যেকোনো প্রগতিশীল ও গণমুখী রাজনৈতিক দলের মূল চালিকাশক্তি বা “লাইফব্লাড” (Lifeblood) হলো তার মাঠপর্যায়ের কর্মীবাহিনী। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ভাষায়, এই কর্মীরাই হলেন দলের “গ্রাসরুট ক্যাডার’ (Grassroots Cadres), যাঁরা রোদ-বৃষ্টি, রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন,
আছিয়া থেকে রামিসা- এই নামগুলো এখন আর শুধু দুটি শিশুর নাম নয়; এরা বাংলাদেশের বিবেকহীন রাষ্ট্রযন্ত্রের বিরুদ্ধে একেকটি জ্বলন্ত অভিযোগপত্র। একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রথম এবং প্রধান সাংবিধানিক
বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় আজ সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি সাধারণ মানুষকে হতাশ করছে, সেটি হলো রাজনীতির মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুতি। রাজনীতি হওয়ার কথা ছিল মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার পথ, শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে
বাংলাদেশ আজ এক ভয়াবহ সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। প্রতিদিন দেশের কোথাও না কোথাও নারী ও শিশু ধর্ষণ, নির্যাতন কিংবা হত্যার শিকার হচ্ছে। সংবাদপত্র, টেলিভিশন কিংবা সামাজিক
যিলহজ্জ মাস হলো হিজরী সনের দ্বাদশ মাস এবং সর্বশেষ মাস। আর এ মাসেই রয়েছে বিত্তবানদের ওপর ফরজ হজ্ব এবং মানব ইতিহাসের অবিস্মরণীয় ঘটনা তথা আপন সন্তানকে কোরবানী করার ইতিহাস। কুরআনে এই
এক সময় বাংলার সমাজব্যবস্থা ছিল মানুষের জীবন পরিচালনার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। পরিবার, আত্মীয়তা, প্রতিবেশী সম্পর্ক, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মধ্য দিয়েই গড়ে উঠেছিল আমাদের ঐতিহ্যবাহী সমাজ কাঠামো। গ্রামের মানুষ
বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর চট্টগ্রাম—পাহাড়ের সবুজ আর সাগরের নীলের অপূর্ব সংমিশ্রণে গড়ে ওঠা এক মনোমুগ্ধকর নগরী। কিন্তু এই সম্ভাবনাময় নগরীর একটি দীর্ঘদিনের দুঃখগাঁথা হলো জলাবদ্ধতা। বর্ষা মৌসুম এলেই নগরবাসীর
বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের জন্য গণপরিবহনে হাফ পাস কোনো বিলাসিতা নয়, এটি একটি মৌলিক প্রয়োজন। শিক্ষা গ্রহণের জন্য প্রতিদিন হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে বাসে চলাচল করতে হয়। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে সরকারি বাসে
আজ মহান বুদ্ধ পূর্ণিমা- ২৫৭০ বুদ্ধাব্দ। বুদ্ধ পূর্ণিমা বিশ্বে বৌদ্ধদের প্রধানতম ধর্মীয় ও জাতীয় উৎসব। আজ থেকে ২৬৫০ বছর পূর্বে এদিনে বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক মহামানব গৌতম বুদ্ধ কপিলাবস্তুর লুম্বিনী কাননে (বর্তমান
বর্ষীয়ান আলেমে দ্বীন, প্রখ্যাত লেখক, গবেষক, ইসলামী চিন্তাবিদ এবং আলোকিত বক্তা এ যুগের শুদ্ধস্বর, নীতি-নৈতিকতার প্রতীক ও সুন্নীয়তধারার এক বলিষ্ঠ প্রহরী,দার্শনিক আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান আল-কাদেরী (মুজিআ) উপমহাদেশে একজন