1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মিরসরাই ট্র্যাজেডিতে নিহতদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৩৯ : চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায়১০ লাখ মানুষ বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে নিরলস মানবিক মানুষ নুরুল আমিন চৌধুরী আরমান। সাতকানিয়ায় চারদিকে বন্যার পানি,কবর দেওয়ার মত জায়গা নেই, কলাগাছের ভেলায় ভাসিয়ে দাফন! ভয়াবহ বন্যায় ভেসে যাচ্ছে দক্ষিণ চট্টগ্রাম: মোস্তানছিরুল হক চৌধুরী প্রাকৃতিক দূর্যোগ বন্যা মোকাবেলায় করণীয় ও সচেতনতা -মহিউদ্দীন কাদের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে মানবিক সহায়তার হাত বাড়ালেন এস. এম. আহসানুল কবির চৌধুরী (টিটু) পটিয়া স্টেশন রোড ব্যবসায়ী সমিতির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশসহ ৭ দেশকে সুখবর দিল সৌদি, মিলবে ৪৮ ঘণ্টায় সুবিধা বাঁশখালীতে পিতার মাথার ওপর পুত্রের লাশ, পানিতেই জানাজা ও দাফন।

বাঘাইছড়ির বৃহত্তর মুসলিম ব্লক বাজারে অগ্নিকাণ্ডের পর ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন ব্যবসায়ীরা

  • সময় শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৮০ পঠিত

আনোয়ার হোসেন
‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি-

‎রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার বৃহত্তর মুসলিম ব্লক বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন। গত ২১ মে দিবাগত রাতে ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডে বাজারের প্রায় ৩০টি দোকান মুহূর্তের মধ্যেই ভস্মীভূত হয়ে যায়। এতে নিঃস্ব হয়ে পড়েন বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।

‎আগুনের ধাক্কা সামলে নিতে প্রথমদিকে হতাশা দেখা দিলেও বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা নতুন করে ব্যবসা শুরু করেছেন। কেউ অস্থায়ী দোকান সাজাচ্ছেন, কেউবা ভাড়া করা স্থানে ব্যবসা চালাচ্ছেন। নিজেদের সঞ্চয়, আত্মীয়স্বজন, স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলের সহায়তায় বাজারে আবার প্রাণ ফিরে আসছে।

‎ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুর শুক্কুর আলী বলেন, “আগুনে সব হারিয়েছিলাম। কিন্তু সংসার চালাতে তো থেমে থাকা যায় না। তাই আবার নতুন করে দোকান সাজাচ্ছি।”
‎ক্ষতিগ্রস্ত আরেক ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল কাইয়ুম বলেন, “হঠাৎ করে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বহু বছরের সঞ্চয় ও স্বপ্ন ছাই হয়ে গেছে। তবে নতুন করে ব্যবসা শুরু করার চেষ্টা করছি।”

‎মুসলিম ব্লক বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ডা. আবুল কাসেম বলেন, “অগ্নিকাণ্ডের পর আমরা পুনরায় দোকানঘর নির্মাণ করেছি। আগুন যেন এক পাশ থেকে অন্য পাশে ছড়াতে না পারে সেজন্য বাজারের দুই পাশ প্রশস্ত করা হয়েছে।”

‎মুসলিম ব্লক বায়তুল আবরার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক মাস্টার বলেন, “বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসায়ীরা বিপর্যস্ত হলেও আল্লাহর রহমতে এবং সবার সহযোগিতায় আবার ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছি। জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দল ও দাতা ব্যক্তিদের আন্তরিক সহযোগিতা ছিল অনন্য।” তবে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এখনো পর্যন্ত রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ থেকে কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি।

‎তিনি ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে বাঘাইছড়িতে দ্রুত ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন, আধুনিক সরঞ্জাম ও পর্যাপ্ত জনবল নিশ্চিত করার দাবি জানান।

‎উল্লেখ্য, ১৯৫৯ সালে মুসলিম ব্লক এলাকায় মানুষের বসবাস শুরু হয় এবং ১৯৬১ সালে কয়েকটি দোকান দিয়ে বাজারটির যাত্রা শুরু হয়। সময়ের সাথে বাজারটি স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকার সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে পড়ে।

‎স্থানীয়রা আশা করছেন, ব্যবসায়ীদের সাহস ও ঐক্যের মাধ্যমে মুসলিম ব্লক বাজার আবারও আগের মতো কোলাহল ও কর্মচাঞ্চল্যে ভরে উঠবে।

অগ্নিকাণ্ডের ক্ষতি অপূরণীয় হলেও বাঘাইছড়ির মুসলিম ব্লক বাজারের ব্যবসায়ীরা নতুন করে বাঁচার আশায় ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন। তাদের এই অদম্য মনোবলই প্রমাণ করে, সংকটে সাহসই সবচেয়ে বড় সম্বল।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট