1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ০৮:০২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে পটিয়ায় যুবদলের দোয়া মাহফিল যুক্তরাজ্যের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশি উপাচার্য ওসামা খানের নিয়োগ মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও সরঞ্জামাদি উদ্ধার, অস্ত্রকারিগর আটক এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জলবায়ু প্রভাব মোকাবেলায় নারী ও শিশু সমাবেশ অনুষ্ঠিত সেবার আলোকবর্তিকা: পটিয়া এপেক্স ক্লাবের বছরব্যাপী কর্মকাণ্ডে সামাজিক পরিবর্তনে প্রভাব কবিতা: বাউল -মুহাম্মদ আকতার উদ্দিন পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান আদর্শ ছাত্র ও যুব সমাজ এবং বহরপুর ছাত্র যুব ঐক্য ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প রক্তের গ্রুপ নির্ণয় অনুষ্ঠিত। বোয়ালখালীতে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ উপলক্ষে প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত রাঙ্গামাটিতে পিআইবির ৩ দিনব্যাপী ডিজিটাল মিডিয়া বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু

মহেশখালীতে  লালশাক চাষে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার পথে চাষীরা

  • সময় বুধবার, ৩১ আগস্ট, ২০২২
  • ২৯৬ পঠিত
সরওয়ার কামাল মহেশখালীঃ
মহেশখালী উপজেলার বড় মহেশখালী, ছোট মহেশখালী, হোয়ানক, কুতুবজোম,শাপলাপুর ইউনিয়নে  লালশাক চাষ করে অর্থনৈতিক ভাবে ও  সফল উদ্যোক্তা হওয়ার সপ্ন দেখেছেন চাষীরা। হোয়ানক ইউনিয়নের কেরুনতলী এলাকার চাষী শফিউল করিম  চলতি মৌসুমে ৪৪ শতক জমিতে লাল শাক চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় লালশাক বিক্রি করে বেশ লাভবান হবেন বলে জানান এই চাষী।
বড় মহেশখালী ও হোয়ানকে কৃষি খাতে নিরব বিপ্লব ঘটেছে। শুধু ধান চাষ করতো। কিন্তু এখন স্থানীয় অনেক চাষী আধুনিক পদ্ধতিতে নানা জাতের লালশাক উৎপাদন করছে। আর সেখান থেকে বীজ উৎপাদন করে আয় করছে লাখ লাখ টাকা। লাভের মুখ দেখায় চাষীদের  মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই লাল শাকের বীজ। মহেশখালী উপজেলায় প্রায় ১৩০ হেক্টর জমিতে এ বছর উচ্চফলনশীল লালশাকের আবাদ করা হয়েছে। পরে এসব শাক থেকে বীজ উৎপাদন করা হবে।
লাল শাক চাষী ও তরুন উদ্যোক্তা হোয়ানক ইউনিয়নের চাষী শফিউল করিম বলেন, আমি আগে আমার এই জমিতে ধান চাষ করতাম। কিন্তু এভাবে যে লাল শাকের বীজ উৎপাদন করে লাভবান হওয়া যায়, তা কখনো ভাবিনি। এলাকার অন্য চাষীদের  দেখে আমিও বীজ উৎপাদন শুরু করি। যদিও শুরুতে শুধুমাত্র ২৪ শতক জমিতে চাষ করেছিলাম, এখন ৪৪ শতক জমিতে চাষ করি। আমার খরচ হয়েছে ৫ হাজার টাকা। বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে ৫০ থেকে ৫২ হাজার টাকা। পাশাপাশি ধনিয়া, মুলা, ঢেঁড়স এবং ধান চাষ করেছি অন্য জমিতে। এই বীজ উৎপাদনে সুবিধা হচ্ছে এতে বেশি সময় লাগেনা। আবার পুঁজি ও খুব কম। কিন্তু লাভ অনেক বেশি। মহেশখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, লালশাক ও বীজ উৎপাদন বদলে দিয়েছে গ্রামীণ অর্থনীতির চিত্র। এসব গ্রামের চাষীরা।  এখন লাল শাক ও বীজ উৎপাদনে অনেক বেশি অভিজ্ঞ। এছাড়া কৃষিকাজের  ক্ষেত্রে তাদের যে ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজন হয় তার সবটুকুই আমাদের কাছ থেকে পায়।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট