1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডে মৃত্যুফাঁদ: দুর্ঘটনা নাকি নিরাপত্তার ব্যর্থতা? – লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে পটিয়ায় এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ “স্ট্রিট ফুডের (ভাসমান খাবারের দোকান) স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং এর জন্য আইনি তদারকি নিশ্চিতকরণ” বিষয়ক সেমিনার পটিয়ায় হযরত বদর আউলিয়া ইবতেদায়ী মাদ্রাসার একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন CLUB 94 BD এর উদ্যোগে হেদায়েত উল্লাহ তুর্কীর জন্মদিন পালিত পটিয়ায় তোহা খুনের সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, এলাকাবাসীর মানববন্ধন বিশিষ্ট কলামিস্ট ও সমাজকর্মী নেছার আহমেদ খানের বড় ভাই রফিক আহমেদ খানের মৃত্যুতে শোক এসএসসিতে সেরা ফল: শতভাগ পাসের শীর্ষে হাজেরা মেমোরিয়াল মডেল স্কুল জীবন্ত শিশুর মাথায় ছাদ নেই, অথচ রাষ্ট্রের কোটি টাকা ইট পাথরের স্থাপনায় — এ কেমন অগ্রাধিকার? তীব্র গরমে চা শ্রমিকদের পাশে ইস্পাহানী’র জেরিন চা বাগান ব্যবস্থাপক

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার এবং অবৈধ পাচার রোধে সোচ্চার হই -লায়ন মোঃ আবু ছালেহ্

  • সময় মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০২৪
  • ৪৩৩ পঠিত

 

২৬ জুন আন্তর্জাতিক মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী দিবস। ১৯৮৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভায় দিনটিকে মাদক বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়। এর মূল লক্ষ্য হল মানব সম্প্রদায়কে মাদকদ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করা।
বাংলাদেশে প্রকৃত মাদকাসক্তের সংখ্যা নিয়ে কোন সঠিক পরিসংখ্যান নেই। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রয়ণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী,বাংলাদেশে মাদকাসক্ত ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ। এর মধ্যে ৪০ লাখই তরুণ। এই বাস্তবতায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করছে। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় প্রতিরোধ বা ‘প্রিভেনশন’। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, মাদক বিরোধী সংগঠন ও বেসরকারি সংস্থাগুলো র্যালি, সভা, সেমিনারসহ সারা দেশে নানা কর্মসূচি পালন করছে।তিনভাবে মাদক প্রতিরোধ কার্যক্রম চলছে। একটি অপারেশনাল, যার মাধ্যমে মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারীদের গ্রেফতার করে কোর্টে জমা দেওয়া হয়। আরেকটি হলো উদ্বুদ্ধুকরণ, যার মাধ্যমে মাদকবিরোধী প্রচারণা চালানো হয়। তৃতীয়টি হচ্ছে চিকিৎসা, যার মাধ্যমে মাদকের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। এ ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না।প্রতি জেলায় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র থাকা উচিত। সরকারি কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র ৪০ বেড থেকে ৫০ বেডে উন্নীত করা হয়েছে। বর্তমানে এটি ২৫০ বেডে উন্নীত করার কাজ চলছে। মাদকাসক্ত এই জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী মাদকের অবাধ বিস্তার রোধে মাদকবিরোধী আইনের যথাযথ প্রয়োগের পাশাপাশি মাদক নিরোধ-শিক্ষা ও সচেতনতা সৃষ্টি এবং ব্যাপক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার উপর জোর দেন সরকার। আসুন মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার এবং অবৈধ পাচার রোধে সোচ্চার হই।

লেখকঃ সমাজকর্মী ও সংগঠক

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট