1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পটিয়ায় রমজানের শুরুতেই লেবুর বাজারে অস্থিরতা, হালি ১২০ টাকায় বিক্রি। রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় কীটনাশক যুক্ত মশারি বিতরণ,অনুষ্ঠিত হয়েছে। একুশ শতকে একুশের চেতনায় উদীয়মান বাংলাদেশ -লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে বিসিআরসি’র সমাবেশ: নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশার বার্তা “পবিত্র মাহে রমজানের ফজিলত ও তাৎপর্য – মাওলানা মুহাম্মদ বোরহান উদ্দীন কাদেরী ভিলেজ এপসি ৪-০ গোলে চ্যাম্পিয়ন চন্দনাইশ চৌধুরী পাড়া একতা সংঘের ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন চৌধুরী পাড়া ফুটবল দল ২-০ গোলে চ্যাম্পিয়ন চন্দনাইশ সাদেক মোহাম্মদ পাড়া ফুটসাল ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন চট্টগ্রামে ফল ও সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি বেশি দামে, ৫ প্রতিষ্ঠানকে লক্ষাধিক টাকা জরিমানা মোস্তানছির হক সভাপতি সাজিদ সাধারণ সম্পাদক বোয়ালখালী স্টুডেন্ট ফোরাম ঢাকার নতুন কমিটি গঠিত সীতাকুন্ড ভ্রাম্যমান অভিযানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জরিমানা

বাঘাইছড়ির বৃহত্তর মুসলিম ব্লক বাজারে অগ্নিকাণ্ডের পর ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন ব্যবসায়ীরা

  • সময় শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১১৩ পঠিত

আনোয়ার হোসেন
‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি-

‎রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার বৃহত্তর মুসলিম ব্লক বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন। গত ২১ মে দিবাগত রাতে ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডে বাজারের প্রায় ৩০টি দোকান মুহূর্তের মধ্যেই ভস্মীভূত হয়ে যায়। এতে নিঃস্ব হয়ে পড়েন বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।

‎আগুনের ধাক্কা সামলে নিতে প্রথমদিকে হতাশা দেখা দিলেও বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা নতুন করে ব্যবসা শুরু করেছেন। কেউ অস্থায়ী দোকান সাজাচ্ছেন, কেউবা ভাড়া করা স্থানে ব্যবসা চালাচ্ছেন। নিজেদের সঞ্চয়, আত্মীয়স্বজন, স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলের সহায়তায় বাজারে আবার প্রাণ ফিরে আসছে।

‎ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুর শুক্কুর আলী বলেন, “আগুনে সব হারিয়েছিলাম। কিন্তু সংসার চালাতে তো থেমে থাকা যায় না। তাই আবার নতুন করে দোকান সাজাচ্ছি।”
‎ক্ষতিগ্রস্ত আরেক ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল কাইয়ুম বলেন, “হঠাৎ করে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বহু বছরের সঞ্চয় ও স্বপ্ন ছাই হয়ে গেছে। তবে নতুন করে ব্যবসা শুরু করার চেষ্টা করছি।”

‎মুসলিম ব্লক বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ডা. আবুল কাসেম বলেন, “অগ্নিকাণ্ডের পর আমরা পুনরায় দোকানঘর নির্মাণ করেছি। আগুন যেন এক পাশ থেকে অন্য পাশে ছড়াতে না পারে সেজন্য বাজারের দুই পাশ প্রশস্ত করা হয়েছে।”

‎মুসলিম ব্লক বায়তুল আবরার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক মাস্টার বলেন, “বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসায়ীরা বিপর্যস্ত হলেও আল্লাহর রহমতে এবং সবার সহযোগিতায় আবার ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছি। জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দল ও দাতা ব্যক্তিদের আন্তরিক সহযোগিতা ছিল অনন্য।” তবে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এখনো পর্যন্ত রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ থেকে কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি।

‎তিনি ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে বাঘাইছড়িতে দ্রুত ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন, আধুনিক সরঞ্জাম ও পর্যাপ্ত জনবল নিশ্চিত করার দাবি জানান।

‎উল্লেখ্য, ১৯৫৯ সালে মুসলিম ব্লক এলাকায় মানুষের বসবাস শুরু হয় এবং ১৯৬১ সালে কয়েকটি দোকান দিয়ে বাজারটির যাত্রা শুরু হয়। সময়ের সাথে বাজারটি স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকার সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে পড়ে।

‎স্থানীয়রা আশা করছেন, ব্যবসায়ীদের সাহস ও ঐক্যের মাধ্যমে মুসলিম ব্লক বাজার আবারও আগের মতো কোলাহল ও কর্মচাঞ্চল্যে ভরে উঠবে।

অগ্নিকাণ্ডের ক্ষতি অপূরণীয় হলেও বাঘাইছড়ির মুসলিম ব্লক বাজারের ব্যবসায়ীরা নতুন করে বাঁচার আশায় ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন। তাদের এই অদম্য মনোবলই প্রমাণ করে, সংকটে সাহসই সবচেয়ে বড় সম্বল।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট