1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রাজপথের লড়াই বনাম ড্রয়িংরুমের আধিপত্য: ত্যাগী কর্মীদের অস্তিত্বের সংকট ও সমসাময়িক বাস্তবতা — প্রফেসর ড. আসিফ মিজান অবিলম্বে খুনি ধর্ষকদের ফাঁসির রায় কার্যকর করার আহবান-বা, ই, ছাত্রসেনা চিটাগং ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভা অনুষ্ঠিত গীতাধ্বনির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যুগ্ম-সচিব সুমন বড়ুয়া “গীতাশিক্ষা মানুষের মধ্যে মানবিক চেতনার উন্মেষ ঘটায়” “শিশুর রক্তে আর কতবার জেগে উঠবে রাষ্ট্রের বিবেক?” ‘আছিয়া থেকে রামিসা: বিচারহীনতার রাজনীতি আর কতদিন?’ -প্রফেসর ড. আসিফ মিজান। সাতকানিয়ায় শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত ফরিদা ইয়াছমিন আমিরাতে প্রবাসী সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন ক্ষমতার রাজনীতি নয়, মানুষের রাজনীতি করুন: মোস্তানছিরুল হক চৌধুরী স্বপ্নের রাজা লায়ন- ” স্বপ্নের তরী কাটাছরা ” -মোঃ ফেরদাউস আলম। কবিতাঃ বিচারহীনতা -মো: ওসমান হোসেন সাকিব

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার এবং অবৈধ পাচার রোধে সোচ্চার হই -লায়ন মোঃ আবু ছালেহ্

  • সময় মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০২৪
  • ৩৯২ পঠিত

 

২৬ জুন আন্তর্জাতিক মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী দিবস। ১৯৮৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভায় দিনটিকে মাদক বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়। এর মূল লক্ষ্য হল মানব সম্প্রদায়কে মাদকদ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করা।
বাংলাদেশে প্রকৃত মাদকাসক্তের সংখ্যা নিয়ে কোন সঠিক পরিসংখ্যান নেই। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রয়ণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী,বাংলাদেশে মাদকাসক্ত ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ। এর মধ্যে ৪০ লাখই তরুণ। এই বাস্তবতায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করছে। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় প্রতিরোধ বা ‘প্রিভেনশন’। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, মাদক বিরোধী সংগঠন ও বেসরকারি সংস্থাগুলো র্যালি, সভা, সেমিনারসহ সারা দেশে নানা কর্মসূচি পালন করছে।তিনভাবে মাদক প্রতিরোধ কার্যক্রম চলছে। একটি অপারেশনাল, যার মাধ্যমে মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারীদের গ্রেফতার করে কোর্টে জমা দেওয়া হয়। আরেকটি হলো উদ্বুদ্ধুকরণ, যার মাধ্যমে মাদকবিরোধী প্রচারণা চালানো হয়। তৃতীয়টি হচ্ছে চিকিৎসা, যার মাধ্যমে মাদকের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। এ ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না।প্রতি জেলায় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র থাকা উচিত। সরকারি কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র ৪০ বেড থেকে ৫০ বেডে উন্নীত করা হয়েছে। বর্তমানে এটি ২৫০ বেডে উন্নীত করার কাজ চলছে। মাদকাসক্ত এই জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী মাদকের অবাধ বিস্তার রোধে মাদকবিরোধী আইনের যথাযথ প্রয়োগের পাশাপাশি মাদক নিরোধ-শিক্ষা ও সচেতনতা সৃষ্টি এবং ব্যাপক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার উপর জোর দেন সরকার। আসুন মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার এবং অবৈধ পাচার রোধে সোচ্চার হই।

লেখকঃ সমাজকর্মী ও সংগঠক

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট