1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পটিয়ায় নব জাগরণ যুব সংঘের নতুন কমিটি গঠন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, চট্টগ্রাম মহানগরীর অভিষেক উদযাপন ২৭ ডিসেম্বর ২০২৬। মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের রোগমুক্তি কামনায় নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের দোয়া মাহফিল। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ ক্যাম্পের নিজ কক্ষে এসআইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু, কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু চাটগাঁ ভাষার বিশ্বায়নে AI হোক নতুন সম্ভাবনার সেতুবন্ধ – প্রফেসর অঞ্জলি বড়ুয়া প্রতিটি শ্রেণিতে প্রথম, আলিমে উপজেলার একমাত্র জিপিএ-৫ মুনতাহা পরিকল্পিত সন্ত্রাসে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা করছে পলাতক ফ্যাসিস্ট ও গুপ্ত রাজনৈতিক শক্তি: মুহাম্মদ শাহেদ আনসার-ভিডিপির পক্ষ থেকে পবিত্র ওমরাহ পালনে সৌদি আরব যাচ্ছেন আদর্শ ছাত্র ও যুব সমাজের পরিচালক সরোয়ার উদ্দিন আনসারী। শ্রীপুর আবদার বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক আলহাজ্ব মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান মাস্টার পটিয়ায় জাতীয় জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে দোয়া, মিলাদ ও  এতিমখানায় তবারক বিতরণ অনুষ্ঠিত

বিশ্ব কন্যা দিবসে একজন কন্যা মর্মান্তিক মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না- লায়ন নবাব হোসেন মুন্না।

  • সময় বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১১২৯ পঠিত

আমার আজো মনে পড়ে তৎকালীন এই বিশাল ড্রেনের বিরোধিতা করেছিলেন চট্টলবীর এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কিন্তু তৎকালীন বিএনপির সরকাররে মেয়র মীর নাছির এই ড্রেনের কাজ করেন, কেন এই কথা গুলো বলছি কারণে সব সময় জ্যাম লেগে থাকা এই রাস্তার মাঝখানে বিশাল ড্রেন নির্মাণ করার ফলে বছরের পর বছর এই ড্রেন পরিস্কার করা সম্ভব হয় না। এই ড্রেনের সাথে বিভিন্ন এলাকার শাখা প্রশাখা সংযুক্ত হয়েছে তাছাড়া ড্রেন টি মুখ চট্টগ্রাম বন্দরে ১নং জেটিতে গিয়ে পড়ছে তার কারণে কর্ণফুলী নদী দিন দিন ভরাট হয়ে যাচ্ছে বড় জাহাজ বন্দরে আসতে পারছে না, এই ড্রেনের নির্মাণের ফলে কর্ণফুলীর টানেলের বিশাল ক্ষতি করে দিয়েছেন। তার পরবর্তীতে আলহাজ্ব এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সময় কাজ হলেও মেয়র আলহাজ্ব মনজুর আলম তারপর আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বর্তমানে যদিও বিগত ৬/৭ মাস দায়িত্ব পালন করছেন রেজাউল করিম চৌধুরী, আমলে এই ড্রেনে বছরের পর বছর ড্রেন গুলো সংস্কার হয়নি এমনকি সিডিএ,ওয়াসা,আরো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কেউ এর ঠিক মত দায়িত্ব পালন করে নাই, তাই তারা কেউও অবহেলা এড়িয়ে যেতে পারে না।

এছাড়া নির্দিষ্ট কাজ সংস্কার করনে জনগণের চলাচল পথে যথাযথ তদারকি ও সতর্ক সহিত নোটিশ দেয়া অথবা বিপদজনক পথ চিহ্নিত না করে জনগণকে অবহিত থেকে বিরত রেখে,দ্রুত কার্যসম্পন্নে অলসতা প্রমাণে মৃত্যুপল্লী রূপ ধারণ করছে।কিছুদিন আগে অতিরিক্ত বৃষ্টি পড়ায় রাস্তা এবং ড্রেন চিহ্নিত না করায় একজন পথচারী প্রাণ হারায় তার খোজ এখনো পাওয়া যায়নি।এইভাবে উন্নয়নের নামে একটার পর একটা প্রাণহানি যা চট্টগ্রামবাসীর জন্য দুঃখজনক বটে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিকট ও জনগণের নিরাপত্তা বিধানে খামখেয়ালি চট্টগ্রাম বাসি জানতে চায়। আর কত লাশের বিনিময়ে এই সমস্যা সমাধান হবে।
লেখক:- সামাজিক সংগঠক, মানবিক কর্মী, রাজনীতিবিদ।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট