1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সম্প্রীতির অনন্য প্রতীক: পহেলা বৈশাখ -লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া চন্দনাইশে বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রথমবারের মতো সম্মিলিত বর্ষবরণ ও বৈশাখী মেলা ১৪৩৩ বঙ্গোপসাগরে ফিশিং ট্রলার থেকে ১৫ কোটি টাকার ৫ লাখ ইয়াবা জব্দ, গ্রেফতার- ৯ চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড মেলায় ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের অন্যতম মাধ্যম হজ্ব -প্রফেসর ড. গিয়াস উদ্দিন তালুকদার বোয়ালখালীতে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে মোবাইল কোর্ট অভিযানে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বোয়ালখালীতে ধর্মীয় বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, বৃত্তি প্রদান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান চট্টগ্রামে পরীক্ষা কেন্দ্রের প্রতি কক্ষে সিসিটিভি স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর যুদ্ধবিরতি করে ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ এড়ালেন বটে, তবে দিতে হচ্ছে চড়া মূল্য নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক বগাছড়িতে ফুটবল টুর্নামেন্টে পুরস্কার ও আর্থিক অনুদান

বোয়ালখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রসূতির ভোগান্তি

  • সময় সোমবার, ৫ মে, ২০২৫
  • ২৫২ পঠিত

বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা পেতে দুর্ভোগের শিকার এক প্রসূতি। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করেও মিলল না নিরবচ্ছিন্ন সেবা।

চিকিৎসকের পরামর্শে আল্ট্রাসনোগ্রাম ও হিমোগ্লোবিন পরীক্ষার জন্য সোমবার (৫ মে) ভোর ৬টায় বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন পোপাদিয়া ইউনিয়নের প্রসূতি আয়েশা। আশা ছিল, সকাল থেকেই সেবা পাবেন। কিন্তু বাস্তবতা ছিল ভিন্ন।

সকাল ৯টায় বহির্বিভাগের টিকিট সংগ্রহ করে আল্ট্রাসনোগ্রাম কক্ষে গেলে জানা যায়, ইতোমধ্যে ৫ জন রোগীর তালিকা তৈরি হয়ে গেছে।প্রতিদিন শুধু ৫ জন প্রসূতিকে আল্ট্রাসনোগ্রাম করা হবে।
চিকিৎসক শুধুমাত্র  ওই ৫ জনকেই আল্ট্রা করবেন। তারপরও আশার সঞ্চয়ে আয়েশা অপেক্ষায় থাকেন। কিছুক্ষণ পর দেখেন, এক নার্স আরও ৬ জনের নামের তালিকা দিয়ে গেছেন। এতে হতাশা আরও বাড়ে।

দুপুর ১টার দিকে স্থানীয়দের পরামর্শে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাফরিন জাহেদ জিতির রুমে গিয়ে বিষয়টি জানান। স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সঙ্গে সঙ্গেই তাকে আল্ট্রা করানোর নির্দেশ দেন এবং একজন সহকর্মীকে সাথে দিয়ে আবার আল্ট্রাসনোগ্রাম কক্ষে পাঠান।

তবে দুর্ভাগ্যবশত ততক্ষণে আল্ট্রাসনোগ্রামের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক সেখান থেকে চলে গেছেন। পুনরায় অপেক্ষার পর দুপুর প্রায় ২টায় চিকিৎসক আসেন এবং আয়েশার আল্ট্রাসনোগ্রাম সম্পন্ন হয়।

আয়েশা বলেন, “ভোরে সব কাজ ফেলে এসেছিলাম, কিন্তু সারাদিন অপেক্ষার পরও সেবা নিশ্চিত হয়নি। এমন ভোগান্তি কল্পনাও করিনি।”

এ প্রসঙ্গে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাফরিন জাহেদ জিতি বলেন, “সপ্তাহে ছয়দিন নিয়মিত সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আল্ট্রাসনোগ্রাম সেবা দেওয়া হয়। আয়েশা দেরিতে হলেও দুপুর দেড়টার দিকে আল্ট্রা করিয়েছেন। কেন দেরি হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে।”

স্থানীয়দের আশা, ভবিষ্যতে আয়েশার মতো প্রত্যেক রোগী যেন সরকারি স্বাস্থ্যসেবা পায় নির্বিঘ্নে, হয়রানিমুক্তভাবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট