1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পটিয়ায় ১২ দিনের ব্যবধানে আবারও অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার শ্রীমাই খালে মিলল যুবকের মরদেহ দুর্যোগের আগেই প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে ইপসার ‘সুরক্ষা’ প্রকল্পের যাত্রা শুরু বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস : প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ – ড. সবুজ বড়ুয়া শুভ কোরআনের আলোয় আলোকিত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার আলহাজ্ব মনির আহমদ ফাউন্ডেশনের সাতকানিয়ায় মারফলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অভিষেক ও কৃতি সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ফটিকছড়ি জনকল্যাণ পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত। চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পার্কভিউ হসপিটালের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম “শানে আউলিয়া ও বড়পীর আব্দুল কাদের জিলানী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর জীবন ও কর্ম ” -মাহমুদা মুশতারী বেকারত্ব দিন দিন যুব সমাজকে ছুরি-ছিনতাইয়ের পথে ঠেলে দিচ্ছে কৃষক, ক্ষুদ্রঋণ ও গ্রামীণ উদ্যোক্তা: কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ব্যাংকিং খাতের ভূমিকা

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার এবং অবৈধ পাচার রোধে সোচ্চার হই -লায়ন মোঃ আবু ছালেহ্

  • সময় মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০২৪
  • ৪৫৫ পঠিত

 

২৬ জুন আন্তর্জাতিক মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী দিবস। ১৯৮৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভায় দিনটিকে মাদক বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়। এর মূল লক্ষ্য হল মানব সম্প্রদায়কে মাদকদ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করা।
বাংলাদেশে প্রকৃত মাদকাসক্তের সংখ্যা নিয়ে কোন সঠিক পরিসংখ্যান নেই। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রয়ণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী,বাংলাদেশে মাদকাসক্ত ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ। এর মধ্যে ৪০ লাখই তরুণ। এই বাস্তবতায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করছে। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় প্রতিরোধ বা ‘প্রিভেনশন’। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, মাদক বিরোধী সংগঠন ও বেসরকারি সংস্থাগুলো র্যালি, সভা, সেমিনারসহ সারা দেশে নানা কর্মসূচি পালন করছে।তিনভাবে মাদক প্রতিরোধ কার্যক্রম চলছে। একটি অপারেশনাল, যার মাধ্যমে মাদক ব্যবসায়ী ও চোরাকারবারীদের গ্রেফতার করে কোর্টে জমা দেওয়া হয়। আরেকটি হলো উদ্বুদ্ধুকরণ, যার মাধ্যমে মাদকবিরোধী প্রচারণা চালানো হয়। তৃতীয়টি হচ্ছে চিকিৎসা, যার মাধ্যমে মাদকের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। এ ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না।প্রতি জেলায় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র থাকা উচিত। সরকারি কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র ৪০ বেড থেকে ৫০ বেডে উন্নীত করা হয়েছে। বর্তমানে এটি ২৫০ বেডে উন্নীত করার কাজ চলছে। মাদকাসক্ত এই জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী মাদকের অবাধ বিস্তার রোধে মাদকবিরোধী আইনের যথাযথ প্রয়োগের পাশাপাশি মাদক নিরোধ-শিক্ষা ও সচেতনতা সৃষ্টি এবং ব্যাপক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার উপর জোর দেন সরকার। আসুন মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার এবং অবৈধ পাচার রোধে সোচ্চার হই।

লেখকঃ সমাজকর্মী ও সংগঠক

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট