1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
তারুণ্য সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর ২০২৬-২৮ সালের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন পার্কভিউ হাসপাতালে পেরিপার্টাম DIC ও মাল্টি-অর্গান ডিসফাংশন নিয়ে বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে চট্টগ্রাম মহানগর জাসাসের শ্রদ্ধাঞ্জলি। বোয়ালখালীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ দুবাইয়ে চট্টগ্রামের দুই সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে চট্টগ্রাম ক্লাব ইউএইর নির্বাহী কমিটি ঘোষণা দুবাইয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৪১ সিআইপিকে সংবর্ধনা মিরসরাইয় উপজেলা শাখার আদর্শ ছাত্র ও যুব সমাজের ২০২৬-২০২৭ সালের প্রস্তাবিত কমিটি ঘোষণা। এনআরবি সিআইপি সম্মাননা পেলেন পটিয়ার হাজী মুহাম্মদ আবুল বশর লন্ডনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ ও গুণীজন সম্মাননা ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে সনদ পেলেন এম.এইচ.সোহেল

শিগগিরই পাঁচ ব্যাংক মিলে হচ্ছে এক ব্যাংক, চাকরি হারাবেনা কেউ

  • সময় সোমবার, ১৬ জুন, ২০২৫
  • ১১০১ পঠিত

এম,আনিসুর রহমান

বেসরকারি খাতের পাঁচটি ইসলামী ব্যাংককে খুব শিগগিরই একীভূত (মার্জ) করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তবে এতে ব্যাংকগুলোর কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরি হারাবেন না বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।
রবিবার (১৫ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন গভর্নর।
ব্যাংক পাঁচটি হলো— ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক।
এর আগে, বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর আহসান এইচ মনসুর গত ৯ এপ্রিল ব্যাংকিং সম্মেলনে বলেছিলেন, ইসলামি ধারার ব্যাংকগুলো একীভূত করে বড় দুটি ব্যাংক গড়ে তোলা হবে।
ব্যাংকগুলোর একীভূত করার বিষয়ে ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, নির্বাচনের সঙ্গে ব্যাংক মার্জারের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। আমরা আশা করব পরবর্তী সরকার এসে এই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তবে নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা না করে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক মার্জার করা হবে।
কর্মকর্তাদের আশ্বস্ত করে গভর্নর বলেন, চাকরি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। তবে প্রয়োজনে কিছু শাখা স্থানান্তর করা হতে পারে। শহরে যেসব ব্যাংকের শাখা বেশি, সেগুলোর কিছু গ্রামে পাঠানো হতে পারে।
সাংবাদিকদের অন্য এক প্রশ্নের জবাবে গভর্নর বলেন, পাচারকৃত সম্পদ উদ্ধারের প্রক্রিয়ায় ধাপে ধাপে অগ্রসর হতে হবে। আদালতের চূড়ান্ত রায় ছাড়া কোনো সম্পদ উদ্ধার সম্ভব নয়। এজন্য আগে সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে আইনি নথিপত্র তৈরি করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা চাই আদালতের মাধ্যমে যাচাই হোক—আমাদের দাবি যথাযথ কি না। আদালতের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই অর্থ উদ্ধার সম্ভব হবে।
ড. আহসান এইচ মনসুর বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির (এডিআর) প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, আদালতের বাইরে সমঝোতার মাধ্যমে অর্থ ফেরত আনার ব্যবস্থাও রয়েছে। এই পদ্ধতিতেও একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়, যেখানে উভয় পক্ষের আইনজীবীরা আলোচনা করে সমাধান খুঁজবেন।
তিনি জানান, কোন পথে এগোনো হবে, আদালত নাকি এডিআর, সেটি নির্ধারণ করবে সরকার। সরকারের নির্দেশনা পেলেই বাংলাদেশ ব্যাংক সম্পদ উদ্ধারে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আইনজীবী নিয়োগ করতে পারবে।
গভর্নর বলেন, দেশীয় সম্পদের জন্য দেশের আদালতে এবং বিদেশি সম্পদের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের আদালতে মামলা পরিচালনা করতে হবে। এই লক্ষ্যে প্রস্তুতি চলছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট