1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
লন্ডনে বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ যুক্তরাজ্য শাখার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার প্রবীণ আলেম মাওলানা এজহার সাহেব আর নেই মারকাযুল কুরআন ওয়াসসুন্নাহ একাডেমির কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন আইফোনের লোভেই খুন কুবি শিক্ষকের একমাত্র ছেলে! লালমাই পাহাড়ে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ঘাতক আটক। মহামুনি তরুণ সংঘের ২০২৬-২৭ কার্যকরী পরিষদের অভিষেক সম্পন্ন চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রকৌশলী এ এম কামাল উদ্দিন চৌধুরী দেশকে এগিয়ে নিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে প্রয়াস ব্রিকসের উত্থান, বিশ্বব্যবস্থার পরিবর্তন ও বাংলাদেশের অবস্থান -লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া নতুন কর্মসূচি ঘোষনা পটিয়ায় মানবতার বন্ধনের সভা অনুষ্ঠিত মানবাধিকার সুরক্ষায় কাজ করছেন আসক ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগের সভাপতি লায়ন ফরহাদুল হাসান মোস্তফা বোয়ালখালীতে জটিল রোগে আক্রান্ত রোমানের পাশে জ্যৈষ্ঠপুরা প্রবাসী ঐক্য পরিষদ

বিশ্ব কন্যা দিবসে একজন কন্যা মর্মান্তিক মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না- লায়ন নবাব হোসেন মুন্না।

  • সময় বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১০২৭ পঠিত

আমার আজো মনে পড়ে তৎকালীন এই বিশাল ড্রেনের বিরোধিতা করেছিলেন চট্টলবীর এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কিন্তু তৎকালীন বিএনপির সরকাররে মেয়র মীর নাছির এই ড্রেনের কাজ করেন, কেন এই কথা গুলো বলছি কারণে সব সময় জ্যাম লেগে থাকা এই রাস্তার মাঝখানে বিশাল ড্রেন নির্মাণ করার ফলে বছরের পর বছর এই ড্রেন পরিস্কার করা সম্ভব হয় না। এই ড্রেনের সাথে বিভিন্ন এলাকার শাখা প্রশাখা সংযুক্ত হয়েছে তাছাড়া ড্রেন টি মুখ চট্টগ্রাম বন্দরে ১নং জেটিতে গিয়ে পড়ছে তার কারণে কর্ণফুলী নদী দিন দিন ভরাট হয়ে যাচ্ছে বড় জাহাজ বন্দরে আসতে পারছে না, এই ড্রেনের নির্মাণের ফলে কর্ণফুলীর টানেলের বিশাল ক্ষতি করে দিয়েছেন। তার পরবর্তীতে আলহাজ্ব এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সময় কাজ হলেও মেয়র আলহাজ্ব মনজুর আলম তারপর আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বর্তমানে যদিও বিগত ৬/৭ মাস দায়িত্ব পালন করছেন রেজাউল করিম চৌধুরী, আমলে এই ড্রেনে বছরের পর বছর ড্রেন গুলো সংস্কার হয়নি এমনকি সিডিএ,ওয়াসা,আরো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কেউ এর ঠিক মত দায়িত্ব পালন করে নাই, তাই তারা কেউও অবহেলা এড়িয়ে যেতে পারে না।

এছাড়া নির্দিষ্ট কাজ সংস্কার করনে জনগণের চলাচল পথে যথাযথ তদারকি ও সতর্ক সহিত নোটিশ দেয়া অথবা বিপদজনক পথ চিহ্নিত না করে জনগণকে অবহিত থেকে বিরত রেখে,দ্রুত কার্যসম্পন্নে অলসতা প্রমাণে মৃত্যুপল্লী রূপ ধারণ করছে।কিছুদিন আগে অতিরিক্ত বৃষ্টি পড়ায় রাস্তা এবং ড্রেন চিহ্নিত না করায় একজন পথচারী প্রাণ হারায় তার খোজ এখনো পাওয়া যায়নি।এইভাবে উন্নয়নের নামে একটার পর একটা প্রাণহানি যা চট্টগ্রামবাসীর জন্য দুঃখজনক বটে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিকট ও জনগণের নিরাপত্তা বিধানে খামখেয়ালি চট্টগ্রাম বাসি জানতে চায়। আর কত লাশের বিনিময়ে এই সমস্যা সমাধান হবে।
লেখক:- সামাজিক সংগঠক, মানবিক কর্মী, রাজনীতিবিদ।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট