1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:২০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দক্ষিণ চট্টগ্রামের বন্যার্তদের মাঝে ৬০০ খাদ্য সহায়তা প্যাকেট বিতরণ সিলেটে বর্ণাঢ্য রথযাত্রা মহোৎসবে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার অনুরুদ্ধ দাস-এর সম্প্রীতির বার্তা বোয়ালখালী হাজী কবির আহমদ-আবু জাফর ফাউন্ডেশনের আয়োজনে দক্ষিণ চট্টগ্রামে বন্যা দূর্গত মানুষের মাঝে খাবার ও পানি বিতরণ পটিয়ায় বন্যার্তদের মাঝে এনসিপির উপহারসামগ্রী বিতরণ বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বাঁশখালীতে ২৫০ বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বাঁশখালীর বন্যার্তদের পাশে বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, ৬০০ মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ প্রবাসীর উদ্যোগে বোয়ালখালীতে ২৫০ পরিবারে ত্রাণ বিতরণ ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর নিয়ে ষড়যন্ত্র ও হরতাল নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ বোয়ালখালীর লবণ কারখানায় বিস্ফোরণ: দগ্ধ ১১ শ্রমিক, ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে ৮ জন চসিকের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটিতে যুব প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতকরণে যুব সংলাপ অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম আদালতের ১,৯১১ মামলার নথি গায়েব, থানায় জিডি

  • সময় সোমবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৪৮১ পঠিত

মোঃ মনিরুল ইসলাম রিয়াদ
চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধিঃ

চট্টগ্রাম আদালতের এক হাজার ৯১১টি মামলার নথির (কেস ডকেট বা সিডি) খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় রোববার (৫ জানুয়ারি) নগরের কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মফিজুল হক ভুঁইয়া।

নথিগুলো হত্যা, মাদক, চোরাচালান, বিস্ফোরণসহ বিভিন্ন মামলার। এসব নথি বিচারিক কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। কারণ নথি না থাকলে অপরাধ প্রমাণ করা কঠিন হবে।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, চট্টগ্রাম মহানগর পিপি কার্যালয়ে ২৮ থেকে ৩০টি আদালতের কেস ডকেট রক্ষিত ছিল। পিপি কার্যালয়ে জায়গা-স্বল্পতার কারণে ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল থেকে পিপি কার্যালয়ের সামনের বারান্দায় প্লাস্টিকের বস্তায় এক হাজার ৯১১টি মামলার কেস ডকেট পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় রাখা ছিল।

কিন্তু আদালতের অবকাশকালীন ছুটির সময় অফিস বন্ধ থাকায় গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নথিগুলো হারিয়ে গেছে। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সেগুলো পাওয়া যায়নি। বিষয়টি থানায় ডায়েরিভুক্ত করে রাখার জন্য আবেদন করা হলো।

এ বিষয়ে সরকারি কৌঁসুলি মফিজুল হক ভুঁইয়া বলেন, কে বা কারা এক হাজার ৯১১ মামলার সিডি নিয়ে গেল বুঝতে পারছেন না। গুরুত্বপূর্ণ মামলার নথিগুলো এত দিন বারান্দায় কেন রাখা হয়েছিল, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি কিছুদিন হলো দায়িত্ব নিয়েছি। নথিগুলো রাখার জন্য কক্ষ পাওয়া যাচ্ছে না। কক্ষ চাওয়া হয়েছিল। আমার কক্ষটি নথিতে ঠাসা হয়ে আছে।’

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল করিম বলেন, ‘মহানগর পিপির কার্যালয়ের সামনে রাখা এক হাজার ৯১১ মামলার নথি হারানোর ঘটনায় করা জিডির বিষয়ে তদন্ত করছে পুলিশ।’

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি নাজিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিচারিক কাজে সিডি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগপত্রের সঙ্গে আদালতে সিডি জমা দিতে হয়। মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তারা সিডিতে ধারাবাহিক তথ্য লিখে রাখেন। নথি থাকলে ৫ থেকে ১০ বছর পরও এ তথ্য ব্যবহার করতে সুবিধা হয়। যদি নথি না থাকে, তবে মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট