1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সাগর-রুনি হত্যা মামলার বিচার, সাংবাদিক শাহীনুর রহমান সোনাকে প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে রাজশাহী প্রেসক্লাব ও বাংলাদেশ তৃণমূল প্রেস সোসাইটির মানববন্ধন। নিখোঁজের ৭ দিন পর ডোবায় মিলল শিশু কলির বস্তাবন্দি খণ্ডিত মরদেহ চট্টগ্রামের চিকিৎসা শিক্ষাঙ্গনে নারী নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল নাম অধ্যাপক ডা. কামরুন নেসা (রুনা) খেজুর গাছ প্রতীক নিয়ে সভাপতি প্রার্থী আলহাজ্ব মো: আবুল কাশেমের নির্বাচনী গণসংযোগ শিক্ষা ও গবেষণায় চবি আরবি বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষকদের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে -চবি উপাচার্য জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় পটিয়ায় অর্ধশতাধিক প্রান্তিক জনগোষ্ঠী পেল উপজেলা প্রশাসনের সহায়তা চট্টগ্রাম বন্দর যানজট নিরসনে সিসিটি ২ নম্বর গেট ১০০ ফুট ভিতরে সরানোর দাবিতে মোহাম্মদ শাহজাহানের প্রতীকী অবস্থান সাতকানিয়ায় দিনব্যাপী ‘দায়িত্বশীল তারবিয়াত ও হুফ্ফাজ সম্মেলন–২০২৬’ সম্পন্ন ঢাকায় CLUB 94 BD এর উদ্যোগে প্রয়াত বন্ধুদের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহাফিল অনুষ্ঠিত বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন

বিশ্ব কন্যা দিবসে একজন কন্যা মর্মান্তিক মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না- লায়ন নবাব হোসেন মুন্না।

  • সময় বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১০২৪ পঠিত

আমার আজো মনে পড়ে তৎকালীন এই বিশাল ড্রেনের বিরোধিতা করেছিলেন চট্টলবীর এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কিন্তু তৎকালীন বিএনপির সরকাররে মেয়র মীর নাছির এই ড্রেনের কাজ করেন, কেন এই কথা গুলো বলছি কারণে সব সময় জ্যাম লেগে থাকা এই রাস্তার মাঝখানে বিশাল ড্রেন নির্মাণ করার ফলে বছরের পর বছর এই ড্রেন পরিস্কার করা সম্ভব হয় না। এই ড্রেনের সাথে বিভিন্ন এলাকার শাখা প্রশাখা সংযুক্ত হয়েছে তাছাড়া ড্রেন টি মুখ চট্টগ্রাম বন্দরে ১নং জেটিতে গিয়ে পড়ছে তার কারণে কর্ণফুলী নদী দিন দিন ভরাট হয়ে যাচ্ছে বড় জাহাজ বন্দরে আসতে পারছে না, এই ড্রেনের নির্মাণের ফলে কর্ণফুলীর টানেলের বিশাল ক্ষতি করে দিয়েছেন। তার পরবর্তীতে আলহাজ্ব এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সময় কাজ হলেও মেয়র আলহাজ্ব মনজুর আলম তারপর আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বর্তমানে যদিও বিগত ৬/৭ মাস দায়িত্ব পালন করছেন রেজাউল করিম চৌধুরী, আমলে এই ড্রেনে বছরের পর বছর ড্রেন গুলো সংস্কার হয়নি এমনকি সিডিএ,ওয়াসা,আরো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কেউ এর ঠিক মত দায়িত্ব পালন করে নাই, তাই তারা কেউও অবহেলা এড়িয়ে যেতে পারে না।

এছাড়া নির্দিষ্ট কাজ সংস্কার করনে জনগণের চলাচল পথে যথাযথ তদারকি ও সতর্ক সহিত নোটিশ দেয়া অথবা বিপদজনক পথ চিহ্নিত না করে জনগণকে অবহিত থেকে বিরত রেখে,দ্রুত কার্যসম্পন্নে অলসতা প্রমাণে মৃত্যুপল্লী রূপ ধারণ করছে।কিছুদিন আগে অতিরিক্ত বৃষ্টি পড়ায় রাস্তা এবং ড্রেন চিহ্নিত না করায় একজন পথচারী প্রাণ হারায় তার খোজ এখনো পাওয়া যায়নি।এইভাবে উন্নয়নের নামে একটার পর একটা প্রাণহানি যা চট্টগ্রামবাসীর জন্য দুঃখজনক বটে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিকট ও জনগণের নিরাপত্তা বিধানে খামখেয়ালি চট্টগ্রাম বাসি জানতে চায়। আর কত লাশের বিনিময়ে এই সমস্যা সমাধান হবে।
লেখক:- সামাজিক সংগঠক, মানবিক কর্মী, রাজনীতিবিদ।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট