1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দক্ষিন চট্টগ্রাম চন্দনাইশে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন মসজিদ দেখতে প্রতিদিন মানুষের ভিড় -আলমগীর আলম আবৃত্তির আলোকবর্তিকা রনজিৎ রক্ষিতের ৭৮তম জন্মদিনে স্মরণসভা থিয়েটার ইন্সটিটিউটে আবেগঘন আয়োজন হাজী মোস্তফা বেগম ফাউন্ডেশন স্মৃতি বৃত্তি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন অসহায় পরিবারের বসতঘর নির্মা‌ণে ঢেউটিন বিতরণ ক‌রে‌ছে নানিয়ারচর সেনা জোন বাঘাইছড়িতে সীমান্ত পরিবার কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ আনোয়ারার সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান বদনী সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার আইনি বিতর্কে চট্টগ্রাম বন্দরে পরিবর্তন আসছে বিদেশি অপারেটর নিয়োগে ১৯ বছর আগে ছাত্রলীগ নেতা হত্যা, আইনজীবী হয়ে বিচার পেলেন ভাই-বোন, চার আসামির মৃত্যুদণ্ড নিঃস্বার্থ নবজীবন সংগঠন’র অভিষেক ও পুনর্মিলনী বোয়ালখালী’র শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ ক‌রে‌ছে সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন

গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সালেহ আনসার উদ্দিন – এতিম ছেলের ‘বাবা’ হলেন

  • সময় শুক্রবার, ৩০ মে, ২০২৫
  • ২২৬ পঠিত

মোঃ কায়সার. চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।

গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবু সালেহ মো. আনসার উদ্দিন এক ব্যতিক্রমী মানবিক কাজের মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সম্প্রতি, তিনি এক এতিম ও অসহায় শিশুর পাশে দাঁড়িয়ে যে ভালোবাসা ও স্নেহের পরিচয় দিয়েছেন, তা শুধুই একজন পুলিশ অফিসারের কর্তব্য নয়, বরং একজন স্নেহময় পিতার ভূমিকাও বটে।

ঘটনার সূত্রপাত একটি অসহায় ছেলেকে ঘিরে, যে সমাজে নিরাশার মুখোমুখি হয়ে ছিল। ঠিক তখনই আবু সালেহ এগিয়ে আসেন। শিশুটি তাকে আবেগঘন কণ্ঠে “বাবা” বলে ডাকে, আর তিনি তাকে নিজের সন্তানের মতো জড়িয়ে ধরেন। মানবিকতার এমন উদাহরণ বিরল, বিশেষ করে আজকের জটিল ও সংকীর্ণ সমাজ বাস্তবতায়।

আবু সালেহ মো. আনসার উদ্দিন বলেন, “আমি মনে করি, পৃথিবীতে যদি কেউ সত্যিকার অর্থে মানবসেবা করতে চায়, তাহলে পুলিশ বা ডাক্তারি পেশা বেছে নেয়া উচিত। কারণ এই দুটি পেশায় সাধারণ মানুষ তাদের দুঃসময়ে ছুটে আসে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “যখন কেউ তার পরিবার, জনপ্রতিনিধি বা সমাজপতিদের কাছ থেকে সাহায্য না পেয়ে পুলিশের দারস্থ হয়, তখন সেই মানুষটির পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

পুলিশ বাহিনীতে তাঁর ভূমিকা শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবে সীমাবদ্ধ নয়; বরং একজন সহানুভূতিশীল, দায়িত্বশীল ও মানবিক কর্মকর্তার প্রতিচ্ছবি তিনি। মাত্র দুই মাস হলো গোপালগঞ্জে যোগদান করেছেন, অথচ এর মধ্যেই মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন সততা, সহানুভূতি ও সেবার মানসিকতা দিয়ে।

এ ধরনের মানবিক কর্মকাণ্ড শুধু একজন কর্মকর্তার ব্যক্তিত্বকেই তুলে ধরে না, বরং পুরো পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে। সমাজে এমন ইতিবাচক উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের সামনে ভালো উদাহরণ তৈরি করতে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট