্যেই ইহ-পরকালীন সুখ-শান্তি নিহিত রয়েছে। এভাবে কালেমার বাণী প্রচার করে মানুষকে দ্বীনের পথে আহবান করেন। তিনি আরও বলেন, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সা.) বিশ্ববাসীর জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট