1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
লাইনে নয়, লগইনে ভোট: তরুণদের চোখে আগামীর নির্বাচন – সৈয়দ মিয়া হাসান নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের ইশতিহার বাস্তবায়ন কতটুকু? -আলমগীর আলম। দৈনিক সাঙ্গু লেখক ও পাঠক ফোরামের অভিষেক ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত লিও জেলা ৩১৫-বি৪ আয়োজিত লায়ন নাজমুল কবির খোকন মেমোরিয়াল স্পোর্টস টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত চন্দনাইশে ধানের শীষের প্রার্থী জসীম উদ্দীন আহমেদের সমর্থনে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল ইংলিশ স্কুল চিটাগাং’র উদ্যোগে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে ইনকিলাব মঞ্চের সড়ক অবরোধ একুশের চেতনা ও আজকের যুবসমাজ: উত্তরাধিকার নাকি আবেগ? – লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া চন্দনাইশে ধানের শীষের সমর্থনে ছাত্রদল নেতা আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ ‘তরুণ প্রজন্মের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক আলোচনা সভা

আল্লাহর রাসূলের জীবনাদর্শ মানবজীবনের সকল ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করতে হবে -মাওলানা এম সোলাইমান কাসেমী

  • সময় বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৫৫১ পঠিত

 

লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী ১২দিনব্যাপী ৩৩তম মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিলের দশম দিবসে ইসলামী গবেষক মাওলানা এম সোলাইমান কাসেমী বলেন, মহানবী (সা.) গোটা সৃষ্টি জগতের জন্য রহমত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাদর্শ মানবজীবনের সকল ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানান। পদুয়া আইনুল উলূম দারুচ্ছুন্নাহ কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা আ ন ম নোমান’র সভাপতিত্বে ও মাহফিল কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম সাঈদীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিলে প্রধান ওয়ায়েজের আলোচনা পেশ করেন পিএইচ.ডি গবেষক হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মুহিউদ্দিন মাহবুব। বিশেষ ওয়ায়েজের আলোচনা পেশ করেন ইসলামী আলোচক মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল হাকিম। বক্তব্য রাখেন মাহফিল কমিটির প্রধান উপদেষ্টা হাফেজ মাওলানা আব্দুল ছবুর বেলালী, পরিচালক মাওলানা মহিউদ্দিন হেলালী, বিশিষ্ট সমাজসেবক আবুল হাশেম, মাওলানা শাহ মনছুর, জালাল উদ্দিন সওদাগর, মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিন, সৈয়দ নুর, মাস্টার মঈন উদ্দিন প্রমুখ।

মাহফিলের আলোচক মাওলানা এম সোলাইমান কাসেমী
বলেন, মহানবী (সা.) শিশুকাল থেকে ছিলেন শান্ত, নম্রভদ্র ও সৎচরিত্রবান। সত্যবাদিতার কারণে সে সময়ের লোকেরা তাঁকে আল-আমীন উপাধীতে ভূষিত করেছিলেন। যুবককালে তিনি সমাজের কল্যাণে ব্রতী ছিলেন। সেই সাথে তিনি সবাইকে মা-বাবার খেদমত করার অনুরোধ করেন।
প্রধান ওয়ায়েজ হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মুহিউদ্দিন মাহবুব বলেন, সমসাময়িকদের সঙ্গী বানিয়ে তৎকালীন সময়ে ‘হিলফুল ফুজুল’ নামক একটি সমাজকল্যাণ সংস্থা গঠন করেছিলেন। এই সংস্থার মাধ্যমে সমাজে শন্তি প্রতিষ্ঠায় আত্মনিয়োগ করেছিলেন। ৪০ বছর বয়সে রাসূল (সা.) আল্লাহর পক্ষ থেকে নবুওয়াত প্রাপ্ত হন। নবুওয়াত প্রাপ্তির পর তিনি মানুষকে কালেমার দাওয়াত দিতে লাগলেন। সর্বপ্রথম পরিজন ও নিকটজনদের মাঝে ঘোষণা করলেন, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ।” অর্থাৎ- “আল্লাহ তায়ালা ছাড়া আর কোন মাবুদ নেই, হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রাসূল।” মানুষকে বুঝালেন, এই কথাটি মুখে স্বীকার করা, অন্তরে বিশ্বাস করা এবং আল্লাহ তায়ালার বিধি-নিষেধ মেনে চলার মধ্যেই ইহ-পরকালীন সুখ-শান্তি নিহিত রয়েছে। এভাবে কালেমার বাণী প্রচার করে মানুষকে দ্বীনের পথে আহবান করেন। তিনি আরও বলেন, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সা.) বিশ্ববাসীর জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট