1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পটিয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উদ্বোধন করলেন এনামুল হক এমপি ১৫ আগস্ট উপলক্ষে পটিয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ডক্টর জুলকারনাইন চৌধুরীর উদ্যোগে তবারক বিতরণ দারুল ইরফান মাদানী নিসাব মাদরাসার কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন বোয়ালখালীতে খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ চট্টগ্রামে জলবায়ু ও মানবাধিকার নিয়ে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের নাগরিক গোলটেবিল: গুরুত্ব পেল নারী-শিশুর নিরাপত্তা সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডে মৃত্যুফাঁদ: দুর্ঘটনা নাকি নিরাপত্তার ব্যর্থতা? – লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে পটিয়ায় এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ “স্ট্রিট ফুডের (ভাসমান খাবারের দোকান) স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং এর জন্য আইনি তদারকি নিশ্চিতকরণ” বিষয়ক সেমিনার পটিয়ায় হযরত বদর আউলিয়া ইবতেদায়ী মাদ্রাসার একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন CLUB 94 BD এর উদ্যোগে হেদায়েত উল্লাহ তুর্কীর জন্মদিন পালিত

বিশ্ব কন্যা দিবসে একজন কন্যা মর্মান্তিক মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না- লায়ন নবাব হোসেন মুন্না।

  • সময় বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৯৮৫ পঠিত

আমার আজো মনে পড়ে তৎকালীন এই বিশাল ড্রেনের বিরোধিতা করেছিলেন চট্টলবীর এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কিন্তু তৎকালীন বিএনপির সরকাররে মেয়র মীর নাছির এই ড্রেনের কাজ করেন, কেন এই কথা গুলো বলছি কারণে সব সময় জ্যাম লেগে থাকা এই রাস্তার মাঝখানে বিশাল ড্রেন নির্মাণ করার ফলে বছরের পর বছর এই ড্রেন পরিস্কার করা সম্ভব হয় না। এই ড্রেনের সাথে বিভিন্ন এলাকার শাখা প্রশাখা সংযুক্ত হয়েছে তাছাড়া ড্রেন টি মুখ চট্টগ্রাম বন্দরে ১নং জেটিতে গিয়ে পড়ছে তার কারণে কর্ণফুলী নদী দিন দিন ভরাট হয়ে যাচ্ছে বড় জাহাজ বন্দরে আসতে পারছে না, এই ড্রেনের নির্মাণের ফলে কর্ণফুলীর টানেলের বিশাল ক্ষতি করে দিয়েছেন। তার পরবর্তীতে আলহাজ্ব এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সময় কাজ হলেও মেয়র আলহাজ্ব মনজুর আলম তারপর আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বর্তমানে যদিও বিগত ৬/৭ মাস দায়িত্ব পালন করছেন রেজাউল করিম চৌধুরী, আমলে এই ড্রেনে বছরের পর বছর ড্রেন গুলো সংস্কার হয়নি এমনকি সিডিএ,ওয়াসা,আরো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কেউ এর ঠিক মত দায়িত্ব পালন করে নাই, তাই তারা কেউও অবহেলা এড়িয়ে যেতে পারে না।

এছাড়া নির্দিষ্ট কাজ সংস্কার করনে জনগণের চলাচল পথে যথাযথ তদারকি ও সতর্ক সহিত নোটিশ দেয়া অথবা বিপদজনক পথ চিহ্নিত না করে জনগণকে অবহিত থেকে বিরত রেখে,দ্রুত কার্যসম্পন্নে অলসতা প্রমাণে মৃত্যুপল্লী রূপ ধারণ করছে।কিছুদিন আগে অতিরিক্ত বৃষ্টি পড়ায় রাস্তা এবং ড্রেন চিহ্নিত না করায় একজন পথচারী প্রাণ হারায় তার খোজ এখনো পাওয়া যায়নি।এইভাবে উন্নয়নের নামে একটার পর একটা প্রাণহানি যা চট্টগ্রামবাসীর জন্য দুঃখজনক বটে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিকট ও জনগণের নিরাপত্তা বিধানে খামখেয়ালি চট্টগ্রাম বাসি জানতে চায়। আর কত লাশের বিনিময়ে এই সমস্যা সমাধান হবে।
লেখক:- সামাজিক সংগঠক, মানবিক কর্মী, রাজনীতিবিদ।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট