1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কুরআনের পাখি থেকে পথচারী উষ্ণতার মানবিক দৃষ্টান্ত স্বপ্নছোঁয়া ফাউন্ডেশন গাউসিয়া কমিটি সারজাহ শাখার নবগঠিত পরিষদের অভিষেক ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ৩৩০ দুষ্কৃতিকারীকে চট্টগ্রামে প্রবেশ-অবস্থান নিষিদ্ধ করলেন সিএমপি কমিশনার দক্ষিণ বাকলিয়া এলাকায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আগত রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। চট্টগ্রামে চেয়ারম্যান বাড়ি থেকে বিপুল অস্ত্র উদ্ধার, দুই ভাই গ্রেফতার আল আইন রাউজান ঐক্য পরিষদ সভাপতি আজগর চৌধুরীর মাতৃবিয়োগ : গিয়াস কাদের চৌধুরীর শোক প্রকাশ পাহাড়তলীতে সঙ্গীতম সাংস্কৃতিক একাডেমীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুরষ্কার বিতরণী সাফল্যের গৌরবময় ২৫ বছরে শাওলিন কুংফু এন্ড উশু একাডেমির জয়তজয়ন্তী পালিত চট্টগ্রাম নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে, চসিক মেয়র আনোয়ারায় বেড়িবাঁধ রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ভারী ট্রাক চলাচল বন্ধ ও নদীপথ ব্যবহারের আহ্বান এলাকাবাসীর

মহেশখালীতে  লালশাক চাষে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার পথে চাষীরা

  • সময় বুধবার, ৩১ আগস্ট, ২০২২
  • ৩৩৬ পঠিত
সরওয়ার কামাল মহেশখালীঃ
মহেশখালী উপজেলার বড় মহেশখালী, ছোট মহেশখালী, হোয়ানক, কুতুবজোম,শাপলাপুর ইউনিয়নে  লালশাক চাষ করে অর্থনৈতিক ভাবে ও  সফল উদ্যোক্তা হওয়ার সপ্ন দেখেছেন চাষীরা। হোয়ানক ইউনিয়নের কেরুনতলী এলাকার চাষী শফিউল করিম  চলতি মৌসুমে ৪৪ শতক জমিতে লাল শাক চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় লালশাক বিক্রি করে বেশ লাভবান হবেন বলে জানান এই চাষী।
বড় মহেশখালী ও হোয়ানকে কৃষি খাতে নিরব বিপ্লব ঘটেছে। শুধু ধান চাষ করতো। কিন্তু এখন স্থানীয় অনেক চাষী আধুনিক পদ্ধতিতে নানা জাতের লালশাক উৎপাদন করছে। আর সেখান থেকে বীজ উৎপাদন করে আয় করছে লাখ লাখ টাকা। লাভের মুখ দেখায় চাষীদের  মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই লাল শাকের বীজ। মহেশখালী উপজেলায় প্রায় ১৩০ হেক্টর জমিতে এ বছর উচ্চফলনশীল লালশাকের আবাদ করা হয়েছে। পরে এসব শাক থেকে বীজ উৎপাদন করা হবে।
লাল শাক চাষী ও তরুন উদ্যোক্তা হোয়ানক ইউনিয়নের চাষী শফিউল করিম বলেন, আমি আগে আমার এই জমিতে ধান চাষ করতাম। কিন্তু এভাবে যে লাল শাকের বীজ উৎপাদন করে লাভবান হওয়া যায়, তা কখনো ভাবিনি। এলাকার অন্য চাষীদের  দেখে আমিও বীজ উৎপাদন শুরু করি। যদিও শুরুতে শুধুমাত্র ২৪ শতক জমিতে চাষ করেছিলাম, এখন ৪৪ শতক জমিতে চাষ করি। আমার খরচ হয়েছে ৫ হাজার টাকা। বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে ৫০ থেকে ৫২ হাজার টাকা। পাশাপাশি ধনিয়া, মুলা, ঢেঁড়স এবং ধান চাষ করেছি অন্য জমিতে। এই বীজ উৎপাদনে সুবিধা হচ্ছে এতে বেশি সময় লাগেনা। আবার পুঁজি ও খুব কম। কিন্তু লাভ অনেক বেশি। মহেশখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, লালশাক ও বীজ উৎপাদন বদলে দিয়েছে গ্রামীণ অর্থনীতির চিত্র। এসব গ্রামের চাষীরা।  এখন লাল শাক ও বীজ উৎপাদনে অনেক বেশি অভিজ্ঞ। এছাড়া কৃষিকাজের  ক্ষেত্রে তাদের যে ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজন হয় তার সবটুকুই আমাদের কাছ থেকে পায়।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট