1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
অজানা স্থানে লুকিয়ে আছে জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব কর্মকর্তা হত্যাকারী ইয়াসিন ও ফারুক পটিয়ার আলমগীর আলম এপেক্স বাংলাদেশের ‘বেস্ট প্রেসিডেন্ট’ নির্বাচিত। ২ লাখ টন এলএনজি’র বড় চালান নিয়ে চট্টগ্রামে আসছে ৩ জাহাজ এসএসসি ’৯১ চট্টগ্রাম বিভাগের ঈদ আড্ডা বান্দরবানে: বন্ধুত্বে মিলনমেলা, মানবিক উদ্যোগ জোরদারের প্রত্যয় দোহাজারীতে লোকনাথ মন্দিরের দ্বার উন্মোচন ও শ্রী বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠা চন্দনাইশে কানাইমাদারী প্রজ্ঞালোক কমপ্লেক্সে স্মৃতিসভা, গুণীজন সংবর্ধনা ও বৌদ্ধ সম্মেলনে জসীম উদ্দীন আহমেদ এমপি “প্রতিভা থেকে নেতৃত্বে: জাতীয় ট্যালেন্ট হান্ট কর্মসূচির পুনর্জাগরণে আগামীর বাংলাদেশ” শাওয়ালের ছয় রোযাঃ সারাবছর রোযা  রাখার সাওয়াব -মাওলানা মুহাম্মদ বোরহান উদ্দিন চকবাজারে ব্যবসায়ীর বাসায় গুলি ছুঁড়ে চাঁদাবাজি: র‍্যাবের হাতে মূল আসামি গ্রেফতার রাউজানে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাইপগান ও কার্তুজ উদ্ধার

অজানা স্থানে লুকিয়ে আছে জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব কর্মকর্তা হত্যাকারী ইয়াসিন ও ফারুক

  • সময় শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৬ পঠিত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

র‌্যাব কর্মকর্তাকে হত্যা, সাংবাদিকদের ওপর হামলা,পাহাড় কর্তন, প্লট বাণিজ্য,অস্ত্র, মাদক, অপহরণ, খুন সহ এমন কোনো অপরাধ নেই যা করেনি সীতাকুন্ডের জঙ্গল সলিমপুর আলিনগরের দখলবাজ দুই আপন ভাই ইয়াছিন ও ওমর ফারুক,প্রতিদিন অভিযান চালিয়েও ধরতে পারছে না প্রশাসন!

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় দীর্ঘ বছর ধরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসা দুই আপন ভাই মো. ইয়াছিন ও মো. ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে। নোয়াখালীর সেনবাগ থেকে আসা এই দুই ভাই যে একদিন রিকশা ও টেম্পু চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন, সেই দুই ভাই আজ শত শত কোটি টাকার সরকারি জমি দখল করে,পাহাড় কেটে প্লট বাণিজ্য করে, মানুষ খুন করে, অস্ত্র ও মাদক ব্যবসা চালিয়ে গড়ে তুলেছেন এক বিশাল সন্ত্রাসী সাম্রাজ্য।বর্তমানে প্রশাসনের চলমান অভিযানে ভয় পেয়ে এই দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী পাহাড়ের গহিনে বাংকারে লুকিয়ে আছেন বলে স্থানীয় সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে একাধিক থানায় বিশটিরও বেশি মামলা রয়েছে,যার মধ্যে খুন, অস্ত্র, বিস্ফোরক, পরিবেশ আইন লঙ্ঘন, সরকারি কর্মকর্তার উপর হামলাসহ গুরুতর সব অপরাধ অন্তর্ভুক্ত। এলাকার সচেতন মহলে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরছে, এই ধরনের শীর্ষ সন্ত্রাসীরা বাংলাদেশের বুকে এতদিন ধরে কীভাবে অবাধে অপরাধ করে চলেছে আর প্রশাসন কী করছিল? মানুষ খুন করা ইয়াসিন ও ওমর ফারুক এর নেশা এবং পেশা।

মো. ওমর ফারুকের বয়স ৪০ বছর। তার পিতার নাম মৃত শামশুল হক। তার স্থায়ী ঠিকানা হলো গ্রাম সলিমপুর, আলীনগর, ডাকঘর জাফরাবাদ, ১নং ওয়ার্ড, ১০নং সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা ও থানা সীতাকুন্ড, জেলা চট্টগ্রাম। এছাড়াও তার আরেকটি স্থায়ী ঠিকানা রয়েছে, যা হলো গ্রাম কেশারপাড়, শামসুল হকের বাড়ি, উপজেলা ও থানা সেনবাগ, জেলা নোয়াখালী।

অন্যদিকে মো. ইয়াছিনের বয়স ৫৩ বছর। তার পিতার নাম মৃত সামশুল হক। তার ঠিকানা হলো গ্রাম জঙ্গল সলিমপুর, ছিন্নমূল আলী নগর, থানা সীতাকুন্ড, জেলা চট্টগ্রাম। এই দুই ভাই একই পিতার সন্তান এবং একই এলাকায় তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। স্থানীয়রা ইয়াছিনকে স্বঘোষিত বনের রাজা ও কুকি-চিন কুন কাং খুনি ইয়াছিন বলে চেনে। তার আরেকটি নতুন লকব হলো “ফুংফাং ইয়াছিন”। এলাকার মানুষের মুখে মুখে এখন একটি কথা ঘুরছে,উড়ছে পাখি দিচ্ছে ডাক, কুকি-চিন ইয়াছিন ধরা খাক। ফারুক ও ইয়াসিন এর গোপনে বাসভবন রয়েছে নগরীর হামজারবাগে।

জঙ্গল সলিমপুরের ছিন্নমূল এলাকার একজন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন যে ওমর ফারুক ও ইয়াছিন মূলত নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। একটা সময়ে তারা নোয়াখালী থেকে এসে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় অবস্থান নেন। প্রথম দিকে তারা একেবারে ছিন্নমূল অবস্থায় ছিলেন। জীবিকার তাগিদে শুরুতে রিকশা চালাতেন, এরপর টেম্পু চালানো শুরু করেন। ধীরে ধীরে তারা সীতাকুন্ডের জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগর এলাকায় আস্তানা গড়ে তোলেন। সেই আলীনগরে অবস্থান নেওয়ার পরই শুরু হয় তাদের অপরাধ জগতের বিস্তার।

এই দুই ভাই মিলে একটি বিশাল সন্ত্রাসী গ্রুপ তৈরি করেন। অভিযোগ রয়েছে যে তাদের লালিত-পালিত ২০০ জনেরও বেশি সন্ত্রাসী রয়েছে এবং প্রত্যেকেই অস্ত্র বানানোর কারিগর। এই গ্রুপ গড়ে তোলার পর শুরু হয় সরকারি পাহাড় কর্তন, সরকারি জায়গা-জমি দখল এবং জাল দলিলপত্র তৈরির মাধ্যমে সম্পত্তি আত্মসাতের কার্যক্রম। পাহাড় কেটে শত শত প্লট তৈরি করে সেগুলো বিক্রির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ বাণিজ্য চালিয়ে আসছেন তারা। অভিযোগ রয়েছে যে জঙ্গল সলিমপুরে তাদের কথাই ছিল শেষ কথা এবং তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পেত না।

মো. ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানা ও হাটহাজারী থানায় মোট ২০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।এর বাইরেও বিভিন্ন থানায় আরো একাধিক মামলা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

মামলা নং ১:চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার এফআইআর নং ১০, তারিখ ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ১৮৬, ৩৩২, ৩৩৩, ৩৫৩, ৩০৭ ও ৪২৭ প্রয়োগ করা হয়েছে। অর্থাৎ দাঙ্গা, বেআইনি সমাবেশ, সরকারি কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদান, স্বেচ্ছায় আঘাত, সরকারি কর্মচারীকে আহত করা, সরকারি কর্মচারীর উপর আক্রমণ এবং হত্যার চেষ্টাসহ গুরুতর সব অপরাধের অভিযোগ এনে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।মামলা নং ২:চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার এফআইআর নং ১১, তারিখ ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে দায়ের করা এই মামলায় ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ধারা ৩-ক প্রয়োগ করা হয়েছে। বিস্ফোরক দ্রব্য তৈরি, সংরক্ষণ ও ব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এই মামলায়।

মামলা নং ৩:চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার এফআইআর নং ৪০, তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২২ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ১৮৬, ১৮৯, ৩৩২, ৩৩৩, ৩৫৩ ও ৪২৭ প্রয়োগ করা হয়েছে। সরকারি কর্মচারীকে হুমকি প্রদর্শনসহ একাধিক গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।মামলা নং ৪:চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার এফআইআর নং ৩৩, তারিখ ২৪ আগস্ট ২০২২ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ১৮৬, ৩৩২, ৩৩৩, ৩৫৩ ও ৪২৭ প্রয়োগ করা হয়েছে। দাঙ্গা থেকে শুরু করে সরকারি কর্মচারীর উপর আক্রমণ পর্যন্ত বিস্তৃত এই মামলার অভিযোগ।মামলা নং ৫: চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার এফআইআর নং ৩৮, তারিখ ২৪ আগস্ট ২০২২ সালে দায়ের করা এই মামলায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ধারা ১৫(৩) প্রয়োগ করা হয়েছে। বিশেষ ক্ষমতা আইনের আওতায় রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলা নং ৬: চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার এফআইআর নং ৩৭, তারিখ ২৪ আগস্ট ২০২২।
মামলা নং ৭:চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার এফআইআর নং ৩৬, তারিখ ২৪ আগস্ট ২০২২ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ১৮৬, ৩৩২, ৩৩৩, ৩৫৩ ও ৪২৭ প্রয়োগ করা হয়েছে।মামলা নং ৮:চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার এফআইআর নং ৩৫, তারিখ ২৪ আগস্ট ২০২২ সালে দায়ের করা এই মামলায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ধারা ১৫(৩) প্রয়োগ করা হয়েছে।মামলা নং ৯:চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার এফআইআর নং ৩৪, তারিখ ২৪ আগস্ট ২০২২ সালে দায়ের করা এই মামলায় ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ধারা ৩-ক প্রয়োগ করা হয়েছে।মামলা নং ১০:চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার এফআইআর নং ২২/৩২০, তারিখ ১৭ আগস্ট ২০২২ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৩, ৪৪৭, ৪২৭ ও ১৮৯ প্রয়োগ করা হয়েছে। বেআইনি সমাবেশ, ক্ষতিসাধন এবং হুমকির অভিযোগ রয়েছে এতে।মামলা নং ১১:চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার এফআইআর নং ২১/৩১৯, তারিখ ১৭ আগস্ট ২০২২ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৩, ৪৪৭ ও ৩৭৯ প্রয়োগ করা হয়েছে। অর্থাৎ বেআইনি সমাবেশ, অননুমতিতে প্রবেশ ও চুরির অভিযোগ এনে এই মামলা দায়ের করা হয়।
মামলা নং ১২:চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার এফআইআর নং ৫, তারিখ ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮, ৩৮০, ৪৩৬, ৪২৭ ও ৫০৬ প্রয়োগ করা হয়েছে। বেআইনি সমাবেশ, গৃহে অননুমতিতে প্রবেশ, সম্পত্তি ক্ষতিসাধন, আগুন লাগানো এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এই মামলায়।মামলা নং ১৩:চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার এফআইআর নং ২০, তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৩, ৩৮৫, ৪৪৭, ৪৪৮, ৩৮০, ৪২৭ ও ৫০৬ প্রয়োগ করা হয়েছে। চাঁদাবাজি, অননুমতিতে প্রবেশ, চুরি ও ভয়ভীতির অভিযোগ রয়েছে এতে।মামলা নং ১৪:চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার এফআইআর নং ৩৪, তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০২৫ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৩, ১৪৪, ১৪৯, ১৮৬, ৩৩২, ৩৫৩, ৩২৩, ৩০৭, ৩৭৯, ৪২৭ ও ৩৪ প্রয়োগ করা হয়েছে। হত্যার চেষ্টা, সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনে বাধা, চুরি ও দলবদ্ধভাবে অপরাধ করার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।মামলা নং ১৫:চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার এফআইআর নং ৮, তারিখ ০৮ জুন ২০২৪ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১০৯, ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮, ৩২৩, ৩৮৫, ৪৩৫, ৩৮০, ৪২৭ ও ৫০৬ প্রয়োগ করা হয়েছে। অপরাধে উৎসাহিত করা, সম্পত্তিতে আগুন লাগানো, চুরি, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে।

মামলা নং ১৬:চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার এফআইআর নং ২১, তারিখ ১৩ মে ২০২৪ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৩, ৪৪৭, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ৪২৭, ১১৪, ৫০৬ ও ৩৪ প্রয়োগ করা হয়েছে। বিপজ্জনক অস্ত্র দিয়ে স্বেচ্ছায় আঘাত, অ্যাসিড বা বিপজ্জনক পদার্থ দিয়ে আঘাত করার মতো চরম নৃশংস অপরাধের অভিযোগ রয়েছে এই মামলায়।মামলা নং ১৭:চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার এফআইআর নং ৪/৩০২, তারিখ ০৩ আগস্ট ২০২২ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৩, ৩৪১, ৩২৩, ৩২৫, ৩০৭, ৩৭৯ ও ৪২৭ প্রয়োগ করা হয়েছে।মামলা নং ১৮: চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার এফআইআর নং ৩১/২৮৩, তারিখ ২৫ জুলাই ২০২২ সালে দায়ের করা এই মামলায় ১৯৯৫ সালের বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের ধারা ১৫(১) টেবিলের ৫/১২ প্রয়োগ করা হয়েছে। পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে পাহাড় কর্তন ও পরিবেশ ধ্বংসের অভিযোগে এই মামলা।মামলা নং ১৯: চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার এফআইআর নং ২০/২৭২, তারিখ ১৯ জুলাই ২০২২ সালে দায়ের করা এই মামলায় ১৯৯৫ সালের বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের ধারা ৫ প্রয়োগ করা হয়েছে।মামলা নং ২০:চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার এফআইআর নং ১৮/২৭০, তারিখ ১৬ জুলাই ২০২২ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৩, ৩৪১, ৩২৩, ৩২৫, ৩০৭, ৩৭৯, ৪২৭ ও ৫০৬ প্রয়োগ করা হয়েছে।

বড় ভাই মো. ইয়াছিনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানা, হাটহাজারী থানা ও নোয়াখালীর সেনবাগ থানায় মোট ২১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন থানায় আরো একাধিক মামলা রয়েছে তার নামে।মামলা নং ১:চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার মামলা নং ৩১, তারিখ ২৫ জুলাই ২০২২ সালে দায়ের করা এই মামলায় ১৯৯৫ সালের বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের ধারা ১৫(১) টেবিলের ৫/১২ প্রয়োগ করা হয়েছে। পাহাড় কর্তন ও পরিবেশ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।মামলা নং ২:চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার মামলা নং ২০, তারিখ ১৯ জুলাই ২০২২ সালে দায়ের করা এই মামলায় ১৯৯৫ সালের বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের ধারা ৫ প্রয়োগ করা হয়েছে।মামলা নং ৩:চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার মামলা নং ১৮, তারিখ ১৬ জুলাই ২০২২ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৩, ৩৪১, ৩২৩, ৩২৫, ৩০৭, ৩৭৯, ৪২৭ ও ৫০৬ প্রয়োগ করা হয়েছে।মামলা নং ৪: চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার মামলা নং ২৩, তারিখ ২১ জানুয়ারি ২০১৪ সালে দায়ের করা এই মামলায় ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ধারা ১৯(ক) প্রয়োগ করা হয়েছে। অবৈধ অস্ত্র রাখার গুরুতর অভিযোগে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলা নং ৫:চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার মামলা নং ১৩, তারিখ ০৮ এপ্রিল ২০১৩ সালে দায়ের করা এই মামলায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ধারা ১৫(১)(ক) এবং তৎসহ পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৩, ৩৪১, ৪২৭ ও ১০৯ প্রয়োগ করা হয়েছে।মামলা নং ৬:চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার মামলা নং ১৪, তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০১২ সালে দায়ের করা এই মামলায় ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ধারা ৩ এবং তৎসহ পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ৩৪১, ৩৫৩, ১৮৬ ও ৪২৭ প্রয়োগ করা হয়েছে। বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে সরকারি কর্মচারীর উপর হামলার অভিযোগ রয়েছে।মামলা নং ৭:চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার মামলা নং ৩৫, তারিখ ২৭ মে ২০১০ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৩, ৪৪৮, ৪৩৬, ৩৭৯, ৩৮০, ৪২৭, ৩২৩ ও ৫০৬ প্রয়োগ করা হয়েছে।মামলা নং ৮:চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার মামলা নং ১৬, তারিখ ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪০, ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ১৮৬, ৫০৬ ও ৩৪ প্রয়োগ করা হয়েছে।মামলা নং ৯:চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার মামলা নং ২৫, তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ১৮৬, ৩৩২, ৩৩৩, ৩৫৩ ও ১০৯ প্রয়োগ করা হয়েছে। সরকারি কর্মচারীকে মারাত্মক আঘাত করার অভিযোগ রয়েছে এই মামলায়।মামলা নং ১০: চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার মামলা নং ২৬, তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ সালে দায়ের করা এই মামলায় ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ধারা ৩এ/৬ প্রয়োগ করা হয়েছে।মামলা নং ১১:চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার মামলা নং ২০, তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৩, ৩৮৫, ৪৪৭, ৪৪৮, ৩৮০, ৪২৭ ও ৫০৬ প্রয়োগ করা হয়েছে।মামলা নং ১২:চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার মামলা নং ০৪, তারিখ ০১ জানুয়ারি ২০২৫ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৩, ১৪৪, ১৪৯, ১৮৬, ৩৩২, ৩৫৩, ৩২৩, ৩০৭, ৩৭৯, ৪২৭ ও ৩৪ প্রয়োগ করা হয়েছে।মামলা নং ১৩: চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার মামলা নং ১৬, তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০১৫ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ৩৯৯ ও ৪০২ প্রয়োগ করা হয়েছে। অর্থাৎ ডাকাতির প্রস্তুতি ও ডাকাতির উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এই মামলায়।
মামলা নং ১৪:চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার মামলা নং ২৮, তারিখ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১০ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৩, ৩৪১, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩০৭, ৩৭৯, ৫০৬ ও ৩৪ প্রয়োগ করা হয়েছে।
মামলা নং ১৫: চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার মামলা নং ২২, তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০০৯ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪০, ৪৪৮, ৩২৩, ৪২৭, ৩৪১, ৫০৬ ও ৩৮০ প্রয়োগ করা হয়েছে।
মামলা নং ১৬:চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার মামলা নং ১৩, তারিখ ০৫ অক্টোবর ২০২৫ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ৩০২ ও ৩৪ প্রয়োগ করা হয়েছে। অর্থাৎ সরাসরি হত্যার মামলা। এটি এই দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলাগুলোর একটি।

মামলা নং ১৭: নোয়াখালী জেলার সেনবাগ থানার মামলা নং ১২, তারিখ ০৬ অক্টোবর ২০১৫ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৩, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩০৭, ৩৭৯, ৩৫৪ ও ৫০৬ প্রয়োগ করা হয়েছে। নিজের স্থায়ী জেলা নোয়াখালীতেও তিনি একাধিক গুরুতর অপরাধ করেছেন বলে প্রমাণিত হয় এই মামলার মাধ্যমে।
মামলা নং ১৮:চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানার মামলা নং ৮, তারিখ ০৮ জুন ২০২৪ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১০৯, ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮, ৩২৩, ৩৮৫, ৪৩৫, ৩৮০, ৪২৭ ও ৫০৬ প্রয়োগ করা হয়েছে।

মামলা নং ১৯:চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার মামলা নং ২, তারিখ ০২ এপ্রিল ২০২২ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ৩৯৯ ও ৪০২ প্রয়োগ করা হয়েছে। ডাকাতির প্রস্তুতির এই মামলা ইয়াছিনের অপরাধী চরিত্রকে আরো স্পষ্ট করে তোলে।মামলা নং ২০:চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার মামলা নং ৩৭, তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০২৫ সালে দায়ের করা এই মামলায় পেনাল কোড ১৮৬০ এর ধারা ১৪৭, ৩৪১, ৩৬৪ ও ৩৪ এবং ৩০২ ও ৩৪ প্রয়োগ করা হয়েছে। অপহরণ ও হত্যার মতো চরম অপরাধের অভিযোগ রয়েছে এই মামলায়।
মামলা নং ২১:চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার মামলা নং ১৩, তারিখ ০৫ অক্টোবর ২০২৫ সালে দায়ের করা এই মামলাটিও পেনাল কোড ১৮৬০ এর হত্যা সংক্রান্ত ধারায় দায়ের করা হয়েছে।

ইয়াছিন ও ওমর ফারুকের অপরাধের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা হলো র‌্যাব-৭, চট্টগ্রামের কর্মকর্তাদের উপর সশস্ত্র হামলার ঘটনা। র‌্যাব-৭ এর একটি দল এলাকায় অভিযান চালাতে আসলে ইয়াছিন, ওমর ফারুক ও তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী একযোগে ঝাঁপিয়ে পড়ে র‌্যাব কর্মকর্তাদের উপর। অস্ত্রের আঘাতে একজন র‌্যাব কর্মকর্তার প্রাণ চলে যায়। আরো বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা মারাত্মকভাবে আহত হন। এখনো বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা অসুস্থ অবস্থায় বিছানায় পড়ে আছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপর এই ধরনের সশস্ত্র হামলা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণার সামিল বলে মনে করছেন সচেতন মহলের মানুষ।

শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নয়, সাংবাদিকদের উপরও হামলা চালিয়েছে ইয়াছিন ও ওমর ফারুকের সন্ত্রাসী বাহিনী। কিছুদিন আগে কয়েকজন সাংবাদিক জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে ইয়াছিন ও ওমর ফারুকের সন্ত্রাসী বাহিনী দফায় দফায় তাদের উপর হামলা চালায়। সত্য সংবাদ প্রকাশে বাধা দিতে এভাবে সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনা এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছে। এইসব সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকরা কলম চালালে সত্য প্রকাশ করলে,ভুয়া ফেসবুক আইডি দিয়ে আক্রমণ চালায় এবং হত্যাও হুমকি দিয়ে থাকেন। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনের নামে একজন সাংবাদিক অভিযোগও করেন থানায়।

তথ্যসূত্র জানাচ্ছে যে ইয়াছিন ও ওমর ফারুক সীতাকুন্ডের জঙ্গল সলিমপুর ও আশেপাশের এলাকায় সরকারি পাহাড় কেটে শত শত প্লট তৈরি করেছেন। জাল দলিলপত্র তৈরি করে এসব সরকারি জায়গার মালিকানা নিজেদের নামে নিয়ে সেগুলো বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভুয়া জালিয়াতির মাধ্যমে দলিলপত্র তৈরি করে এই অবৈধ জমির কারবার চালানো হয়। পাহাড় কর্তনের কারণে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে, যার প্রমাণ মেলে ইয়াছিন ও ওমর ফারুক উভয়ের বিরুদ্ধে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে দায়ের করা একাধিক মামলায়। এখনো আলিনগরে পাহাড় কাটার বেশ কিছু গাড়ি ও যন্ত্রাংশ দেখা গেছে।

স্থানীয় সূত্র ও মামলার বিবরণ থেকে স্পষ্ট যে ইয়াছিন ও ওমর ফারুক মানুষ খুন করা, রাহাজানি, সরকারি জমি দখল, পাহাড় কাটা, প্লট বাণিজ্য, অপহরণ, মাদক ও অস্ত্র সরবরাহ করাসহ এমন কোনো অপরাধ নেই যা তারা করেনি। ২০০৯ সাল থেকে শুরু করে ২০২৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ষোলো বছরেরও বেশি সময় ধরে একের পর এক মামলায় তাদের নাম আসছে। অস্ত্র আইন, বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, বিশেষ ক্ষমতা আইন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ও পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। হত্যার মামলা থেকে শুরু করে পরিবেশ আইন লঙ্ঘনের মামলা পর্যন্ত সব ধরনের অপরাধের রেকর্ড রয়েছে তাদের।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন যে জঙ্গল সলিমপুরে ইয়াছিন ও ওমর ফারুকের কথাই ছিল শেষ কথা। তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস দেখাত না। দুই শত জনেরও বেশি সন্ত্রাসীর একটি বিশাল বাহিনী গড়ে তুলেছেন তারা এবং এই বাহিনীর প্রত্যেক সদস্যই অস্ত্র বানানোর কারিগর। এলাকায় তাদের আধিপত্য এতটাই বেশি ছিল যে সাধারণ মানুষ তাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে মুখ খুলতে পারত না।

প্রশাসনের ক্রমাগত অভিযানের মুখে এখন চোরের মত পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ইয়াছিন ও ওমর ফারুক। এলাকার সচেতন নাগরিকরা জানিয়েছেন যে প্রশাসন প্রতিদিন অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে এই দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করতে। তবে তারা দুই আপন ভাই চোরের মতো লুকিয়ে আছেন পাহাড়ের গহিনে এবং সেই কারণেই তাদের খুঁজে পাচ্ছে না প্রশাসন। তাদের নিজেদের তৈরি বাংকারে লুকিয়ে থাকার কারণে প্রতিটি অভিযান ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে।

এলাকার সচেতন নাগরিকরা এখন কঠোর প্রশ্ন তুলছেন। এই ধরনের সন্ত্রাসীরা বাংলাদেশের বুকে কীভাবে থাকে, প্রশাসন কী করে তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকার মানুষ। ২০০৯ সাল থেকে একের পর এক মামলা হওয়া সত্ত্বেও এই দুই সন্ত্রাসী কীভাবে এতদিন অপরাধ চালিয়ে যেতে পারলেন সেটা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। র‌্যাব কর্মকর্তাকে হত্যার পরও এই দুই ভাইকে এখনো গ্রেফতার করা না যাওয়া প্রশাসনের সামর্থ্য নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।
এলাকার সচেতন নাগরিক, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সীতাকুন্ডের শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াছিন ও ওমর ফারুককে অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন। তারা বলছেন যে এই দুই সন্ত্রাসীকে যত দ্রুত সম্ভব গ্রেফতার না করা হলে পাহাড় কর্তন, জমি দখল, খুন ও সন্ত্রাসের এই চক্র বন্ধ হবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরো জোরদার অভিযান পরিচালনা করে এই দুই ভাইকে পাহাড়ের গহিন থেকে বের করে আনার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল। বিশেষ করে যিনি র‌্যাব কর্মকর্তার মৃত্যুর জন্য দায়ী, তার বিচার নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ মনোযোগ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট