1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পশ্চিম আবুরখীল জাগৃতি পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও সদ্ধর্মদেশনা সম্পন লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং ইউনাইটেড স্টারস এবং লিও ক্লাব অব চিটাগং ইউনাইটেড স্টারস এর চার্জ হস্তান্তর-গ্রহণ ও চার্টার সেলিব্রেশন কবরস্থানের পাশে মিলল যুবকের মরদেহ, এলাকায় চাঞ্চল্য পটিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্র ও সিএনজিসহ একজন গ্রেপ্তার পটিয়ায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া  প্রতিযোগিতা ও পুরুষ্কার বিতরন অনুষ্ঠিত পার্কভিউ হাসপাতালে ‘SSC-2026 Success Celebration’ অনুষ্ঠিত পটিয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল টমটমযাত্রীর পটিয়া স্টেশন রোড ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে মফিজুর রহমান সংবর্ধিত হিজড়া নেত্রী মৌসুমী হত্যা: ফাল্গুনীর ‘কথিত স্বামী’ রনি গ্রেপ্তার আরব আমিরাত প্রবাসীর সাংবাদিক শিবলী আল সাদিক সংবর্ধিত।

গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সালেহ আনসার উদ্দিন – এতিম ছেলের ‘বাবা’ হলেন

  • সময় শুক্রবার, ৩০ মে, ২০২৫
  • ৩৬৩ পঠিত

মোঃ কায়সার. চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।

গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবু সালেহ মো. আনসার উদ্দিন এক ব্যতিক্রমী মানবিক কাজের মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর প্রতি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সম্প্রতি, তিনি এক এতিম ও অসহায় শিশুর পাশে দাঁড়িয়ে যে ভালোবাসা ও স্নেহের পরিচয় দিয়েছেন, তা শুধুই একজন পুলিশ অফিসারের কর্তব্য নয়, বরং একজন স্নেহময় পিতার ভূমিকাও বটে।

ঘটনার সূত্রপাত একটি অসহায় ছেলেকে ঘিরে, যে সমাজে নিরাশার মুখোমুখি হয়ে ছিল। ঠিক তখনই আবু সালেহ এগিয়ে আসেন। শিশুটি তাকে আবেগঘন কণ্ঠে “বাবা” বলে ডাকে, আর তিনি তাকে নিজের সন্তানের মতো জড়িয়ে ধরেন। মানবিকতার এমন উদাহরণ বিরল, বিশেষ করে আজকের জটিল ও সংকীর্ণ সমাজ বাস্তবতায়।

আবু সালেহ মো. আনসার উদ্দিন বলেন, “আমি মনে করি, পৃথিবীতে যদি কেউ সত্যিকার অর্থে মানবসেবা করতে চায়, তাহলে পুলিশ বা ডাক্তারি পেশা বেছে নেয়া উচিত। কারণ এই দুটি পেশায় সাধারণ মানুষ তাদের দুঃসময়ে ছুটে আসে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “যখন কেউ তার পরিবার, জনপ্রতিনিধি বা সমাজপতিদের কাছ থেকে সাহায্য না পেয়ে পুলিশের দারস্থ হয়, তখন সেই মানুষটির পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

পুলিশ বাহিনীতে তাঁর ভূমিকা শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবে সীমাবদ্ধ নয়; বরং একজন সহানুভূতিশীল, দায়িত্বশীল ও মানবিক কর্মকর্তার প্রতিচ্ছবি তিনি। মাত্র দুই মাস হলো গোপালগঞ্জে যোগদান করেছেন, অথচ এর মধ্যেই মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন সততা, সহানুভূতি ও সেবার মানসিকতা দিয়ে।

এ ধরনের মানবিক কর্মকাণ্ড শুধু একজন কর্মকর্তার ব্যক্তিত্বকেই তুলে ধরে না, বরং পুরো পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে। সমাজে এমন ইতিবাচক উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের সামনে ভালো উদাহরণ তৈরি করতে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট