1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
২০২৬ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠ্যবই প্রদান, নৈতিক শিক্ষায় গুরুত্বারোপ ইসলামী ব্যাংকিং দ্রুত বিকশিত হচ্ছে : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা; শঙ্কিত তৃতীয় বিশ্বের দেশসমূহ -লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া ন্যাশনাল ইংলিশ স্কুল চিটাগং’র শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত সীতাকুন্ডে ঈদুল ফিতরকে ঘিরে প্রশাসনের মতবিনিময় ড্রোন হামলায় বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু “জিহাদ বা যুদ্ধ” মোহাম্মদ আব্দুল হাকিম (খাজা হাবীব ) বাঘাইছড়িতে রমজান উপলক্ষে দুরছড়ি বাজারে মোবাইল কোর্ট। শিক্ষা বিস্তার ও সমাজসেবায় এক অনন্য অবদানকারীর নাম পটিয়ার মীর আবুল হোসেন মাষ্টার -আলমগীর আলম। চট্টগ্রাম সমিতি সি‌লে‌টের উদ্যো‌গে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামসহ তিন জেলার ১৫৩ ইউনিয়ন ও ৭২ মৌজাকে পানি সংকটাপন্ন জোন ঘোষণা

  • সময় শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৪১১ পঠিত

চট্টগ্রাম, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার মোট ১৫৩টি ইউনিয়ন ও ৭২টি মৌজাকে পানি সংকটাপন্ন জোন/এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

এ বিষয়ে গত ২৮ অক্টোবর গেজেট প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় এবং বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের উত্তর-পশ্চিম হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার ২৫টি উপজেলার ৪৭টি ইউনিয়নকে অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন, ৪০টি ইউনিয়নকে উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এবং ৬৬টি ইউনিয়নকে মধ্যম মাত্রার পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এছাড়া চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার পটিয়া পৌরসভার ৫টি মৌজাকে অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এবং ৩টি মৌজাকে উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশ পানি আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৭ অনুযায়ী পানি সংকটাপন্ন এলাকার সুষ্ঠু পানি ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্যে এবং জলাধার বা পানি ধারক স্তরের সুরক্ষার জন্য যথাযথ অনুসন্ধান, পরীক্ষা, নিরীক্ষা ও জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
আরও বলা হয়েছে, নদী-জলাশয়-লেক-জলাভূমিতে বসতবাড়ি, শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তরল ও কঠিন অপরিশোধিত বর্জ্য নির্গমন ও দূষণ করা যাবে না। অধিক পানি নির্ভর ফসল উৎপাদন নিরুৎসাহিত/ সীমিত করতে হবে এবং পর্যায়ক্রমে পানি সাশ্রয়ী ফসলের আবাদ বৃষ্টি করতে হবে।
এসব নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে বাংলাদেশ পানি আইন, ২০২৩ এর ধারা ২৯ ধারা অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট