1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পহরচাঁদা ফাজিল মাদ্রাসার প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের জমকালো ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত মহান স্বাধীনতা দিবসে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ চট্টগ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে ডায়েরি তুলে দিয়ে সম্মাননা: স্মৃতি সংরক্ষণে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ চন্দনাইশে সৈয়দ মাবুদুল হক শাহ্ (ক.) হাফেজনগরী মাইজভান্ডারী’র ওরশ শরীফ সম্পন্ন সঙ্গীত পরিষদ আয়োজিত ‘কালরাত্রি’ স্মরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অহংকার এবং আত্ম পরিচয়ের স্মারক একতা সংঘের ঈদ পূর্ণর্মিলনী ও চেক হস্থান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন” কসবায় তরুণ সাংবাদিক দ্বীন ইসলামকে পিটিয়ে হত্যা: বিএমএসএফ-এর তীব্র নিন্দা, দ্রুত গ্রেফতারের দাবি ঈদেও থামেনি চট্টগ্রাম বন্দর, কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে নতুন রেকর্ড বাঘাইছড়িতে পালিত হলো ২৫শে মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ সীতাকুণ্ডে ২৫ মার্চ গনহত্যা দিবসে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বিশ্ব কন্যা দিবসে একজন কন্যা মর্মান্তিক মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না- লায়ন নবাব হোসেন মুন্না।

  • সময় বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৮১২ পঠিত

আমার আজো মনে পড়ে তৎকালীন এই বিশাল ড্রেনের বিরোধিতা করেছিলেন চট্টলবীর এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কিন্তু তৎকালীন বিএনপির সরকাররে মেয়র মীর নাছির এই ড্রেনের কাজ করেন, কেন এই কথা গুলো বলছি কারণে সব সময় জ্যাম লেগে থাকা এই রাস্তার মাঝখানে বিশাল ড্রেন নির্মাণ করার ফলে বছরের পর বছর এই ড্রেন পরিস্কার করা সম্ভব হয় না। এই ড্রেনের সাথে বিভিন্ন এলাকার শাখা প্রশাখা সংযুক্ত হয়েছে তাছাড়া ড্রেন টি মুখ চট্টগ্রাম বন্দরে ১নং জেটিতে গিয়ে পড়ছে তার কারণে কর্ণফুলী নদী দিন দিন ভরাট হয়ে যাচ্ছে বড় জাহাজ বন্দরে আসতে পারছে না, এই ড্রেনের নির্মাণের ফলে কর্ণফুলীর টানেলের বিশাল ক্ষতি করে দিয়েছেন। তার পরবর্তীতে আলহাজ্ব এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সময় কাজ হলেও মেয়র আলহাজ্ব মনজুর আলম তারপর আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বর্তমানে যদিও বিগত ৬/৭ মাস দায়িত্ব পালন করছেন রেজাউল করিম চৌধুরী, আমলে এই ড্রেনে বছরের পর বছর ড্রেন গুলো সংস্কার হয়নি এমনকি সিডিএ,ওয়াসা,আরো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কেউ এর ঠিক মত দায়িত্ব পালন করে নাই, তাই তারা কেউও অবহেলা এড়িয়ে যেতে পারে না।

এছাড়া নির্দিষ্ট কাজ সংস্কার করনে জনগণের চলাচল পথে যথাযথ তদারকি ও সতর্ক সহিত নোটিশ দেয়া অথবা বিপদজনক পথ চিহ্নিত না করে জনগণকে অবহিত থেকে বিরত রেখে,দ্রুত কার্যসম্পন্নে অলসতা প্রমাণে মৃত্যুপল্লী রূপ ধারণ করছে।কিছুদিন আগে অতিরিক্ত বৃষ্টি পড়ায় রাস্তা এবং ড্রেন চিহ্নিত না করায় একজন পথচারী প্রাণ হারায় তার খোজ এখনো পাওয়া যায়নি।এইভাবে উন্নয়নের নামে একটার পর একটা প্রাণহানি যা চট্টগ্রামবাসীর জন্য দুঃখজনক বটে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিকট ও জনগণের নিরাপত্তা বিধানে খামখেয়ালি চট্টগ্রাম বাসি জানতে চায়। আর কত লাশের বিনিময়ে এই সমস্যা সমাধান হবে।
লেখক:- সামাজিক সংগঠক, মানবিক কর্মী, রাজনীতিবিদ।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট