1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বোয়ালখালী গোল্ডেন ভিসা প্রাপ্ত প্রবাসী ব্যবসায়ী রবিউল হোসেন’র সংবধর্না অনুষ্ঠানে বক্তারা “দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখে রেমিট্যান্স যোদ্ধারা” লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং কর্ণফুলী এলিটের নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হাওলা কুতুবিয়া সৈয়দা জাহানারা বেগম এতিমখানা ও হেফজখানার উদ্বোধন চট্টগ্রাম লিংক রোডে র‍্যাবের অভিযানে একরাম সুলতান গ্রেফতার চট্টগ্রাম-১১-এ বিজয়োত্তর ঐক্যের প্রদর্শন,দোয়া মাহফিল শেষে বিএনপি নেতাদের ফুলেল সংবর্ধনা ফরহাদুল হাসান মোস্তফা সভাপতি,ইঞ্জিনিয়ার মো: রহমত উল্লাহ সাধারণ সম্পাদক চট্টগ্রামের টেরিবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, আগুন নিয়ন্ত্রনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন: তারেক রহমানকে এডব্লিউসিআরএফ-এর অভিনন্দন নাচ, গান ও আবৃত্তিতে প্রত্যয়ের জমজমাট বসন্ত উৎসব পটিয়া স্টেশন রোড ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে বাৎসরিক ও রমজানের ক্যালেন্ডার বিতরণ।

আল্লাহর রাসূলের জীবনাদর্শ মানবজীবনের সকল ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করতে হবে -মাওলানা এম সোলাইমান কাসেমী

  • সময় বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৫৬০ পঠিত

 

লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী ১২দিনব্যাপী ৩৩তম মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিলের দশম দিবসে ইসলামী গবেষক মাওলানা এম সোলাইমান কাসেমী বলেন, মহানবী (সা.) গোটা সৃষ্টি জগতের জন্য রহমত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাদর্শ মানবজীবনের সকল ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানান। পদুয়া আইনুল উলূম দারুচ্ছুন্নাহ কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা আ ন ম নোমান’র সভাপতিত্বে ও মাহফিল কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ফখরুল ইসলাম সাঈদীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিলে প্রধান ওয়ায়েজের আলোচনা পেশ করেন পিএইচ.ডি গবেষক হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মুহিউদ্দিন মাহবুব। বিশেষ ওয়ায়েজের আলোচনা পেশ করেন ইসলামী আলোচক মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল হাকিম। বক্তব্য রাখেন মাহফিল কমিটির প্রধান উপদেষ্টা হাফেজ মাওলানা আব্দুল ছবুর বেলালী, পরিচালক মাওলানা মহিউদ্দিন হেলালী, বিশিষ্ট সমাজসেবক আবুল হাশেম, মাওলানা শাহ মনছুর, জালাল উদ্দিন সওদাগর, মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিন, সৈয়দ নুর, মাস্টার মঈন উদ্দিন প্রমুখ।

মাহফিলের আলোচক মাওলানা এম সোলাইমান কাসেমী
বলেন, মহানবী (সা.) শিশুকাল থেকে ছিলেন শান্ত, নম্রভদ্র ও সৎচরিত্রবান। সত্যবাদিতার কারণে সে সময়ের লোকেরা তাঁকে আল-আমীন উপাধীতে ভূষিত করেছিলেন। যুবককালে তিনি সমাজের কল্যাণে ব্রতী ছিলেন। সেই সাথে তিনি সবাইকে মা-বাবার খেদমত করার অনুরোধ করেন।
প্রধান ওয়ায়েজ হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মুহিউদ্দিন মাহবুব বলেন, সমসাময়িকদের সঙ্গী বানিয়ে তৎকালীন সময়ে ‘হিলফুল ফুজুল’ নামক একটি সমাজকল্যাণ সংস্থা গঠন করেছিলেন। এই সংস্থার মাধ্যমে সমাজে শন্তি প্রতিষ্ঠায় আত্মনিয়োগ করেছিলেন। ৪০ বছর বয়সে রাসূল (সা.) আল্লাহর পক্ষ থেকে নবুওয়াত প্রাপ্ত হন। নবুওয়াত প্রাপ্তির পর তিনি মানুষকে কালেমার দাওয়াত দিতে লাগলেন। সর্বপ্রথম পরিজন ও নিকটজনদের মাঝে ঘোষণা করলেন, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ।” অর্থাৎ- “আল্লাহ তায়ালা ছাড়া আর কোন মাবুদ নেই, হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রাসূল।” মানুষকে বুঝালেন, এই কথাটি মুখে স্বীকার করা, অন্তরে বিশ্বাস করা এবং আল্লাহ তায়ালার বিধি-নিষেধ মেনে চলার মধ্যেই ইহ-পরকালীন সুখ-শান্তি নিহিত রয়েছে। এভাবে কালেমার বাণী প্রচার করে মানুষকে দ্বীনের পথে আহবান করেন। তিনি আরও বলেন, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় মহানবী (সা.) বিশ্ববাসীর জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট