1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মূল্যবোধের শিক্ষায় সুন্দর জীবন ও শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব বিশ্ব শান্তি নীতি প্রতিযোগিতা বাংলাদেশের পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন নান্দনিক চট্টলার উদ্যোগে ছায়াছন্দ গুণীজন সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সম্পত্তির জন্য সৎ মা ও ভাইকে হত্যা, ০২ বছর পর সিআইডি কর্তৃক রহস্য উদঘাটন কোরবানি উপলক্ষে পটিয়ায় মানবতার বন্ধনের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ। বেস্ট বাংলা ট্র্যাভেলস এন্ড ট্যুরসের উপদেষ্টা মনোনীত হলেন সংগঠক মোহাম্মদ আলী রাসূলুল্লাহ(দ.)’র প্রতি সম্মান ও ভালবাসা সফলতার সোপান -সৈয়্যদা আফরা দ্রুততম সময়ে সকল ধর্ষণের বিচার সম্পন্ন করতে সরকার বদ্ধপরিকর। -সাঈদ আল নোমান এমপি সৃষ্টিকর্মে চিরঞ্জীব তুমি -মো: ওসমান হোসেন সাকিব কৃত্রিম কিডনি তৈরি করে সারা বিশ্বে চমক লাগান চট্টগ্রামের সন্তান ড. শুভ রায়। বোয়ালখালীতে কারখানায় চোর সন্দেহে আটক যুবকের মৃত্যু

কৃষিক্ষেত্রে নারীর অবদান ও স্বীকৃতি: প্লাবনী ইয়াসমিন

  • সময় শুক্রবার, ২২ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩৭৮ পঠিত

মোঃ শফিকুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

​কৃষিতে নারীর এমন ব্যাপক অংশগ্রহণ সত্ত্বেও, তাদের শ্রমের প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যায়ন নেই। সমাজে তাদের অবদানকে কেবল “সাহায্যকারী” হিসেবে দেখা হয়, “কৃষক” হিসেবে নয়। নারী শ্রমিকরা পুরুষদের তুলনায় অনেক কম মজুরি পায়। যেখানে পুরুষরা দৈনিক ৬০০ টাকা পায়, নারীরা পায় মাত্র ৩৫০ টাকা। কঠোর পরিশ্রমের পরও উৎপাদিত ফসল বা গৃহপালিত পশুর উপর নারীর কোনো মালিকানা থাকে না। পরিবারের সদস্যরা তাদের এই শ্রমের কোনো মূল্য দেয় না।
​২০১১ সালের জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিতে নারীর অর্থনৈতিক অবদানের স্বীকৃতির কথা বলা হলেও, বাস্তবে গ্রামীণ নারী শ্রমিকের কোনো বৈধ পরিচয় নেই। যদিও ২০১৮ সালের কৃষিনীতিতে “নারী ক্ষমতায়ন” অধ্যায় যুক্ত হয়েছে এবং নারীরা “কৃষিকার্ড” পাচ্ছেন, তবুও বহু প্রান্তিক নারী কৃষক এখনও সরকারি প্রণোদনা থেকে বঞ্চিত। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মতো সংস্থাতেও নারী শ্রমিকের কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই।​প্রবন্ধের লেখিকা নারীদের প্রতি আহ্বান জানান যেন তারা নিজেদের কেবল শারীরিক সৌন্দর্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জ্ঞান, শিক্ষা এবং আত্মনির্ভরশীলতাকে নিজেদের প্রকৃত শক্তি হিসেবে গড়ে তোলেন। নারীর প্রতি সমাজের অবহেলা দূর করতে হলে প্রতিটি মেয়েকে সচেতন ও সুশিক্ষিত নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। লেখিকার মতে, কৃষিতে নারীর অবদানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে “কৃষক” হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং তাদের প্রাপ্য সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট