1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
যুক্তরাজ্যের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশি উপাচার্য ওসামা খানের নিয়োগ মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও সরঞ্জামাদি উদ্ধার, অস্ত্রকারিগর আটক এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জলবায়ু প্রভাব মোকাবেলায় নারী ও শিশু সমাবেশ অনুষ্ঠিত সেবার আলোকবর্তিকা: পটিয়া এপেক্স ক্লাবের বছরব্যাপী কর্মকাণ্ডে সামাজিক পরিবর্তনে প্রভাব কবিতা: বাউল -মুহাম্মদ আকতার উদ্দিন পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান আদর্শ ছাত্র ও যুব সমাজ এবং বহরপুর ছাত্র যুব ঐক্য ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প রক্তের গ্রুপ নির্ণয় অনুষ্ঠিত। বোয়ালখালীতে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ উপলক্ষে প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত রাঙ্গামাটিতে পিআইবির ৩ দিনব্যাপী ডিজিটাল মিডিয়া বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু রাঙ্গামাটি বাকছড়িতে বসতঘর আগুনে পুড়ে যাওয়া পরিবারের পাশে নানিয়ারচর সেনা জোন

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার এবং অবৈধ পাচার রোধে সোচ্চার হই -লায়ন মোঃ আবু ছালেহ্

  • সময় মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০২৪
  • ২৭৯ পঠিত

 

২৬ জুন আন্তর্জাতিক মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী দিবস। ১৯৮৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভায় দিনটিকে মাদক বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়। এর মূল লক্ষ্য হল মানব সম্প্রদায়কে মাদকদ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করা।
বাংলাদেশে প্রকৃত মাদকাসক্তের সংখ্যা নিয়ে কোন সঠিক পরিসংখ্যান নেই। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রয়ণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী,বাংলাদেশে মাদকাসক্ত ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ। এর মধ্যে ৪০ লাখই তরুণ। এই বাস্তবতায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করছে। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় প্রতিরোধ বা ‘প্রিভেনশন’। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, মাদক বিরোধী সংগঠন ও বেসরকারি সংস্থাগুলো র্যালি, সভা, সেমিনারসহ সারা দেশে নানা কর্মসূচি পালন করছে।তিনভাবে মাদক প্রতিরোধ কার্যক্রম চলছে। একটি অপারেশনাল, যার মাধ্যমে মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারীদের গ্রেফতার করে কোর্টে জমা দেওয়া হয়। আরেকটি হলো উদ্বুদ্ধুকরণ, যার মাধ্যমে মাদকবিরোধী প্রচারণা চালানো হয়। তৃতীয়টি হচ্ছে চিকিৎসা, যার মাধ্যমে মাদকের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। এ ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না।প্রতি জেলায় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র থাকা উচিত। সরকারি কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র ৪০ বেড থেকে ৫০ বেডে উন্নীত করা হয়েছে। বর্তমানে এটি ২৫০ বেডে উন্নীত করার কাজ চলছে। মাদকাসক্ত এই জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী মাদকের অবাধ বিস্তার রোধে মাদকবিরোধী আইনের যথাযথ প্রয়োগের পাশাপাশি মাদক নিরোধ-শিক্ষা ও সচেতনতা সৃষ্টি এবং ব্যাপক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার উপর জোর দেন সরকার। আসুন মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার এবং অবৈধ পাচার রোধে সোচ্চার হই।

লেখকঃ সমাজকর্মী ও সংগঠক

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট