1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
এসএসসিতে সেরা ফল: শতভাগ পাসের শীর্ষে হাজেরা মেমোরিয়াল মডেল স্কুল জীবন্ত শিশুর মাথায় ছাদ নেই, অথচ রাষ্ট্রের কোটি টাকা ইট পাথরের স্থাপনায় — এ কেমন অগ্রাধিকার? তীব্র গরমে চা শ্রমিকদের পাশে ইস্পাহানী’র জেরিন চা বাগান ব্যবস্থাপক ইত্তেফাকুল হুফফাজ চট্টগ্রাম বাংলাদেশের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ ও দায়িত্বশীল কর্মশালা অনুষ্ঠিত  হারুয়ালছড়ি হাজারখীলে বেড়িসহ খালে বিলীন হওয়ার পথে সড়ক, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা চট্টগ্রামে ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা উধাও  HSC এর পর দ্বিধাদ্বন্দ্ব: দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নাকি Study Abroad? চট্টগ্রামে ‘Talent Hunt 2026’:১০০-এর অধিক যুবকের কারিগরি প্রশিক্ষণে এনরোলমেন্ট ও প্রশিক্ষণ শেষে চাকরির উদ্যোগ শিমুল বড়ুয়ার জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসার আহ্বান চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন পটিয়ার সন্তান সাজ্জাদ হোসেন

চট্টগ্রামসহ তিন জেলার ১৫৩ ইউনিয়ন ও ৭২ মৌজাকে পানি সংকটাপন্ন জোন ঘোষণা

  • সময় শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৭৩৪ পঠিত

চট্টগ্রাম, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার মোট ১৫৩টি ইউনিয়ন ও ৭২টি মৌজাকে পানি সংকটাপন্ন জোন/এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

এ বিষয়ে গত ২৮ অক্টোবর গেজেট প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় এবং বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের উত্তর-পশ্চিম হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার ২৫টি উপজেলার ৪৭টি ইউনিয়নকে অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন, ৪০টি ইউনিয়নকে উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এবং ৬৬টি ইউনিয়নকে মধ্যম মাত্রার পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এছাড়া চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার পটিয়া পৌরসভার ৫টি মৌজাকে অতি উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এবং ৩টি মৌজাকে উচ্চ পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশ পানি আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৭ অনুযায়ী পানি সংকটাপন্ন এলাকার সুষ্ঠু পানি ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্যে এবং জলাধার বা পানি ধারক স্তরের সুরক্ষার জন্য যথাযথ অনুসন্ধান, পরীক্ষা, নিরীক্ষা ও জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
আরও বলা হয়েছে, নদী-জলাশয়-লেক-জলাভূমিতে বসতবাড়ি, শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তরল ও কঠিন অপরিশোধিত বর্জ্য নির্গমন ও দূষণ করা যাবে না। অধিক পানি নির্ভর ফসল উৎপাদন নিরুৎসাহিত/ সীমিত করতে হবে এবং পর্যায়ক্রমে পানি সাশ্রয়ী ফসলের আবাদ বৃষ্টি করতে হবে।
এসব নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে বাংলাদেশ পানি আইন, ২০২৩ এর ধারা ২৯ ধারা অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট