1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দুর্গাপূজায় কালিকা প্রসাদ স্মরণে রঙিনের কণ্ঠে ‘ঢাকের বোলে বাংলা দোলে’ মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান আলোকবর্তিকা মানব উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের নাগরিক গোলটেবিল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ১১ বছরে মাহফুজা, ৯ বছরে ইসরার-শৈশবেই পবিত্র কুরআন হিফজ সম্পন্ন নেত্রকোনায় সাংবাদিক আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা, তৃণমূল প্রেস সোসাইটির নিন্দা মাল্টিপল ডিস্ট্রিক্টের জয়েন্ট ট্রেজারার নির্বাচিত হওয়ায় লিও অভি আলম তুহিনকে সংবর্ধনা সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে জে এম সেন হল পূজা মণ্ডপে সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে লায়ন্স ও লিও ক্লাব ক্লাসিকের শিক্ষা, খাদ্য ও স্বাস্থ্যসামগ্রী বিতরণ প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ আহবায়ক, এডভোকেট আরমান আজাদ সদস্য সচিব; পটিয়া উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পটিয়ায় কাজ করতে গিয়ে পড়ে আহত কিশোরের মৃত্যু, শোকের ছায়া পরিবারে শারদীয় দুর্গা উৎসব উপলক্ষে সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় পরিবারগুলোর মুখে হাসি ফোটাতে পাশে দাঁড়িয়েছে সামাজিক সংগঠন প্রয়াস

চট্টগ্রাম আদালতের ১,৯১১ মামলার নথি গায়েব, থানায় জিডি

  • সময় সোমবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৫৮৬ পঠিত

মোঃ মনিরুল ইসলাম রিয়াদ
চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধিঃ

চট্টগ্রাম আদালতের এক হাজার ৯১১টি মামলার নথির (কেস ডকেট বা সিডি) খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় রোববার (৫ জানুয়ারি) নগরের কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মফিজুল হক ভুঁইয়া।

নথিগুলো হত্যা, মাদক, চোরাচালান, বিস্ফোরণসহ বিভিন্ন মামলার। এসব নথি বিচারিক কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। কারণ নথি না থাকলে অপরাধ প্রমাণ করা কঠিন হবে।

জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, চট্টগ্রাম মহানগর পিপি কার্যালয়ে ২৮ থেকে ৩০টি আদালতের কেস ডকেট রক্ষিত ছিল। পিপি কার্যালয়ে জায়গা-স্বল্পতার কারণে ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল থেকে পিপি কার্যালয়ের সামনের বারান্দায় প্লাস্টিকের বস্তায় এক হাজার ৯১১টি মামলার কেস ডকেট পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় রাখা ছিল।

কিন্তু আদালতের অবকাশকালীন ছুটির সময় অফিস বন্ধ থাকায় গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নথিগুলো হারিয়ে গেছে। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সেগুলো পাওয়া যায়নি। বিষয়টি থানায় ডায়েরিভুক্ত করে রাখার জন্য আবেদন করা হলো।

এ বিষয়ে সরকারি কৌঁসুলি মফিজুল হক ভুঁইয়া বলেন, কে বা কারা এক হাজার ৯১১ মামলার সিডি নিয়ে গেল বুঝতে পারছেন না। গুরুত্বপূর্ণ মামলার নথিগুলো এত দিন বারান্দায় কেন রাখা হয়েছিল, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি কিছুদিন হলো দায়িত্ব নিয়েছি। নথিগুলো রাখার জন্য কক্ষ পাওয়া যাচ্ছে না। কক্ষ চাওয়া হয়েছিল। আমার কক্ষটি নথিতে ঠাসা হয়ে আছে।’

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল করিম বলেন, ‘মহানগর পিপির কার্যালয়ের সামনে রাখা এক হাজার ৯১১ মামলার নথি হারানোর ঘটনায় করা জিডির বিষয়ে তদন্ত করছে পুলিশ।’

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি নাজিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিচারিক কাজে সিডি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগপত্রের সঙ্গে আদালতে সিডি জমা দিতে হয়। মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তারা সিডিতে ধারাবাহিক তথ্য লিখে রাখেন। নথি থাকলে ৫ থেকে ১০ বছর পরও এ তথ্য ব্যবহার করতে সুবিধা হয়। যদি নথি না থাকে, তবে মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট