1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কর্ণফুলী নদীতে হঠাৎ ঝড়ো হাওয়ার কবলে পড়ে কনিকা দাশ নামে নববধূ নিখোঁজ। পটিয়া-শিকলবাহায় বাস-মাহিন্দ্রা সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত অন্তত ৩৫ ধর্ষণের কারণ ও সমাধানের পথ  -মোহাম্মদ ইমাদ উদ্দীন  পটিয়া রেলওয়ে স্টেশনে ইবাদত খানা উদ্বোধন যাত্রীসেবায় এপেক্স ক্লাব অব পটিয়ার মানবিক উদ্যোগ মূল্যবোধের শিক্ষায় সুন্দর জীবন ও শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব বিশ্ব শান্তি নীতি প্রতিযোগিতা বাংলাদেশের পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন নান্দনিক চট্টলার উদ্যোগে ছায়াছন্দ গুণীজন সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সম্পত্তির জন্য সৎ মা ও ভাইকে হত্যা, ০২ বছর পর সিআইডি কর্তৃক রহস্য উদঘাটন কোরবানি উপলক্ষে পটিয়ায় মানবতার বন্ধনের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ। বেস্ট বাংলা ট্র্যাভেলস এন্ড ট্যুরসের উপদেষ্টা মনোনীত হলেন সংগঠক মোহাম্মদ আলী রাসূলুল্লাহ(দ.)’র প্রতি সম্মান ও ভালবাসা সফলতার সোপান -সৈয়্যদা আফরা

বঙ্গোপসাগরে ১৩ মাঝি মাল্লা নিয়ে নিখোঁজ ফিশিং বোর্ড।

  • সময় মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৫৮০ পঠিত

মোঃ মনিরুল ইসলাম রিয়াদ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের আনোয়ারার সরেঙ্গা ঘাট থেকে ১৩ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে ‘মা জননী’ নামে একটি ফিশিং ট্রলার গত পাঁচদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। এরই মধ্যে ট্রলারটি খুঁজতে আনোয়ারার উপকূল থেকে আরেকটি ট্রলার পাঠানো হয়েছে। কিন্তু ফিশিং ট্রলারটির কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

গত বুধবার (৩ জানুয়ারি) রাত আটটার দিকে সরেঙ্গা ঘাট থেকে জীবিকা নির্বাহ করার জন্য রওনা দেয় ট্রলারটি। ট্রলারে ১৩ মাঝিমাল্লা ছিলেন। তাদের মধ্যে আব্দুল মান্নান, আলী হোসেন, জালাল, দেলোয়ার, রায়হান। এবং ট্রলারটি মাঝি ছিলেন, কালু মাঝি প্রমুখ রয়েছেন।

ট্রলারটির মালিক মো. নিজাম উদ্দিন ও ওবাইদুল হক মুন্না বলেন, ‘ট্রলার রওনা দেওয়ার সময় ট্রলারে ১৫ দিনের খাবার দেওয়া হয়। বুধবার রাতে রওনা দেওয়ার পর শুক্রবার তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তখন তারা আমাদের জানিয়েছিলেন ট্রলারের ইঞ্চিলের সমস্যা হয়েছে ট্রলার চলছে না। তারা এখন পানিতে ভাসছে। তখন তারা সেন্টমার্টিনের বাইরে ও টেকনাফের কাছাকাছি ৩০ ভিউ পানিতে (জেলেদের নিজস্ব ভাষা) নেটওয়ার্কের মধ্যে অবস্থান করছিলেন বলে জানান। পরে তখনই তাদের উদ্দেশ্যে আমরা আরেকটা ট্রলার পাঠাই। ট্রলারটি তিনদিন ধরে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের খোঁজ পাইনি। বিষয়টি আমরা নৌ-পুলিশকে জানিয়েছি।’

গহিরা নৌ পুলিশের ইনচার্জ মো. ফারুক বলেন, ট্রলার নিখোঁজের বিষয়টা আমি শুনছি তবে কেউ লিখিতভাবে জানায়নি। আমি কোস্টগার্ড সাঙ্গু স্টেশনকে অবহিত করেছি। আমরা নির্বাচনী দায়িত্বে ছিলাম।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট