1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
চিটাগং ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ইন্টার হাউস ডিবেট কম্পিটিশন-২০২৬ অনুষ্ঠিত মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ও জিয়া পরিবারের জন্য দোয়া ও মিলাদ মাহফিল ও সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত। সভাপতি আবু আকতার, সম্পাদক তৌহিদুল বোয়ালখালী ফুটবল একাডেমির সম্মেলন বোন মরুতে রক্তশূন্যতায় আক্রান্ত শিশু রাহীর চিকিৎসায় পটিয়া মানবতার বন্ধনের অনুদান দৈনিক চট্টগ্রামের খবর এর সপ্তম বর্ষে পদার্পনে শুভেচ্ছা। পটিয়ায় দুই অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যুর বিচার দাবিতে ছাত্র শক্তির মানববন্ধন পটিয়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত রিকশাচালক অপু বিশ্বাসের ঘর মেরামতে মানবতার বন্ধনের আর্থিক সহায়তা ডায়ালাইসিস সেবা বন্ধ হতে দেওয়া হবে না, প্রয়োজন হলে সহায়তা দেবে সিটি কর্পোরেশন: প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার: মিনিট্রাক থেকে ৩০ হাজার ইয়াবা লুটের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ “চট্টগ্রাম মেডিকেলকে পার্কভিউ হসপিটালের ডায়ালাইসিস মেশিন উপহার”

বাইকের জেদেই বিষ, শেষ হলো তরুণ সায়মনের জীবন

  • সময় মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫
  • ২৮৮ পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, বোয়ালখালী:

মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় অভিমান করে বিষপানের দুই দিন পর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে সায়দুর রহমান সায়মন (১৯) নামে এক তরুণ। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সায়মন চট্টগ্রামের বোয়ালখালী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব গোমদণ্ডী দরপপাড়া বদরুছ চেয়ারম্যানের নতুন বাড়ির মো. নাছেরের ছেলে। দুই ভাই-বোনের মধ্যে সায়মন ছিল বড়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান বলেন, সম্প্রতি সায়মনের বাবা ধারদেনা পরিশোধের জন্য অল্প কিছু জমি বিক্রি করেন। সেই টাকা থেকে মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার জন্য চাপ দেয় সায়মন। কিনে না দেওয়ায় রবিবার (২০ জুলাই) সে বিষপান করে।

তিনি আরও জানান, পরিবার প্রথমে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখান থেকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে পাকস্থলী পরিষ্কার করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিছুটা সুস্থ হলে সেদিন রাতেই তাকে বাড়ি পাঠানো হয়। পরে আবারও অসুস্থ হয়ে পড়ে সে।

সায়মনের মা শেলি আক্তার বলেন, আমার ছেলে অটোমোবাইল ওয়ার্কশপে কাজ শিখছিল। তার বাবা একটি ভবনের দারোয়ান, মাসে চার-পাঁচ হাজার টাকা আয় হয়। সংসারই ঠিকমতো চলে না। তবুও সে মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার জন্য বায়না ধরে। অনেক বোঝানোর পরও শুনেনি।

তিনি জানান, বিষপানের পর রবিবার চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাতে রিলিজ দিলে বাড়ি নিয়ে আসা হয়। পরদিন সোমবার রাতে হঠাৎ পায়খানা ও বমি শুরু হলে আবারও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় সায়মনকে। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে মঙ্গলবার ভোরে আবার চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই দুপুরে সাড়ে ১২টায় তার মৃত্যু হয়।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট