1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় সাম্প্রতিক প্রবল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দি মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ মিরসরাই ট্র্যাজেডিতে নিহতদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৩৯ : চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায়১০ লাখ মানুষ বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে নিরলস মানবিক মানুষ নুরুল আমিন চৌধুরী আরমান। সাতকানিয়ায় চারদিকে বন্যার পানি,কবর দেওয়ার মত জায়গা নেই, কলাগাছের ভেলায় ভাসিয়ে দাফন! ভয়াবহ বন্যায় ভেসে যাচ্ছে দক্ষিণ চট্টগ্রাম: মোস্তানছিরুল হক চৌধুরী প্রাকৃতিক দূর্যোগ বন্যা মোকাবেলায় করণীয় ও সচেতনতা -মহিউদ্দীন কাদের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে মানবিক সহায়তার হাত বাড়ালেন এস. এম. আহসানুল কবির চৌধুরী (টিটু) পটিয়া স্টেশন রোড ব্যবসায়ী সমিতির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশসহ ৭ দেশকে সুখবর দিল সৌদি, মিলবে ৪৮ ঘণ্টায় সুবিধা

কৃষিক্ষেত্রে নারীর অবদান ও স্বীকৃতি: প্লাবনী ইয়াসমিন

  • সময় শুক্রবার, ২২ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩৯৬ পঠিত

মোঃ শফিকুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

​কৃষিতে নারীর এমন ব্যাপক অংশগ্রহণ সত্ত্বেও, তাদের শ্রমের প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যায়ন নেই। সমাজে তাদের অবদানকে কেবল “সাহায্যকারী” হিসেবে দেখা হয়, “কৃষক” হিসেবে নয়। নারী শ্রমিকরা পুরুষদের তুলনায় অনেক কম মজুরি পায়। যেখানে পুরুষরা দৈনিক ৬০০ টাকা পায়, নারীরা পায় মাত্র ৩৫০ টাকা। কঠোর পরিশ্রমের পরও উৎপাদিত ফসল বা গৃহপালিত পশুর উপর নারীর কোনো মালিকানা থাকে না। পরিবারের সদস্যরা তাদের এই শ্রমের কোনো মূল্য দেয় না।
​২০১১ সালের জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিতে নারীর অর্থনৈতিক অবদানের স্বীকৃতির কথা বলা হলেও, বাস্তবে গ্রামীণ নারী শ্রমিকের কোনো বৈধ পরিচয় নেই। যদিও ২০১৮ সালের কৃষিনীতিতে “নারী ক্ষমতায়ন” অধ্যায় যুক্ত হয়েছে এবং নারীরা “কৃষিকার্ড” পাচ্ছেন, তবুও বহু প্রান্তিক নারী কৃষক এখনও সরকারি প্রণোদনা থেকে বঞ্চিত। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মতো সংস্থাতেও নারী শ্রমিকের কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই।​প্রবন্ধের লেখিকা নারীদের প্রতি আহ্বান জানান যেন তারা নিজেদের কেবল শারীরিক সৌন্দর্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জ্ঞান, শিক্ষা এবং আত্মনির্ভরশীলতাকে নিজেদের প্রকৃত শক্তি হিসেবে গড়ে তোলেন। নারীর প্রতি সমাজের অবহেলা দূর করতে হলে প্রতিটি মেয়েকে সচেতন ও সুশিক্ষিত নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। লেখিকার মতে, কৃষিতে নারীর অবদানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে “কৃষক” হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং তাদের প্রাপ্য সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট