1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বান্দরবানের কৃষি উন্নয়নে এখনই সমন্বিত উদ্যোগ দরকার -সৈয়দ মিয়া হাসান জোয়ারা ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসা’র বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত বৃহত্তর সুন্নী জোটের প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহারে মাও. সোলাইমান ফারুকী মধ্যমপাড়ায় উঠান বৈঠকে ধানের শীষে ভোটের আহ্বান,আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর পক্ষে গণসংযোগ জোরদার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: চট্টগ্রাম-১১ আসনে ট্রাক প্রতীকে গনঅধিকার পরিষদের প্রার্থী ইঞ্জিঃ নেজাম উদ্দীন (আকাশ) চট্টগ্রাম বন্দর সচল রাখতে হার্ডলাইনে সরকার দক্ষিণ হালিশহরে ধানের শীষের সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শন,নির্বাচনী মাঠে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ডাক চন্দনাইশে হাশিমপুর ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জসীম উদ্দীনের সমর্থনে উঠান বৈঠক চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে আন্দোলন থামছেই না সংকট উত্তরণে কোন পথে সমাধান? -আলমগীর আলম। সম্মিলিত ৯৪ ক্রিয়েটার গ্রুপ অফ বাংলাদেশের উদ্যোগে হাস পার্টি, বন্ধুদের আড্ডা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম আদালতের ১,৯১১ মামলার নথি গায়েব, থানায় জিডি

  • সময় সোমবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৩৪৮ পঠিত

মোঃ মনিরুল ইসলাম রিয়াদ
চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধিঃ

চট্টগ্রাম আদালতের এক হাজার ৯১১টি মামলার নথির (কেস ডকেট বা সিডি) খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় রোববার (৫ জানুয়ারি) নগরের কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মফিজুল হক ভুঁইয়া।

নথিগুলো হত্যা, মাদক, চোরাচালান, বিস্ফোরণসহ বিভিন্ন মামলার। এসব নথি বিচারিক কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। কারণ নথি না থাকলে অপরাধ প্রমাণ করা কঠিন হবে।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, চট্টগ্রাম মহানগর পিপি কার্যালয়ে ২৮ থেকে ৩০টি আদালতের কেস ডকেট রক্ষিত ছিল। পিপি কার্যালয়ে জায়গা-স্বল্পতার কারণে ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল থেকে পিপি কার্যালয়ের সামনের বারান্দায় প্লাস্টিকের বস্তায় এক হাজার ৯১১টি মামলার কেস ডকেট পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় রাখা ছিল।

কিন্তু আদালতের অবকাশকালীন ছুটির সময় অফিস বন্ধ থাকায় গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নথিগুলো হারিয়ে গেছে। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সেগুলো পাওয়া যায়নি। বিষয়টি থানায় ডায়েরিভুক্ত করে রাখার জন্য আবেদন করা হলো।

এ বিষয়ে সরকারি কৌঁসুলি মফিজুল হক ভুঁইয়া বলেন, কে বা কারা এক হাজার ৯১১ মামলার সিডি নিয়ে গেল বুঝতে পারছেন না। গুরুত্বপূর্ণ মামলার নথিগুলো এত দিন বারান্দায় কেন রাখা হয়েছিল, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি কিছুদিন হলো দায়িত্ব নিয়েছি। নথিগুলো রাখার জন্য কক্ষ পাওয়া যাচ্ছে না। কক্ষ চাওয়া হয়েছিল। আমার কক্ষটি নথিতে ঠাসা হয়ে আছে।’

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল করিম বলেন, ‘মহানগর পিপির কার্যালয়ের সামনে রাখা এক হাজার ৯১১ মামলার নথি হারানোর ঘটনায় করা জিডির বিষয়ে তদন্ত করছে পুলিশ।’

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি নাজিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিচারিক কাজে সিডি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগপত্রের সঙ্গে আদালতে সিডি জমা দিতে হয়। মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তারা সিডিতে ধারাবাহিক তথ্য লিখে রাখেন। নথি থাকলে ৫ থেকে ১০ বছর পরও এ তথ্য ব্যবহার করতে সুবিধা হয়। যদি নথি না থাকে, তবে মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট