1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় সাম্প্রতিক প্রবল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দি মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ মিরসরাই ট্র্যাজেডিতে নিহতদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৩৯ : চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায়১০ লাখ মানুষ বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে নিরলস মানবিক মানুষ নুরুল আমিন চৌধুরী আরমান। সাতকানিয়ায় চারদিকে বন্যার পানি,কবর দেওয়ার মত জায়গা নেই, কলাগাছের ভেলায় ভাসিয়ে দাফন! ভয়াবহ বন্যায় ভেসে যাচ্ছে দক্ষিণ চট্টগ্রাম: মোস্তানছিরুল হক চৌধুরী প্রাকৃতিক দূর্যোগ বন্যা মোকাবেলায় করণীয় ও সচেতনতা -মহিউদ্দীন কাদের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে মানবিক সহায়তার হাত বাড়ালেন এস. এম. আহসানুল কবির চৌধুরী (টিটু) পটিয়া স্টেশন রোড ব্যবসায়ী সমিতির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশসহ ৭ দেশকে সুখবর দিল সৌদি, মিলবে ৪৮ ঘণ্টায় সুবিধা

থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা এবং বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করেছে এন.ওয়াই.এম. ইয়ুথ ফাউন্ডেশন।

  • সময় শুক্রবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৪৫৮ পঠিত

“স্রষ্টার সৃষ্টির সেবায় আমাদের আত্নতৃপ্তির মিশন”শ্লোগানে, মুহাব্বত ঐক্য শৃঙ্খলা সুশিক্ষা ত্যাগ ও সেবা মুলনীতির উপর ভিত্তি করে, আর্ত মানবতার সেবায় নিবেদিত,সরকারি নিবন্ধিত, দক্ষিণ চট্টগ্রামের অরাজনৈতিক যুব উন্নয়ন ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এন.ওয়াই.এম.(নুরজাহান ইয়াছিন মেমোরিয়াল) ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে জঙ্গি বিরোধী সমাবেশ, থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা, বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও স্বাস্থ্য ক্যাম্প অনুষ্টিত হয়েছে।

১০ নভেম্বর ২৩ ইংরেজি তারিখ সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত কানাইমাদারি আলহাজ্ব ড. কর্ণেল অলি আহমেদ উচ্চ বিদ্যালয়ে এই সব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মুহাম্মদ জয়নুল আবেদীন (আফমাস) সাংগঠনিক সম্পাদক ও এন.ওয়াই.এম. ব্লাড ব্যাংকের পরিচালক তৌহিদুল ইসলাম ইমন,আবিদ বিন হারুন সংগঠনের কার্যকরী পরিষদের সদস্য যথাক্রমে মুহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন, সাবরিনা চৌধুরী সামিয়া, তাসফিয়া তাহসিন ,ইসমাইল হোসেন, মুহাম্মদ সাজিদ উদ্দিন সহ উক্ত এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এ সময় বক্তারা বলেন “থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা খুবই জরুরি। সচেতনতা ও পর্যাপ্ত স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া রোগ নির্ণয় করে এই রোগের হার কমিয়ে আনা যেতে পারে। স্বামী-স্ত্রী দুজনের যেকোনো একজন যদি সম্পূর্ণ সুস্থ থাকেন, সে ক্ষেত্রে নবজাতকের থ্যালাসেমিক হওয়ার আশঙ্কা থাকে না। তবে তারা বাহক হতে পারে।

এই রোগের বাহকদের মধ্যে বিয়ে নিরুৎসাহ করার মাধ্যমে নতুন থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত শিশুর জন্ম কমিয়ে ফেলা সম্ভব। আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ে নিরুৎসাহ করতে হবে। যেসব স্বামী-স্ত্রী দুজনই এ রোগের বাহক বা যাঁদের এক বা একাধিক থ্যালাসেমিক শিশু আছে, তাঁরা গর্ভস্থ ভ্রূণ পরীক্ষার মাধ্যমে থ্যালাসেমিক শিশু নির্ণয় এবং তা পরিহার করতে পারেন। মনে রাখবেন, গর্ভাবস্থায় ১৬ থেকে ১৮ সপ্তাহের মধ্যে পরীক্ষাটি করালে ভালো ফল আসতে পারে।”

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট