বাংলাদেশের ইতিহাস কোনো সাধারণ সময়রেখা নয়; এটি রক্তে লেখা এক মহাকাব্য, সংগ্রামে গড়া এক অদম্য জাতির গল্প। এই দেশের প্রতিটি অর্জনের পেছনে রয়েছে ত্যাগ, বেদনা, প্রতিরোধ এবং অদম্য প্রত্যয়।
ঈদ মানেই আনন্দ, ভালোবাসা আর আপনজনের কাছে ফেরার এক অনন্য অনুভূতি। বছরের ব্যস্ততা, কর্মজীবনের ক্লান্তি আর শহরের যান্ত্রিক জীবন পেছনে ফেলে এই একটি সময়েই মানুষ ছুটে যায় নিজের শেকড়ে-গ্রামের
উদীয়মান সূর্য, যা একটি নতুন স্বাধীন দেশের অভ্যুদয় এবং মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তকে নির্দেশ করে। এই বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করতে প্রাণ দিয়েছে ৩০ লাখ মানুষ। সে জন্যই আমাদের জাতীয় পতাকা গাঢ়
ঈদ আরবি শব্দ, যার অর্থ-খুশি, আরেক অর্থে ফিরে আসা। এমন দিনকে ঈদ বলা হয় যে দিন মানুষ একত্র হয় ও দিনটি বারবার ফিরে আসে। আল্লাহ রাববুল আলামিন এ দিবসে
বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতিতে এমন কিছু ব্যক্তিত্ব ছিলেন, যাদের নাম উচ্চারিত হলে সততা, আদর্শ এবং সাহসী উচ্চারণের কথা মনে পড়ে। তেমনই এক উজ্জ্বল নাম হলেন মাঈন উদ্দিন খাঁন বাদল। বামপন্থী
বাংলাদেশ প্রকৃতিগতভাবে নদী, খাল ও জলাভূমির দেশ। একসময় দেশের গ্রামাঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত ছিল অসংখ্য খাল, যা কৃষি উৎপাদন, সেচব্যবস্থা, নৌযাতায়াত এবং পানি নিষ্কাশনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হতো। কিন্তু দীর্ঘদিনের
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও ইউনিয়নে আধ্যাত্মিক সাধক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজ সংস্কারক হযরত আবু মোহাম্মদ মোস্তাক বিল্লাহ সুলতানপুরী (রহ.)–এর স্মরণে আয়োজিত স্মরণসভা দীর্ঘদিন পর ইউনিয়নের মানুষদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ পরিবেশ
বাংলার গ্রামীণ সমাজ একসময় ছিল নানা ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও লোকাচারের সমৃদ্ধ ভাণ্ডার। বিয়ে ছিল সেই সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক আয়োজন। গ্রামে বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়লেই যেন পুরো জনপদে উৎসবের
আরবি হিজরী বছরের নবম মাস মাহে রমজান। অন্যান্য মাসের চেয়ে এ মাসের গুরুত্ব ও ফযিলত অত্যধিক। কেননা এ মাস কুরআন নাজিলের মাস, এ মাস লাইলাতুল কদরের মাস, রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের পবিত্র মাস। শয়তানকে
আত্মশুদ্ধির বসন্তকাল, ইসলামি বর্ষপঞ্জির নবম মাস হলো পবিত্র মাহে রমাদান। এটি কেবল একটি মাস নয়, বরং মুসলিম উম্মাহর জন্য এক অনন্য আধ্যাত্মিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মুসলমান এই মাসে