1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৫:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের রত্নগর্ভা মা সম্মাননায়: সুশিক্ষিত জাতি গঠনের পেছনে সুশিক্ষিত মায়ের বিকল্প নেই -প্রফেসর হাসিনা জাকারিয়া চট্টগ্রামে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ বন্দুকভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে নানিয়ারচর সেনা জোনের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে এনসিপি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ; উপাচার্য, চাকসু ও শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময়। চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের সভায় বক্তারা “চট্টগ্রাম জলাবদ্ধার স্থায়ী নিরসনের লক্ষ্যে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা আবশ্যক” জলাবদ্ধতা ও চট্টগ্রাম: নগর পরিকল্পনার সীমাবদ্ধতা এবং উত্তরণের পথরেখা – লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় সন্ত্রাসী হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ, মামলার পরও গ্রেপ্তার নেই, নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী গুমান মর্দ্দনের কৃতি সন্তান এডভোকেট আবু মোহাম্মদ ইয়াহইয়ার ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং–এর ৬৮তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন মৌলভীবাজারে সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বঙ্গোপসাগরে ১৩ মাঝি মাল্লা নিয়ে নিখোঁজ ফিশিং বোর্ড।

  • সময় মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৫৬৫ পঠিত

মোঃ মনিরুল ইসলাম রিয়াদ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের আনোয়ারার সরেঙ্গা ঘাট থেকে ১৩ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে ‘মা জননী’ নামে একটি ফিশিং ট্রলার গত পাঁচদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। এরই মধ্যে ট্রলারটি খুঁজতে আনোয়ারার উপকূল থেকে আরেকটি ট্রলার পাঠানো হয়েছে। কিন্তু ফিশিং ট্রলারটির কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

গত বুধবার (৩ জানুয়ারি) রাত আটটার দিকে সরেঙ্গা ঘাট থেকে জীবিকা নির্বাহ করার জন্য রওনা দেয় ট্রলারটি। ট্রলারে ১৩ মাঝিমাল্লা ছিলেন। তাদের মধ্যে আব্দুল মান্নান, আলী হোসেন, জালাল, দেলোয়ার, রায়হান। এবং ট্রলারটি মাঝি ছিলেন, কালু মাঝি প্রমুখ রয়েছেন।

ট্রলারটির মালিক মো. নিজাম উদ্দিন ও ওবাইদুল হক মুন্না বলেন, ‘ট্রলার রওনা দেওয়ার সময় ট্রলারে ১৫ দিনের খাবার দেওয়া হয়। বুধবার রাতে রওনা দেওয়ার পর শুক্রবার তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তখন তারা আমাদের জানিয়েছিলেন ট্রলারের ইঞ্চিলের সমস্যা হয়েছে ট্রলার চলছে না। তারা এখন পানিতে ভাসছে। তখন তারা সেন্টমার্টিনের বাইরে ও টেকনাফের কাছাকাছি ৩০ ভিউ পানিতে (জেলেদের নিজস্ব ভাষা) নেটওয়ার্কের মধ্যে অবস্থান করছিলেন বলে জানান। পরে তখনই তাদের উদ্দেশ্যে আমরা আরেকটা ট্রলার পাঠাই। ট্রলারটি তিনদিন ধরে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের খোঁজ পাইনি। বিষয়টি আমরা নৌ-পুলিশকে জানিয়েছি।’

গহিরা নৌ পুলিশের ইনচার্জ মো. ফারুক বলেন, ট্রলার নিখোঁজের বিষয়টা আমি শুনছি তবে কেউ লিখিতভাবে জানায়নি। আমি কোস্টগার্ড সাঙ্গু স্টেশনকে অবহিত করেছি। আমরা নির্বাচনী দায়িত্বে ছিলাম।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট