1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কেবিনেট সভায় আইইবি’র চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মনজারে খোরশেদ আলম দেশকে এগিয়ে নিতে নি:স্বার্থভাবে কাজ করে যাচ্ছে প্রয়াস দারুত তাহযীব মডেল মাদরাসার বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী ও হিফজুল কুরআন অ্যাওয়ার্ড প্রদান সম্পন্ন চট্টগ্রাম জামেয়া মহিলা কামিল মাদরাসা আলিম পরীক্ষায় ঈর্ষনীয় সাফল্য অব্যাহত ২২ জন A+ মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির আন্তঃজেলা চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার সন্ত্রাস, মাদক ও কিশোর গ্যাং মুক্ত সমাজ গঠনে ঐক্যবদ্ধ সামাজিক আন্দোলনের ডাক চট্টগ্রামে গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা বিএনপির সমর্থন নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে চান পটিয়ার মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী পটিয়ায় অসহায় পরিবারের পাশে মানবতার বন্ধন, ঘর মেরামতে ঢেউটিন বিতরণ তামাকের বাজার সম্প্রসারণ, ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য: নীতির সমন্বয় কোথায়? -লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সবার জন্য রইল আন্তরিক শুভকামনা। বোয়ালখালীতে প্রথমবার শহীদ আব্দুল গফুর স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা ২৬ ডিসেম্বর

বিশ্ব কন্যা দিবসে একজন কন্যা মর্মান্তিক মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না- লায়ন নবাব হোসেন মুন্না।

  • সময় বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১১২৫ পঠিত

আমার আজো মনে পড়ে তৎকালীন এই বিশাল ড্রেনের বিরোধিতা করেছিলেন চট্টলবীর এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কিন্তু তৎকালীন বিএনপির সরকাররে মেয়র মীর নাছির এই ড্রেনের কাজ করেন, কেন এই কথা গুলো বলছি কারণে সব সময় জ্যাম লেগে থাকা এই রাস্তার মাঝখানে বিশাল ড্রেন নির্মাণ করার ফলে বছরের পর বছর এই ড্রেন পরিস্কার করা সম্ভব হয় না। এই ড্রেনের সাথে বিভিন্ন এলাকার শাখা প্রশাখা সংযুক্ত হয়েছে তাছাড়া ড্রেন টি মুখ চট্টগ্রাম বন্দরে ১নং জেটিতে গিয়ে পড়ছে তার কারণে কর্ণফুলী নদী দিন দিন ভরাট হয়ে যাচ্ছে বড় জাহাজ বন্দরে আসতে পারছে না, এই ড্রেনের নির্মাণের ফলে কর্ণফুলীর টানেলের বিশাল ক্ষতি করে দিয়েছেন। তার পরবর্তীতে আলহাজ্ব এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সময় কাজ হলেও মেয়র আলহাজ্ব মনজুর আলম তারপর আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বর্তমানে যদিও বিগত ৬/৭ মাস দায়িত্ব পালন করছেন রেজাউল করিম চৌধুরী, আমলে এই ড্রেনে বছরের পর বছর ড্রেন গুলো সংস্কার হয়নি এমনকি সিডিএ,ওয়াসা,আরো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কেউ এর ঠিক মত দায়িত্ব পালন করে নাই, তাই তারা কেউও অবহেলা এড়িয়ে যেতে পারে না।

এছাড়া নির্দিষ্ট কাজ সংস্কার করনে জনগণের চলাচল পথে যথাযথ তদারকি ও সতর্ক সহিত নোটিশ দেয়া অথবা বিপদজনক পথ চিহ্নিত না করে জনগণকে অবহিত থেকে বিরত রেখে,দ্রুত কার্যসম্পন্নে অলসতা প্রমাণে মৃত্যুপল্লী রূপ ধারণ করছে।কিছুদিন আগে অতিরিক্ত বৃষ্টি পড়ায় রাস্তা এবং ড্রেন চিহ্নিত না করায় একজন পথচারী প্রাণ হারায় তার খোজ এখনো পাওয়া যায়নি।এইভাবে উন্নয়নের নামে একটার পর একটা প্রাণহানি যা চট্টগ্রামবাসীর জন্য দুঃখজনক বটে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিকট ও জনগণের নিরাপত্তা বিধানে খামখেয়ালি চট্টগ্রাম বাসি জানতে চায়। আর কত লাশের বিনিময়ে এই সমস্যা সমাধান হবে।
লেখক:- সামাজিক সংগঠক, মানবিক কর্মী, রাজনীতিবিদ।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট