1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শ্রীদাম চন্দ্রের স্মরণসভায় বক্তারা- “শিক্ষক শ্রীদাম চন্দ্র নাথ সমাজের অনুকরণীয় আদর্শ” পেকুয়ায় মসজিদের ইমাকে রাজকীয়ভাবে বিদায়ী সম্মাননা দিয়েছেন এলাকাবাসী পরিবেশ রক্ষায় কঠোর আইন প্রণয়নের দাবি চসিক মেয়রের আলাউদ্দিন আরাফাত’র চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা–কর্ণফুলী) আসনে আমজনতার দলের নমিনেশন পেপার সংগ্রহ ঈদগাঁও প্রেসক্লাবের ২৬ তম বর্ষপূর্তি উদযাপন পানছড়িতে তিন ভারতীয় নাগরিক আটক গোপন চোরাপথে ঢুকে পালানোর চেষ্টা ব্যর্থ যৌথবাহিনীর অভিযানে ধরা চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের রাজস্ব কর্মকর্তার উপর হামলায় দুজন গ্রেফতার সিমেন্ট ক্রসিংয়ে ‘ইউথ ইউনিটি রান”শফিউল আলমকে ঘিরে তরুণদের শক্তির জাগরণ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাস্থবায়ন প্রশিক্ষণ হিট ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম এর আয়োজনে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন সাংবাদিক রফিকুল ইসলামের মায়ের ইন্তেকাল

মহেশখালীতে  লালশাক চাষে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার পথে চাষীরা

  • সময় বুধবার, ৩১ আগস্ট, ২০২২
  • ৩০৬ পঠিত
সরওয়ার কামাল মহেশখালীঃ
মহেশখালী উপজেলার বড় মহেশখালী, ছোট মহেশখালী, হোয়ানক, কুতুবজোম,শাপলাপুর ইউনিয়নে  লালশাক চাষ করে অর্থনৈতিক ভাবে ও  সফল উদ্যোক্তা হওয়ার সপ্ন দেখেছেন চাষীরা। হোয়ানক ইউনিয়নের কেরুনতলী এলাকার চাষী শফিউল করিম  চলতি মৌসুমে ৪৪ শতক জমিতে লাল শাক চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় লালশাক বিক্রি করে বেশ লাভবান হবেন বলে জানান এই চাষী।
বড় মহেশখালী ও হোয়ানকে কৃষি খাতে নিরব বিপ্লব ঘটেছে। শুধু ধান চাষ করতো। কিন্তু এখন স্থানীয় অনেক চাষী আধুনিক পদ্ধতিতে নানা জাতের লালশাক উৎপাদন করছে। আর সেখান থেকে বীজ উৎপাদন করে আয় করছে লাখ লাখ টাকা। লাভের মুখ দেখায় চাষীদের  মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই লাল শাকের বীজ। মহেশখালী উপজেলায় প্রায় ১৩০ হেক্টর জমিতে এ বছর উচ্চফলনশীল লালশাকের আবাদ করা হয়েছে। পরে এসব শাক থেকে বীজ উৎপাদন করা হবে।
লাল শাক চাষী ও তরুন উদ্যোক্তা হোয়ানক ইউনিয়নের চাষী শফিউল করিম বলেন, আমি আগে আমার এই জমিতে ধান চাষ করতাম। কিন্তু এভাবে যে লাল শাকের বীজ উৎপাদন করে লাভবান হওয়া যায়, তা কখনো ভাবিনি। এলাকার অন্য চাষীদের  দেখে আমিও বীজ উৎপাদন শুরু করি। যদিও শুরুতে শুধুমাত্র ২৪ শতক জমিতে চাষ করেছিলাম, এখন ৪৪ শতক জমিতে চাষ করি। আমার খরচ হয়েছে ৫ হাজার টাকা। বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে ৫০ থেকে ৫২ হাজার টাকা। পাশাপাশি ধনিয়া, মুলা, ঢেঁড়স এবং ধান চাষ করেছি অন্য জমিতে। এই বীজ উৎপাদনে সুবিধা হচ্ছে এতে বেশি সময় লাগেনা। আবার পুঁজি ও খুব কম। কিন্তু লাভ অনেক বেশি। মহেশখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, লালশাক ও বীজ উৎপাদন বদলে দিয়েছে গ্রামীণ অর্থনীতির চিত্র। এসব গ্রামের চাষীরা।  এখন লাল শাক ও বীজ উৎপাদনে অনেক বেশি অভিজ্ঞ। এছাড়া কৃষিকাজের  ক্ষেত্রে তাদের যে ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজন হয় তার সবটুকুই আমাদের কাছ থেকে পায়।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট