মোঃ কায়সার, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় জনগণের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।এই উৎসাহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সম্ভাব্য প্রার্থী ও সাবেক যুবদল নেতা অধ্যাপক কামাল হোসেন।বিএনপির একাধিক প্রার্থী নিজ নিজ পক্ষে প্রচারণা চালালেও জনসম্পৃক্ততা ও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন অধ্যাপক কামাল হোসেন।দলীয় সকল কর্মসূচির পাশাপাশি ব্যক্তি উদ্যোগেও বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।দলকে ভালবেসে ছেড়েছেন সরকারি চাকরি।আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সর্বদাই তৎপর ছিলেন তিনি।জেল, জুলুম আর আওয়ামী ফ্যাসিবাদের ভয় করেননি তিনি। দলের দুঃসময় থেকে এখন পর্যন্ত জনগণের পাশে রয়েছেন অধ্যাপক কামাল হোসেন।আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সময় বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের লোক ছিল না বাগমারায়।সে সময় থেকে আজও তার দৃঢ় নেতৃত্বে সুসংগঠিত রয়েছে বিএনপি।দলকে সুসংঘটিত করতে গিয়ে কারাগারেও যেতে হয়েছে তাকে।জুলুম নির্যাতন সহ্য করে দলীয় নেতাকর্মীদের এখনো ঐক্যবদ্ধ করে রেখেছেন তিনি।বাগমারা উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভায় দীর্ঘদিন ধরে তিনি গণসংযোগ,পথসভা ও জনসমাবেশের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করছেন।তার সহজ-সরল ব্যক্তিত্ব,জনবান্ধব আচরণ ও স্থানীয় সমস্যা সমাধানে সক্রিয় ভূমিকার কারণে এলাকার আপামর জনগণের মাঝে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।অধ্যাপক কামাল হোসেন বলেন, “আমি সবসময় জনগণের পাশে থেকেছি এবং তাদের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়েছি।মনোনয়ন পেলে জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে নির্বাচনে বিজয়ী হবো বলে আশাবাদী।” তিনি আরও জানান, উন্নয়ন,শিক্ষা ও স্থানীয় অবকাঠামোর উন্নতি তার প্রধান অগ্রাধিকার।স্থানীয়রা জানান, অধ্যাপক কামাল হোসেনের নিরলস প্রচারণা ও জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ তাকে অন্য প্রার্থীদের তুলনায় এগিয়ে রেখেছে।তার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন।এদিকে, বিএনপির মনোনয়ন প্রক্রিয়া এখনো শুরু হয়নি। দলীয় নেতৃবৃন্দ জানান, অধ্যাপক কামাল হোসেন মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্যতম দাবিদার। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, বাগমারায় তার পক্ষে জনমত আরও শক্তিশালী হচ্ছে।
Leave a Reply